যশোরে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে
প্রায় আড়াই হাজার পিস ভারতীয় নিষিদ্ধ মাদক ‘ট্যাপেন্টাডল’ ট্যাবলেটসহ
দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। গতকাল সোমবার
সকাল ও দুপুরে সদর উপজেলার ফরিদপুর ও চাঁচড়া এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
আটককৃতরা হলেন—যশোর
সদরের দেয়াড়া ইউনিয়নের ফরিদপুর মাঠপাড়া গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে আলী শেখ (৩২) এবং
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার দক্ষিণ ভাদিয়ালী গ্রামের মৃত মনিরুল ইসলামের মেয়ে রারতুমা
পারভীন (২৮)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর
সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সকাল ৮টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ
অধিদপ্তরের একটি দল সদর উপজেলার ফরিদপুর মাঠপাড়ায় আলী শেখের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ
সময় তাকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি মাদক মজুতের কথা স্বীকার করেন। পরে তার
দেওয়া তথ্যানুযায়ী ঘর তল্লাশি করে ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
দিনের দ্বিতীয় অভিযানটি চালানো
হয় বেলা ১১টার দিকে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের চাঁচড়া মোড় এলাকায়। সেখানে একটি লোকাল বাসে
তল্লাশি চালানোর সময় রারতুমা পারভীন নামের এক নারীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়। পরে
তাকে আটক করে তল্লাশি চালিয়ে ২ হাজার ২০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের
উপ-পরিদর্শক রাফিজা খাতুন জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে যশোর
কোতোয়ালি থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ভারতীয় এই ইনজেকশন বা ট্যাবলেটগুলো
নেশা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। আজ মঙ্গলবার আসামিদের সংশ্লিষ্ট
থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : যশোর পৃথক অভিযান ট্যাপেন্টাডল
.png)
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
যশোরে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে
প্রায় আড়াই হাজার পিস ভারতীয় নিষিদ্ধ মাদক ‘ট্যাপেন্টাডল’ ট্যাবলেটসহ
দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। গতকাল সোমবার
সকাল ও দুপুরে সদর উপজেলার ফরিদপুর ও চাঁচড়া এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
আটককৃতরা হলেন—যশোর
সদরের দেয়াড়া ইউনিয়নের ফরিদপুর মাঠপাড়া গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে আলী শেখ (৩২) এবং
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার দক্ষিণ ভাদিয়ালী গ্রামের মৃত মনিরুল ইসলামের মেয়ে রারতুমা
পারভীন (২৮)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর
সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সকাল ৮টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ
অধিদপ্তরের একটি দল সদর উপজেলার ফরিদপুর মাঠপাড়ায় আলী শেখের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ
সময় তাকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি মাদক মজুতের কথা স্বীকার করেন। পরে তার
দেওয়া তথ্যানুযায়ী ঘর তল্লাশি করে ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
দিনের দ্বিতীয় অভিযানটি চালানো
হয় বেলা ১১টার দিকে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের চাঁচড়া মোড় এলাকায়। সেখানে একটি লোকাল বাসে
তল্লাশি চালানোর সময় রারতুমা পারভীন নামের এক নারীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়। পরে
তাকে আটক করে তল্লাশি চালিয়ে ২ হাজার ২০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের
উপ-পরিদর্শক রাফিজা খাতুন জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে যশোর
কোতোয়ালি থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ভারতীয় এই ইনজেকশন বা ট্যাবলেটগুলো
নেশা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। আজ মঙ্গলবার আসামিদের সংশ্লিষ্ট
থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন