রংপুরের তারাগঞ্জে গণপিটুনিতে রূপলাল দাস (৪০) ও প্রদীপ লাল (৩৫) হত্যার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল শনিবার বিকেলে র্যাবের যৌথ অভিযানে ঢাকার শাহবাগ এলাকা থেকে আটক করা হয় তাঁকে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আজ রোববার র্যাব-১৩ রংপুরের জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামীর পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম মেহেদী হাসান (৩০)। তিনি তারাগঞ্জ উপজেলার ফরিদাবাদ এলাকার ইছাহাক আলীর ছেলে। এই মামলায় এ পর্যন্ত মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। এর আগে ১৭ জানুয়ারি একই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ‘আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি’র তারাগঞ্জ উপজেলা সদস্যসচিব ইউনুস আলীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৯ আগস্ট রাতে মিঠাপুকুর উপজেলার ছড়ান বালুয়া এলাকা থেকে ভ্যান নিয়ে তারাগঞ্জ উপজেলার ঘনিরামপুর গ্রামে রূপলালের বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন প্রদীপ লাল। পথ ভুলে গেলে তাঁকে আনতে যান রূপলাল। তাঁরা দুজন রাত সাড়ে ৮টার দিকে সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট বটতলা মোড়ে পৌঁছালে চোর সন্দেহে স্থানীয় লোকজন তাঁদের আটক করেন। পরে দফায় দফায় মারধরের একপর্যায়ে দুজনের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ১০ আগস্ট রূপলালের স্ত্রী ভারতী রানী বাদী হয়ে তারাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা প্রায় ৭০০ জনকে আসামি করা হয়। এ ঘটনায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায় মেহেদী হাসান রূপলাল ও প্রদীপ লালের ভ্যানে থাকা বস্তা থেকে স্পিডের বোতল বের করে নাকের কাছে নেন। এবং অচেতন হয়ে যাচ্ছেন বলে চিৎকার করেন। এরপরই রূপলাল ও প্রদীপ লালকে মারধর করা হয়।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : রংপুর গণপিটুনি র্যাব কর্মকর্তা হত্যা
.png)
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জে গণপিটুনিতে রূপলাল দাস (৪০) ও প্রদীপ লাল (৩৫) হত্যার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল শনিবার বিকেলে র্যাবের যৌথ অভিযানে ঢাকার শাহবাগ এলাকা থেকে আটক করা হয় তাঁকে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আজ রোববার র্যাব-১৩ রংপুরের জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামীর পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম মেহেদী হাসান (৩০)। তিনি তারাগঞ্জ উপজেলার ফরিদাবাদ এলাকার ইছাহাক আলীর ছেলে। এই মামলায় এ পর্যন্ত মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। এর আগে ১৭ জানুয়ারি একই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ‘আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি’র তারাগঞ্জ উপজেলা সদস্যসচিব ইউনুস আলীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৯ আগস্ট রাতে মিঠাপুকুর উপজেলার ছড়ান বালুয়া এলাকা থেকে ভ্যান নিয়ে তারাগঞ্জ উপজেলার ঘনিরামপুর গ্রামে রূপলালের বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন প্রদীপ লাল। পথ ভুলে গেলে তাঁকে আনতে যান রূপলাল। তাঁরা দুজন রাত সাড়ে ৮টার দিকে সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট বটতলা মোড়ে পৌঁছালে চোর সন্দেহে স্থানীয় লোকজন তাঁদের আটক করেন। পরে দফায় দফায় মারধরের একপর্যায়ে দুজনের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ১০ আগস্ট রূপলালের স্ত্রী ভারতী রানী বাদী হয়ে তারাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা প্রায় ৭০০ জনকে আসামি করা হয়। এ ঘটনায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায় মেহেদী হাসান রূপলাল ও প্রদীপ লালের ভ্যানে থাকা বস্তা থেকে স্পিডের বোতল বের করে নাকের কাছে নেন। এবং অচেতন হয়ে যাচ্ছেন বলে চিৎকার করেন। এরপরই রূপলাল ও প্রদীপ লালকে মারধর করা হয়।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন