ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৪ বছরের শিশু তাবাচ্ছুম হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আবু তাহেরকে আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যায় ব্যবহৃত লুঙ্গি ও নিহত শিশুর স্যান্ডেল।
আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কালীগঞ্জ থানায় সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে শিশুর লাশ উদ্ধারের পর তারা তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক ভাবে নিশ্চিত হওয়ার পর যুবক প্রতিবেশী যুবক আবু তাহেরের অবস্থান শনাক্ত করে কুষ্টিয়া থেকে আটক করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক উপজেলার রায়গ্রাম এলাকার চিত্রা নদীর পাড় শিশুর ব্যবহৃত একটি স্যান্ডেল ও নদীর ভিতর থেকে হত্যাকাণ্ডের ব্যবহৃত লুঙ্গি উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নিখোঁজের একদিন পর ৪ বছরের শিশ তাবাচ্ছুমের বস্তাবন্দি লাশ একটি বিদ্যালয়ের সেফটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রাতেই অজ্ঞাতদের আসামি করে কালীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে নিহতের পিতা নজরুল ইসলাম।
এদিকে
হত্যাকারীর
ফাঁসির
দাবীতে
মানববন্ধন
কর্মসূচি
পালিত
করেছে
নিহত
শিশুর
গ্রামের
বাড়ী
মহেশপুর
উপজেরার
ভৈরবা
বাজারে।
কর্মসূচিতে
নিহতের
স্বজন
ও
এলাকাবাসী
অংশ
নেয়।
তারা
দ্রুত
সময়ের
মধ্যে
হত্যাকারীর
দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তির
দাবি
জানান।
ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
(সদর সার্কেল)
মাহফুজ আফজাল বলেন,
‘শিশু তাবাচ্ছুমকে ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আবু তাহের। আমরা শিশুটির পিতার দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছি।‘
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
আপনার মতামত লিখুন