ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ইউএনওর বিরুদ্ধে ডিসির কাছে নালিশ



রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ইউএনওর বিরুদ্ধে ডিসির কাছে নালিশ
ছবি : সংগৃহীত

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুস সাদাত রত্ন এক ব্যক্তির সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে তাঁকে অফিস থেকে বের করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নিয়ে টিয়ারুল ইসলাম নামের ওই ব্যক্তি আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে নালিশ করেছেন।

টিয়ারুল ইসলামের বাড়ি উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নে। তিনি গোলাপফুল মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক। গোদাগাড়ীতে সম্প্রতি খাসপুকুর ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অংশ নিতে হলে এই সমবায় সমিতির একটি প্রত্যয়নপত্র দরকার, যা দিয়ে থাকেন ইউএনও। সেটি চাইতে গিয়েই দুর্ব্যবহারের শিকার হন টিয়ারুল ইসলাম তাঁর আত্মীয় মো. সুমন। সুমনের বাড়ি পৌরসভার বারুইপাড়া মহল্লায়।

সুমন জানান, তাঁদের সমিতির নামে জলমহালের সার্টিফিকেট মামলা থাকলে তাঁরা ইজারা প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন না। সার্টিফিকেট মামলা আছে কি নেই, সে বিষয়ে আগেই প্রত্যয়ন নিতে হয় ইউএনওর কাছ থেকে। সম্প্রতি খাসপুকুর ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলে তাঁরা প্রত্যয়নপত্রের জন্য আবেদন করেন। আবেদনের ১৩ দিন পর গত বৃহস্পতিবার তাঁরা সার্টিফিকেট সহকারী মিলনের কাছে গেলে তিনি জানান, আবেদনটা মাত্র পেয়েছেন। ইউএনও সমিতির অডিট বই না দেখে প্রত্যয়ন দেবেন না। এসব কথা শুনে বৃহস্পতিবারই অডিট বই জমা দিয়ে আসেন।

কয়েকবার অফিসে গিয়েও সেটি না পেয়ে তাঁরা ইউএনওর সঙ্গে দেখা করতে তাঁর কক্ষে ঢোকেন।

সুমন বলেন, স্যার, আমরা টেন্ডার ড্রপ করব। এটা না পেলে তো হবে না। চর থেকে লোকজন এসে ঘুরছে। টেন্ডার ড্রপ করতে না পারলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব। সময় ইউএনও বলেন, ঠিক আছে প্রত্যয়ন দিয়ে দেবে। সময় সুমন বলেন, স্যার, আপনি এর আগেও বলেছেন দেবে; কিন্তু দিচ্ছেন না। এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ইউএনও। বলেন, আপনি অনুমতি না নিয়ে আমার অফিসে ঢুকেছেন। আপনি বের হন। এরপর সুমন অফিস থেকে বেরিয়ে যান।

ইউএনও নাজমুস সাদাত রত্ন বলেন, যিনি অভিযোগ করেছেন তিনিই বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন। আমার মুহূর্তে মনে পড়ছে না। অভিযোগটা দেখে বলতে পারব।

 

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : রাজশাহী

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ইউএনওর বিরুদ্ধে ডিসির কাছে নালিশ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুস সাদাত রত্ন এক ব্যক্তির সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে তাঁকে অফিস থেকে বের করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নিয়ে টিয়ারুল ইসলাম নামের ওই ব্যক্তি আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে নালিশ করেছেন।

টিয়ারুল ইসলামের বাড়ি উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নে। তিনি গোলাপফুল মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক। গোদাগাড়ীতে সম্প্রতি খাসপুকুর ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অংশ নিতে হলে এই সমবায় সমিতির একটি প্রত্যয়নপত্র দরকার, যা দিয়ে থাকেন ইউএনও। সেটি চাইতে গিয়েই দুর্ব্যবহারের শিকার হন টিয়ারুল ইসলাম তাঁর আত্মীয় মো. সুমন। সুমনের বাড়ি পৌরসভার বারুইপাড়া মহল্লায়।

সুমন জানান, তাঁদের সমিতির নামে জলমহালের সার্টিফিকেট মামলা থাকলে তাঁরা ইজারা প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন না। সার্টিফিকেট মামলা আছে কি নেই, সে বিষয়ে আগেই প্রত্যয়ন নিতে হয় ইউএনওর কাছ থেকে। সম্প্রতি খাসপুকুর ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলে তাঁরা প্রত্যয়নপত্রের জন্য আবেদন করেন। আবেদনের ১৩ দিন পর গত বৃহস্পতিবার তাঁরা সার্টিফিকেট সহকারী মিলনের কাছে গেলে তিনি জানান, আবেদনটা মাত্র পেয়েছেন। ইউএনও সমিতির অডিট বই না দেখে প্রত্যয়ন দেবেন না। এসব কথা শুনে বৃহস্পতিবারই অডিট বই জমা দিয়ে আসেন।

কয়েকবার অফিসে গিয়েও সেটি না পেয়ে তাঁরা ইউএনওর সঙ্গে দেখা করতে তাঁর কক্ষে ঢোকেন।

সুমন বলেন, স্যার, আমরা টেন্ডার ড্রপ করব। এটা না পেলে তো হবে না। চর থেকে লোকজন এসে ঘুরছে। টেন্ডার ড্রপ করতে না পারলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব। সময় ইউএনও বলেন, ঠিক আছে প্রত্যয়ন দিয়ে দেবে। সময় সুমন বলেন, স্যার, আপনি এর আগেও বলেছেন দেবে; কিন্তু দিচ্ছেন না। এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ইউএনও। বলেন, আপনি অনুমতি না নিয়ে আমার অফিসে ঢুকেছেন। আপনি বের হন। এরপর সুমন অফিস থেকে বেরিয়ে যান।

ইউএনও নাজমুস সাদাত রত্ন বলেন, যিনি অভিযোগ করেছেন তিনিই বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন। আমার মুহূর্তে মনে পড়ছে না। অভিযোগটা দেখে বলতে পারব।

 

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত