ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শরীয়তপুরে শতাধিক ককটেলের উপকরণ উদ্ধার



শরীয়তপুরে শতাধিক ককটেলের উপকরণ উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত

শরীয়তপুরের জাজিরায় ভয়াবহ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় হাতবোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার শেষে তা নিষ্ক্রিয় (ডিসপোজ) করেছে পুলিশের বোম ডিসপোজাল ইউনিট। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই ব্যাপারীকান্দি এলাকার একটি ফাঁকা জমিতে এসব বোমা ধ্বংস করা হয়। এর আগে শুক্রবার সকালে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত একটি বসতঘর থেকে বিস্ফোরকগুলো উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার ভোররাতে মুলাই ব্যাপারীকান্দি এলাকার সাগর ব্যাপারীর বাড়িতে ককটেল তৈরির সময় হঠাৎ ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে।

এতে পুরো বসতঘরটি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। এ ঘটনায় সোহান ব্যাপারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীন সরদার মারা যান। গুরুতর আহত আরো একজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার পর শুক্রবার সকালে বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে হাতবোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করে পুলিশ।

উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক দিয়ে শতাধিক ককটেল তৈরি করা সম্ভব বলে জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। এ ঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এ ছাড়া এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে জাজিরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে ৫৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১৪০ থেকে ১৫০ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন। বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঢাকা এন্টি টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক শংকর কুমার ঘোষ বলেন, ‘সকাল থেকেই আমাদের একটি ইউনিট বোমা উদ্ধারের কাজে নিয়োজিত ছিল। পরে ৪০টি হাতবোমা ও বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করে সেগুলো নিরাপদে ধ্বংস করা হয়েছে।’

জাজিরা থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুস ছালাম বলেন, ‘বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। ইতিমধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : ককটেল

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬


শরীয়তপুরে শতাধিক ককটেলের উপকরণ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

শরীয়তপুরের জাজিরায় ভয়াবহ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় হাতবোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার শেষে তা নিষ্ক্রিয় (ডিসপোজ) করেছে পুলিশের বোম ডিসপোজাল ইউনিট। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই ব্যাপারীকান্দি এলাকার একটি ফাঁকা জমিতে এসব বোমা ধ্বংস করা হয়। এর আগে শুক্রবার সকালে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত একটি বসতঘর থেকে বিস্ফোরকগুলো উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার ভোররাতে মুলাই ব্যাপারীকান্দি এলাকার সাগর ব্যাপারীর বাড়িতে ককটেল তৈরির সময় হঠাৎ ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে।

এতে পুরো বসতঘরটি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। এ ঘটনায় সোহান ব্যাপারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীন সরদার মারা যান। গুরুতর আহত আরো একজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার পর শুক্রবার সকালে বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে হাতবোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করে পুলিশ।

উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক দিয়ে শতাধিক ককটেল তৈরি করা সম্ভব বলে জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। এ ঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এ ছাড়া এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে জাজিরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে ৫৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১৪০ থেকে ১৫০ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন। বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঢাকা এন্টি টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক শংকর কুমার ঘোষ বলেন, ‘সকাল থেকেই আমাদের একটি ইউনিট বোমা উদ্ধারের কাজে নিয়োজিত ছিল। পরে ৪০টি হাতবোমা ও বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করে সেগুলো নিরাপদে ধ্বংস করা হয়েছে।’

জাজিরা থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুস ছালাম বলেন, ‘বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। ইতিমধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



এমএইছ / ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত