আগামী
২০
জানুয়ারি ২০২৪ সালের
জুলাই গণ-আন্দোলনে
রংপুরে
বেগম
রোকেয়া
বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থী
শহীদ
আবু
সাঈদ
হত্যার
ঘটনায়
মানবতাবিরোধী
অপরাধের
মামলার
যুক্তিতর্ক।
চেয়ারম্যান
বিচারপতি
নজরুল
ইসলাম
চৌধুরীর
নেতৃত্বাধীন
ট্রাইব্যুনাল-২ বুধবার
(১৪
জানুয়ারি)
যুক্তিতর্কের
এই
তারিখ
নির্ধারণ
করেন।
গত
মঙ্গলবার
এ
মামলার
তদন্তকারী
কর্মকর্তাকে
আসামিপক্ষের
জেরা
শেষ
করলে
ট্রাইব্যুনাল
আজ
যুক্তিতর্ক
উপস্থাপনের
জন্য
রাখেন।
কিন্তু
এদিন
প্রসিকিউশন
তদন্তকারী
কর্মকর্তাকে
পুনঃপরীক্ষা
করার
পর
আসামিপক্ষ
ফের
তাকে
জেরা
করেন। পরে ট্রাইব্যুনাল যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তারিখ পিছিয়ে আদেশ দেন।
এ মামলার ৩০ আসামির মধ্যে ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ২৪ আসামিই পলাতক। গ্রেপ্তার ছয়জনকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন- এএসআই আমির হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।
বুধবার এ মামলায় শুনানিতে ছিলেন আমিনুল গণি টিটো,
মামুনুর রশীদ,
ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম। পলাতক আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া। প্রসিকিউশন থেকে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম।
গত বছর ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্যদিয়ে শুরু হয় মামলার বিচারকাজ। পরদিন আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্যদিয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।
২০২৪
সালের জুলাই অভ্যুত্থানের
সময়
সাভারের
আশুলিয়ায়
ছয়জনের
লাশ
পোড়ানোর
ঘটনায়
মানবতাবিরোধী
অপরাধের
মামলায়
একই
ট্রাইব্যুনালে
বুধবার
যুক্তিতর্ক
উপস্থাপন
করেছে
প্রসিকিউশন।
প্রসিকিউটর
মিজানুল
ইসলাম
প্রথম
দিন
যুক্তিতর্ক
উপস্থাপন
করেন।
আগামীকাল
বৃহস্পতিবার
ফের
যুক্তিতর্ক
উপস্থাপনের
দিন
ধার্য
আছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ১৬ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার আছেন আটজন। তারা হলেন—
ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
(ক্রাইম অ্যান্ড অপস)
মো.
আব্দুল্লাহিল কাফী,
ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার
(সাভার সার্কেল)
মো.
শাহিদুল ইসলাম,
পরিদর্শক আরাফাত হোসেন,
এসআই আবদুল মালেক,
এসআই আরাফাত উদ্দিন,
এএসআই কামরুল হাসান,
এসআই শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল চোকদার। আজ তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
২০২৪ সালের ৪ ও ৫ আগস্ট মোট ছয়জনকে হত্যার অভিযোগ এনে গত বছর ১৯ জুন চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়,
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে আশুলিয়া থানার সামনে পাঁচজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। গুলিতে গুরুতর আহত হন একজন। মরণাপন্ন আহত ব্যক্তি ও পাঁচজনের মৃতদেহ প্রথমে একটি প্যাডেল ভ্যানে তোলা হয়। পরে ওই ভ্যান থেকে তোলা হয় পুলিশের একটি গাড়িতে। এক পর্যায়ে ওই গাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় পুলিশ। এই ঘটনায় শহীদ হন-
সাজ্জাদ হোসেন
(সজল),
আস সাবুর,
তানজীল মাহমুদ সুজয়,
বায়েজিদ বুসতামি,
আবুল হোসেন ও একজন এখনো অজ্ঞাত।
গত বছর ২১ আগস্ট মামলার ‘আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন’
করে বিচার শুরু আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। গত বছর ১৪ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশন এ মামলায় সূচনা বক্তব্য দেয়। পরে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : শহীদ হত্যা মামলা আবু সাঈদ যুক্তিতর্ক
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
আগামী
২০
জানুয়ারি ২০২৪ সালের
জুলাই গণ-আন্দোলনে
রংপুরে
বেগম
রোকেয়া
বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থী
শহীদ
আবু
সাঈদ
হত্যার
ঘটনায়
মানবতাবিরোধী
অপরাধের
মামলার
যুক্তিতর্ক।
চেয়ারম্যান
বিচারপতি
নজরুল
ইসলাম
চৌধুরীর
নেতৃত্বাধীন
ট্রাইব্যুনাল-২ বুধবার
(১৪
জানুয়ারি)
যুক্তিতর্কের
এই
তারিখ
নির্ধারণ
করেন।
গত
মঙ্গলবার
এ
মামলার
তদন্তকারী
কর্মকর্তাকে
আসামিপক্ষের
জেরা
শেষ
করলে
ট্রাইব্যুনাল
আজ
যুক্তিতর্ক
উপস্থাপনের
জন্য
রাখেন।
কিন্তু
এদিন
প্রসিকিউশন
তদন্তকারী
কর্মকর্তাকে
পুনঃপরীক্ষা
করার
পর
আসামিপক্ষ
ফের
তাকে
জেরা
করেন। পরে ট্রাইব্যুনাল যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তারিখ পিছিয়ে আদেশ দেন।
এ মামলার ৩০ আসামির মধ্যে ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ২৪ আসামিই পলাতক। গ্রেপ্তার ছয়জনকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন- এএসআই আমির হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।
বুধবার এ মামলায় শুনানিতে ছিলেন আমিনুল গণি টিটো,
মামুনুর রশীদ,
ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম। পলাতক আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া। প্রসিকিউশন থেকে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম।
গত বছর ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্যদিয়ে শুরু হয় মামলার বিচারকাজ। পরদিন আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্যদিয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।
২০২৪
সালের জুলাই অভ্যুত্থানের
সময়
সাভারের
আশুলিয়ায়
ছয়জনের
লাশ
পোড়ানোর
ঘটনায়
মানবতাবিরোধী
অপরাধের
মামলায়
একই
ট্রাইব্যুনালে
বুধবার
যুক্তিতর্ক
উপস্থাপন
করেছে
প্রসিকিউশন।
প্রসিকিউটর
মিজানুল
ইসলাম
প্রথম
দিন
যুক্তিতর্ক
উপস্থাপন
করেন।
আগামীকাল
বৃহস্পতিবার
ফের
যুক্তিতর্ক
উপস্থাপনের
দিন
ধার্য
আছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ১৬ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার আছেন আটজন। তারা হলেন—
ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
(ক্রাইম অ্যান্ড অপস)
মো.
আব্দুল্লাহিল কাফী,
ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার
(সাভার সার্কেল)
মো.
শাহিদুল ইসলাম,
পরিদর্শক আরাফাত হোসেন,
এসআই আবদুল মালেক,
এসআই আরাফাত উদ্দিন,
এএসআই কামরুল হাসান,
এসআই শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল চোকদার। আজ তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
২০২৪ সালের ৪ ও ৫ আগস্ট মোট ছয়জনকে হত্যার অভিযোগ এনে গত বছর ১৯ জুন চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়,
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে আশুলিয়া থানার সামনে পাঁচজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। গুলিতে গুরুতর আহত হন একজন। মরণাপন্ন আহত ব্যক্তি ও পাঁচজনের মৃতদেহ প্রথমে একটি প্যাডেল ভ্যানে তোলা হয়। পরে ওই ভ্যান থেকে তোলা হয় পুলিশের একটি গাড়িতে। এক পর্যায়ে ওই গাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় পুলিশ। এই ঘটনায় শহীদ হন-
সাজ্জাদ হোসেন
(সজল),
আস সাবুর,
তানজীল মাহমুদ সুজয়,
বায়েজিদ বুসতামি,
আবুল হোসেন ও একজন এখনো অজ্ঞাত।
গত বছর ২১ আগস্ট মামলার ‘আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন’
করে বিচার শুরু আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। গত বছর ১৪ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশন এ মামলায় সূচনা বক্তব্য দেয়। পরে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন