হাওরের জেলা সুনামগঞ্জের প্রত্যেকটি
উপজেলায় আগাম বন্যা থেকে ফসল রক্ষার জন্য জেলার সব উপজেলায় নির্মাণ হচ্ছে ফসল রক্ষা
বাধ।
বিগত ২০১৭,সালে আগাম বন্যায় তলিয়ে
গিয়েছিল সুনামগঞ্জের জেলার সব হাওর। এর পর থেকে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহয়তায়
নির্মাণ হচ্ছে ফসল রক্ষা বাধ। জেলা'র বিভিন্ন উপজেলার চেয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা পানি
উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারী সহ উপজেলা প্রশাসন হাওর রক্ষা বাধ নির্মাণে নিরলস
ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
অন্যান্য উপজেলার চেয়ে শান্তিগঞ্জ
উপজেলার বিভিন্ন হাওরে হাওর রক্ষা বাধের কাজ উর্ধগতিতে হচ্ছে। দিরাই,শাল্লা,জামালগঞ্জ
সহ বিভিন্ন হাওরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় হাওর রক্ষা বাধের কাজে বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতির
আভাস মিলছে। তার ব্যাতিক্রম শান্তিগঞ্জ উপজেলা। বিভিন্ন চাড়াই উতরাইয়ের মধ্যে দিয়ে
শান্তিগঞ্জ উপজেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারী হাওর রক্ষা বাধ নির্মাণে
হাওর পাড়ে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।
গতকাল উপজেলার সাংহাই হাওরে গিয়ে
সরজমিনে দেখা যায়, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ উপজেলায় হাওর রক্ষা বাধের কাজ ভালোই হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকেরা জানান,বিগত বছরে আমাদের অঞ্চলে হাওর রক্ষা বাধের কাজ নামকাওয়াস্তে
করা হইতো। কোন মতে বাধে মাটি ফেলে বাধ কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক বেচে যেতেন। কিন্তু
এবার অন্যরকম, টিকটাক ভাবে চলছে আমাদের হাওর রক্ষা বাধের কাজ। আশা করি আল্লাহ হুকুমে
এবার আমাদের ফসল রক্ষা হবে। আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ড সহ শান্তিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে
আমাদের হাওর বাসীর পক্ষ থেকে সাধুবাদ জানাই।
শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ফসল রক্ষা বাধ নির্মানের কাজ আমারা সবাইকে নিয়ে করতেছি। পানি
উন্নয়ন বোর্ড সহ সকলের প্রচেষ্টায় হাওর রক্ষা বাধের কাজ চলমান। বাধ নির্মানে অনিয়ম
দূর্নীতিতে কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না। ইনশাআল্লাহ আমরা নির্বাচন পরবর্তী বাধ নির্মানের
কাজ সম্পন্ন করবো।
শান্তিগঞ্জ উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান বলেন, বাধ নির্মানের ক্ষেত্রে সমালোচনা- আলোচনা তো আছেই, আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা -প্রচেষ্টা দিয়ে বাধ নির্মানের জন্য দিনের পর দিন হাওর পাড়ে পড়ে আছি। বাধ নির্মানের ক্ষেত্রে সামন্যতম ত্রুটি থাকলেও সকলের পরামর্শ ও সহযোগীতায় ইনশাআল্লাহ আমরা শীঘ্রই আমাদের বাধ নির্মানের কাজ শেষ করবো।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
হাওরের জেলা সুনামগঞ্জের প্রত্যেকটি
উপজেলায় আগাম বন্যা থেকে ফসল রক্ষার জন্য জেলার সব উপজেলায় নির্মাণ হচ্ছে ফসল রক্ষা
বাধ।
বিগত ২০১৭,সালে আগাম বন্যায় তলিয়ে
গিয়েছিল সুনামগঞ্জের জেলার সব হাওর। এর পর থেকে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহয়তায়
নির্মাণ হচ্ছে ফসল রক্ষা বাধ। জেলা'র বিভিন্ন উপজেলার চেয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা পানি
উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারী সহ উপজেলা প্রশাসন হাওর রক্ষা বাধ নির্মাণে নিরলস
ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
অন্যান্য উপজেলার চেয়ে শান্তিগঞ্জ
উপজেলার বিভিন্ন হাওরে হাওর রক্ষা বাধের কাজ উর্ধগতিতে হচ্ছে। দিরাই,শাল্লা,জামালগঞ্জ
সহ বিভিন্ন হাওরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় হাওর রক্ষা বাধের কাজে বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতির
আভাস মিলছে। তার ব্যাতিক্রম শান্তিগঞ্জ উপজেলা। বিভিন্ন চাড়াই উতরাইয়ের মধ্যে দিয়ে
শান্তিগঞ্জ উপজেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারী হাওর রক্ষা বাধ নির্মাণে
হাওর পাড়ে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।
গতকাল উপজেলার সাংহাই হাওরে গিয়ে
সরজমিনে দেখা যায়, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ উপজেলায় হাওর রক্ষা বাধের কাজ ভালোই হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকেরা জানান,বিগত বছরে আমাদের অঞ্চলে হাওর রক্ষা বাধের কাজ নামকাওয়াস্তে
করা হইতো। কোন মতে বাধে মাটি ফেলে বাধ কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক বেচে যেতেন। কিন্তু
এবার অন্যরকম, টিকটাক ভাবে চলছে আমাদের হাওর রক্ষা বাধের কাজ। আশা করি আল্লাহ হুকুমে
এবার আমাদের ফসল রক্ষা হবে। আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ড সহ শান্তিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে
আমাদের হাওর বাসীর পক্ষ থেকে সাধুবাদ জানাই।
শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ফসল রক্ষা বাধ নির্মানের কাজ আমারা সবাইকে নিয়ে করতেছি। পানি
উন্নয়ন বোর্ড সহ সকলের প্রচেষ্টায় হাওর রক্ষা বাধের কাজ চলমান। বাধ নির্মানে অনিয়ম
দূর্নীতিতে কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না। ইনশাআল্লাহ আমরা নির্বাচন পরবর্তী বাধ নির্মানের
কাজ সম্পন্ন করবো।
শান্তিগঞ্জ উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান বলেন, বাধ নির্মানের ক্ষেত্রে সমালোচনা- আলোচনা তো আছেই, আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা -প্রচেষ্টা দিয়ে বাধ নির্মানের জন্য দিনের পর দিন হাওর পাড়ে পড়ে আছি। বাধ নির্মানের ক্ষেত্রে সামন্যতম ত্রুটি থাকলেও সকলের পরামর্শ ও সহযোগীতায় ইনশাআল্লাহ আমরা শীঘ্রই আমাদের বাধ নির্মানের কাজ শেষ করবো।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন