সুন্দরবনের কালাবগিতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা মূল্যের ৪৯০ কেজি অবৈধ কাঁকড়াসহ ৫ জন কাঁকড়া ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
আজ শনিবার
(১০ জানুয়ারি) দুপুরে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো.
মুনতাসীর ইবনে মহসিন এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন,
“গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৯ জানুয়ারি (শুক্রবার) রাত ৮টায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট নলিয়ান কর্তৃক খুলনা জেলার দাকোপ থানাধীন সুন্দরবনের কালাবগি সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার টাকা মূল্যের ৪৯০ কেজি অবৈধ কাঁকড়াসহ ৫ কাঁকড়া ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।“
দেশের বন ও সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
সরকারের
নির্দেশনা
মোতাবেক
কাঁকড়ার
প্রজনন
মৌসুম
উপলক্ষে
জানুয়ারি
থেকে
ফেব্রুয়ারি
পর্যন্ত
২
মাস
সুন্দরবন
থেকে
কাঁকড়া
শিকার
এবং
ক্রয়-বিক্রয়
সম্পূর্ণ
নিষিদ্ধ।
জব্দ
কাঁকড়া
ও
আটক
ব্যক্তিদের
পরবর্তী
আইনানুগ
ব্যবস্থা
গ্রহণের
জন্য
বনবিভাগের
নিকট
হস্তান্তর
করা
হয়।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : উদ্ধার আটক কাঁকড়া ব্যবসায়ী সুন্দরবন
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬
সুন্দরবনের কালাবগিতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা মূল্যের ৪৯০ কেজি অবৈধ কাঁকড়াসহ ৫ জন কাঁকড়া ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
আজ শনিবার
(১০ জানুয়ারি) দুপুরে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো.
মুনতাসীর ইবনে মহসিন এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন,
“গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৯ জানুয়ারি (শুক্রবার) রাত ৮টায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট নলিয়ান কর্তৃক খুলনা জেলার দাকোপ থানাধীন সুন্দরবনের কালাবগি সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার টাকা মূল্যের ৪৯০ কেজি অবৈধ কাঁকড়াসহ ৫ কাঁকড়া ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।“
দেশের বন ও সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
সরকারের
নির্দেশনা
মোতাবেক
কাঁকড়ার
প্রজনন
মৌসুম
উপলক্ষে
জানুয়ারি
থেকে
ফেব্রুয়ারি
পর্যন্ত
২
মাস
সুন্দরবন
থেকে
কাঁকড়া
শিকার
এবং
ক্রয়-বিক্রয়
সম্পূর্ণ
নিষিদ্ধ।
জব্দ
কাঁকড়া
ও
আটক
ব্যক্তিদের
পরবর্তী
আইনানুগ
ব্যবস্থা
গ্রহণের
জন্য
বনবিভাগের
নিকট
হস্তান্তর
করা
হয়।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন