ঢাকার কেরানীগঞ্জে মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করেছে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।
আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে থানার কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম এই তথ্য জানান।
ওসি জানান,
পাশাপাশি বাসা হওয়ায় নিহত রোকেয়া রহমানের সঙ্গে তার মেয়ের গৃহশিক্ষিকা মীমের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে গৃহশিক্ষিকা মীম তিনটি এনজিও থেকে মোট এক লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন,
যার গ্যারান্টার ছিলেন রোকেয়া। সময়মতো ঋণের কিস্তি পরিশোধ না করায় রোকেয়া টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিতে থাকেন। এ দ্বন্দ্ব থেকেই মূলত হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
প্রেস
ব্রিফিংয়ে
জানানো
হয়,
প্রথমে
গৃহশিক্ষিকা
মীম
(২২)
ও
তার
ছোট
বোন
নুর
জাহান
মিলে
রোকেয়ার
মেয়ে
ফাতেমাকে
গলায়
চাপ
দিয়ে
শ্বাসরোধে
হত্যা
করে।
পরে
মীম
ফোন
করে
রোকেয়াকে
জানান,
তার
মেয়ে
অসুস্থ
হয়ে
পড়েছে।
মেয়েকে
বাসায়
নিয়ে
যাওয়ার
কথা
বলে
রোকেয়াকে
গৃহশিক্ষিকার
বাসায়
ডেকে
আনা
হয়।
রোকেয়া বাসায় প্রবেশ করলে মীম ও নুর জাহান দুই বোন মিলে তার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। হত্যার পর রোকেয়ার মরদেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। আশ্চর্যজনকভাবে, মীম সেই খাটের ওপরেই নিয়মিত ঘুমাতেন বলে জানায় পুলিশ।
ওসি আরও জানান,
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়,
ফাতেমা শিক্ষিকার বাসায় প্রবেশ করছে। হত্যার পর ফাতেমার পরনের পোশাক পরে নুর জাহান ওই বাসা থেকে বের হয়,
যাতে মনে হয় ফাতেমা বাসা ছেড়ে চলে গেছে। প্রকৃতপক্ষে বের হওয়া ব্যক্তি ছিল মীমের ছোট বোন নুর জাহান।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গৃহশিক্ষিকা মীম ও তার বোন নুর জাহান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানান ওসি।
তিনি আরও বলেন,
এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই বোনকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৭ ডিসেম্বর নিখোঁজের ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি
(জিডি)
করা হয়। পরবর্তীতে গত ৬ জানুয়ারি নিহত রোকেয়ার স্বামী শাহীন বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে
(অপহরণ)
অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : গ্রেপ্তার ২ মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ড
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকার কেরানীগঞ্জে মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করেছে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।
আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে থানার কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম এই তথ্য জানান।
ওসি জানান,
পাশাপাশি বাসা হওয়ায় নিহত রোকেয়া রহমানের সঙ্গে তার মেয়ের গৃহশিক্ষিকা মীমের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে গৃহশিক্ষিকা মীম তিনটি এনজিও থেকে মোট এক লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন,
যার গ্যারান্টার ছিলেন রোকেয়া। সময়মতো ঋণের কিস্তি পরিশোধ না করায় রোকেয়া টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিতে থাকেন। এ দ্বন্দ্ব থেকেই মূলত হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
প্রেস
ব্রিফিংয়ে
জানানো
হয়,
প্রথমে
গৃহশিক্ষিকা
মীম
(২২)
ও
তার
ছোট
বোন
নুর
জাহান
মিলে
রোকেয়ার
মেয়ে
ফাতেমাকে
গলায়
চাপ
দিয়ে
শ্বাসরোধে
হত্যা
করে।
পরে
মীম
ফোন
করে
রোকেয়াকে
জানান,
তার
মেয়ে
অসুস্থ
হয়ে
পড়েছে।
মেয়েকে
বাসায়
নিয়ে
যাওয়ার
কথা
বলে
রোকেয়াকে
গৃহশিক্ষিকার
বাসায়
ডেকে
আনা
হয়।
রোকেয়া বাসায় প্রবেশ করলে মীম ও নুর জাহান দুই বোন মিলে তার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। হত্যার পর রোকেয়ার মরদেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। আশ্চর্যজনকভাবে, মীম সেই খাটের ওপরেই নিয়মিত ঘুমাতেন বলে জানায় পুলিশ।
ওসি আরও জানান,
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়,
ফাতেমা শিক্ষিকার বাসায় প্রবেশ করছে। হত্যার পর ফাতেমার পরনের পোশাক পরে নুর জাহান ওই বাসা থেকে বের হয়,
যাতে মনে হয় ফাতেমা বাসা ছেড়ে চলে গেছে। প্রকৃতপক্ষে বের হওয়া ব্যক্তি ছিল মীমের ছোট বোন নুর জাহান।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গৃহশিক্ষিকা মীম ও তার বোন নুর জাহান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানান ওসি।
তিনি আরও বলেন,
এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই বোনকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৭ ডিসেম্বর নিখোঁজের ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি
(জিডি)
করা হয়। পরবর্তীতে গত ৬ জানুয়ারি নিহত রোকেয়ার স্বামী শাহীন বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে
(অপহরণ)
অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন