রাজশাহী
বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিমের ওপর পূর্বপরিকল্পিত ও নৃশংস হামলার ঘটনা
ঘটেছে। শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে নগরীর বরেন্দ্র প্রেসক্লাব কার্যালয়ের সামনে এ বর্বরোচিত
হামলা চালানো হয়। রাজশাহীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি নূরে ইসলাম মিলনের
নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা এ হামলা চালায়। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় রেজাউল করিম রাজশাহী
মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, রাতে ক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে অন্য আরেক সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলছিলেন রেজাউল করিম।
এসময় সন্ত্রাসী নূরে ইসলাম মিলনের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একটি সশস্ত্র বাহিনী অতর্কিতভাবে
রেজাউল করিমের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাংবাদিক নেতাকে হত্যার
উদ্দেশ্যে আঘাত করে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছুরিকাঘাত করা হয়। তাদের তান্ডবে এলাকায়
চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি গাড়ি জব্দ করেছে।
সহকর্মীরা
তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান, তার শরীরে একাধিক গুরুতর আঘাতের
চিহ্ন আছে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী অস্ত্রোপচারের পর ২ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়দের
অভিযোগ, নূরে ইসলাম মিলন দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব
কায়েম করে রেখেছেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি সহ নানা অপকর্মের অভিযোগ আছে।
ইতিপূর্বে র্যাব তাকে হত্যাসহ বিভিন্ন সহিংস অপরাধে গ্রেপ্তার করলেও জামিনে বেরিয়ে
এসে সে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
বোয়ালিয়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, ঘটনা শোনার পুলিশ সেখানে পাঠানো
হয়। হামলায় কারা জড়িত বিষয়টি পুলিশ খুঁজে দেখছে। এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি।
এদিকে
হামলার প্রতিবাদে রাজশাহীর সাংবাদিক সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার
প্রতিবাদে এবং সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে রোববার মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে
রাজশাহীর সাংবাদিক সমাজ। দুপুর ১২ টায় নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
হবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
রাজশাহী
বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিমের ওপর পূর্বপরিকল্পিত ও নৃশংস হামলার ঘটনা
ঘটেছে। শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে নগরীর বরেন্দ্র প্রেসক্লাব কার্যালয়ের সামনে এ বর্বরোচিত
হামলা চালানো হয়। রাজশাহীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি নূরে ইসলাম মিলনের
নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা এ হামলা চালায়। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় রেজাউল করিম রাজশাহী
মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, রাতে ক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে অন্য আরেক সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলছিলেন রেজাউল করিম।
এসময় সন্ত্রাসী নূরে ইসলাম মিলনের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একটি সশস্ত্র বাহিনী অতর্কিতভাবে
রেজাউল করিমের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাংবাদিক নেতাকে হত্যার
উদ্দেশ্যে আঘাত করে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছুরিকাঘাত করা হয়। তাদের তান্ডবে এলাকায়
চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি গাড়ি জব্দ করেছে।
সহকর্মীরা
তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান, তার শরীরে একাধিক গুরুতর আঘাতের
চিহ্ন আছে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী অস্ত্রোপচারের পর ২ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়দের
অভিযোগ, নূরে ইসলাম মিলন দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব
কায়েম করে রেখেছেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি সহ নানা অপকর্মের অভিযোগ আছে।
ইতিপূর্বে র্যাব তাকে হত্যাসহ বিভিন্ন সহিংস অপরাধে গ্রেপ্তার করলেও জামিনে বেরিয়ে
এসে সে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
বোয়ালিয়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, ঘটনা শোনার পুলিশ সেখানে পাঠানো
হয়। হামলায় কারা জড়িত বিষয়টি পুলিশ খুঁজে দেখছে। এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি।
এদিকে
হামলার প্রতিবাদে রাজশাহীর সাংবাদিক সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার
প্রতিবাদে এবং সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে রোববার মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে
রাজশাহীর সাংবাদিক সমাজ। দুপুর ১২ টায় নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
হবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন