ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে করা আপিলের শুনানি শুনতে আদালতে উপস্থিত থাকতে চান সাংবাদিকরা। এজন্য এজলাসে প্রবেশের অনুমতি চেয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি দিয়েছে উচ্চ আদালত বিট করা সাংবাদিকদের সংগঠন ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম।
আজ সোমবার সংগঠনের সভাপতি হাসান জাবেদ ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মিশনের সই করা এক চিঠিতে রেজিস্ট্রার জেনারেলের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতির কাছে এই অনুমতি চাওয়া হয়।
ঐ চিঠিতে বলা হয়, গত ৭ জানুয়ারি থেকে দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগের এজলাসে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশ স্থগিত রয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে মামলার শুনানির সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও প্রচারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।
সাংবাদিকরা মনে করেন, এটি বিচার বিভাগের মর্যাদা ও ভাবমূর্তির জন্য কাম্য নয়। মঙ্গলবার আপিল বিভাগে দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের আপিল শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।
এই মামলার শুনানি শুনতে ও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহে গণমাধ্যমকর্মীরা যেন নির্বিঘ্নে এজলাসে প্রবেশ করতে পারেন সেজন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে চিঠিতে প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ করা হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের মধ্যে যে একটি অভিযোগে তাদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়, তা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে করা আপিলের শুনানি মঙ্গলবার।
প্রসিকিউসনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত আপিলটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য এই দিন ঠিক করে দেন।
এমএইছ
/ ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে করা আপিলের শুনানি শুনতে আদালতে উপস্থিত থাকতে চান সাংবাদিকরা। এজন্য এজলাসে প্রবেশের অনুমতি চেয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি দিয়েছে উচ্চ আদালত বিট করা সাংবাদিকদের সংগঠন ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম।
আজ সোমবার সংগঠনের সভাপতি হাসান জাবেদ ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মিশনের সই করা এক চিঠিতে রেজিস্ট্রার জেনারেলের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতির কাছে এই অনুমতি চাওয়া হয়।
ঐ চিঠিতে বলা হয়, গত ৭ জানুয়ারি থেকে দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগের এজলাসে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশ স্থগিত রয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে মামলার শুনানির সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও প্রচারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।
সাংবাদিকরা মনে করেন, এটি বিচার বিভাগের মর্যাদা ও ভাবমূর্তির জন্য কাম্য নয়। মঙ্গলবার আপিল বিভাগে দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের আপিল শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।
এই মামলার শুনানি শুনতে ও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহে গণমাধ্যমকর্মীরা যেন নির্বিঘ্নে এজলাসে প্রবেশ করতে পারেন সেজন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে চিঠিতে প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ করা হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের মধ্যে যে একটি অভিযোগে তাদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়, তা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে করা আপিলের শুনানি মঙ্গলবার।
প্রসিকিউসনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত আপিলটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য এই দিন ঠিক করে দেন।
এমএইছ
/ ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন