ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

যশোরে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ: অভিযুক্ত পলাতক



যশোরে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ: অভিযুক্ত পলাতক
ছবি: সংগৃহীত

যশোর শহরের নাজির শংকরপুর এলাকায় সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের লোমহর্ষক অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে গুরুতর রক্তক্ষরণ অবস্থায় শিশুটিকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত হাফিজুল (৪০) পলাতক রয়েছেন।

পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে শহরের শংকরপুর এলাকায় তার নানির বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করত। সোমবার (২ মার্চ) রাত ৯টার দিকে শিশুটির নানির ভাই হাফিজুল তাকে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ফুসলিয়ে নিজের ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। অভিযোগ উঠেছে, সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়

আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে আটটার দিকে শিশুটিকে রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে সে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।

অভিযুক্ত হাফিজুল সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে যশোর মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন একটি বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন। ঘটনার পরপরই তিনি আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির শারীরিক অবস্থা বর্তমানে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তার প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষা (ফরেনসিক টেস্ট) এবং চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে শিশুটি বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : যশোর অভিযুক্ত ধর্ষণ শিশু পলাতক

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬


যশোরে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ: অভিযুক্ত পলাতক

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬

featured Image

যশোর শহরের নাজির শংকরপুর এলাকায় সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের লোমহর্ষক অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে গুরুতর রক্তক্ষরণ অবস্থায় শিশুটিকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত হাফিজুল (৪০) পলাতক রয়েছেন।

পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে শহরের শংকরপুর এলাকায় তার নানির বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করত। সোমবার (২ মার্চ) রাত ৯টার দিকে শিশুটির নানির ভাই হাফিজুল তাকে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ফুসলিয়ে নিজের ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। অভিযোগ উঠেছে, সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়

আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে আটটার দিকে শিশুটিকে রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে সে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।

অভিযুক্ত হাফিজুল সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে যশোর মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন একটি বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন। ঘটনার পরপরই তিনি আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির শারীরিক অবস্থা বর্তমানে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তার প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষা (ফরেনসিক টেস্ট) এবং চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে শিশুটি বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত