ডিসেম্বরের শীতল আকাশ
এবার যেন বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে মানুষ দেখতে পারবে
মহাজাগতিক এক বিরল ঘটনা। পৃথিবীর আকাশ ছুঁয়ে যাবে এক আন্তঃনাক্ষত্রিক অতিথি
(ধূমকেতু)। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সর্বশেষ আকাশপথ নির্দেশিকা
ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে-এই ডিসেম্বরের এই রাত হবে রোমাঞ্চে ভরা।
মাসের এই
বিরল ঘটনাটি ঘটতে যাচ্ছে ১৯ ডিসেম্বর, যখন আমাদের সৌরজগতে ঢুকে পড়া
আন্তঃনাক্ষত্রিক ধূমকেতু থ্রিআই/অ্যাটলাস (3I/ATLAS) পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে দিয়ে
অতিক্রম করবে। এটি মানব ইতিহাসে তৃতীয় আন্তঃনাক্ষত্রিক বস্তু। আগে ছিল ২০১৭ সালের
‘ওউমুয়ামুয়া’ এবং ২০১৯ সালের কমেট বোরিসভ। নাসার অ্যাটলাস সার্ভে টেলিস্কোপ এই
ধূমকেতুটিকে আবিষ্কার করে, যা মূলত অন্য এক নক্ষত্রমণ্ডল থেকে ছুটে আসা এক রহস্যময়
ভ্রমণকারী।
পৃথিবীর
কাছাকাছি আসলেও কোনো ঝুঁকি নেই। কারণ সবচেয়ে কাছের দূরত্ব হবে প্রায় ১৭ কোটি
মাইল, অর্থাৎ চাঁদের দূরত্বের ৭০০ গুণ। তবে দূরত্ব ও ক্ষীণ উজ্জ্বলতার কারণে এটি
দেখতে চাইলে প্রয়োজন হবে অন্তত ১২ ইঞ্চি অ্যাপারচারের টেলিস্কোপ। ভোরের আগে
পূর্ব–উত্তর–পূর্ব আকাশে, লিও নক্ষত্রমণ্ডলের রেগুলাস তারার নিচে এটি খুঁজে পাওয়া
যাবে। শহরের আলো থেকে দূরে গেলে সহজে দেখা যাবে।
এই
মহাজাগতিক ঘটনা মিলিয়ে ডিসেম্বর হবে জ্যোতির্বিদদের স্বপ্নময় মাস। শীতের পরিষ্কার
আকাশ, শহরে আলো থেকে অন্য কোথাও সরে যাওয়ার পাশাপাশি একটু ধৈর্য ধরতে পারলে যে কেউ
হয়ে উঠতে পারে মহাজগতের নীরব সাক্ষী।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫
ডিসেম্বরের শীতল আকাশ
এবার যেন বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে মানুষ দেখতে পারবে
মহাজাগতিক এক বিরল ঘটনা। পৃথিবীর আকাশ ছুঁয়ে যাবে এক আন্তঃনাক্ষত্রিক অতিথি
(ধূমকেতু)। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সর্বশেষ আকাশপথ নির্দেশিকা
ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে-এই ডিসেম্বরের এই রাত হবে রোমাঞ্চে ভরা।
মাসের এই
বিরল ঘটনাটি ঘটতে যাচ্ছে ১৯ ডিসেম্বর, যখন আমাদের সৌরজগতে ঢুকে পড়া
আন্তঃনাক্ষত্রিক ধূমকেতু থ্রিআই/অ্যাটলাস (3I/ATLAS) পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে দিয়ে
অতিক্রম করবে। এটি মানব ইতিহাসে তৃতীয় আন্তঃনাক্ষত্রিক বস্তু। আগে ছিল ২০১৭ সালের
‘ওউমুয়ামুয়া’ এবং ২০১৯ সালের কমেট বোরিসভ। নাসার অ্যাটলাস সার্ভে টেলিস্কোপ এই
ধূমকেতুটিকে আবিষ্কার করে, যা মূলত অন্য এক নক্ষত্রমণ্ডল থেকে ছুটে আসা এক রহস্যময়
ভ্রমণকারী।
পৃথিবীর
কাছাকাছি আসলেও কোনো ঝুঁকি নেই। কারণ সবচেয়ে কাছের দূরত্ব হবে প্রায় ১৭ কোটি
মাইল, অর্থাৎ চাঁদের দূরত্বের ৭০০ গুণ। তবে দূরত্ব ও ক্ষীণ উজ্জ্বলতার কারণে এটি
দেখতে চাইলে প্রয়োজন হবে অন্তত ১২ ইঞ্চি অ্যাপারচারের টেলিস্কোপ। ভোরের আগে
পূর্ব–উত্তর–পূর্ব আকাশে, লিও নক্ষত্রমণ্ডলের রেগুলাস তারার নিচে এটি খুঁজে পাওয়া
যাবে। শহরের আলো থেকে দূরে গেলে সহজে দেখা যাবে।
এই
মহাজাগতিক ঘটনা মিলিয়ে ডিসেম্বর হবে জ্যোতির্বিদদের স্বপ্নময় মাস। শীতের পরিষ্কার
আকাশ, শহরে আলো থেকে অন্য কোথাও সরে যাওয়ার পাশাপাশি একটু ধৈর্য ধরতে পারলে যে কেউ
হয়ে উঠতে পারে মহাজগতের নীরব সাক্ষী।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন