ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: গভীর রাতে ছাই হয়ে গেল ১২টি দোকান



ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: গভীর রাতে ছাই হয়ে গেল ১২টি দোকান
ছবি: সংগৃহীত

যশোরের অভয়নগরে গতকাল বুধবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামে নওয়াপাড়া পীরবাড়িসংলগ্ন কাঠপট্টি এলাকার আগুনে পুড়ে গেছে অন্তত ১২টি দোকান। 

ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার রাত ২টার দিকে কাঠপট্টিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে ততক্ষণে আগুনে কাঠপট্টির রমজান ফার্নিচার নামের দুইটি দোকান, হাতিম ফার্নিচারের শো-রুম, আব্দুর রউফ ফার্নিচার নামের দুইটি দোকান, রনি ফার্নিচার, বিকু মোল্যার কাঠের দোকান, বাদল টি স্টোর, রুবেল ফার্নিচার, শরিফুল কুটির শিল্প, ইমরান দরজা ঘর নারায়ণ চন্দ্র কুটির শিল্পের কারখানা পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের দাবি, সব মিলিয়ে তাদের প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

বাদল টি স্টলের মালিক বাদল মল্লিক বলেন, ‘নগদ টাকা, টিভি, ফ্রিজসহ দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমার দুই লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। পরিবার নিয়ে ঈদ উদযাপন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

রমজান ফার্নিচারের মালিক রমজান আলী বলেন, ‘আমার দুইটি দোকানের ফার্নিচার পুড়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’ 

নওয়াপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে রাত ২টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে। দ্রæ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিক তদন্তে মনে হয়েছে আগুনের সূত্রপাত শর্টসার্কিট থেকে হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অন্তত ২৫ লাখ টাকা। তবে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : অগ্নিকাণ্ড ভয়াবহ গভীর রাত ১২টি দোকান

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬


ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: গভীর রাতে ছাই হয়ে গেল ১২টি দোকান

প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬

featured Image

যশোরের অভয়নগরে গতকাল বুধবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামে নওয়াপাড়া পীরবাড়িসংলগ্ন কাঠপট্টি এলাকার আগুনে পুড়ে গেছে অন্তত ১২টি দোকান। 

ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার রাত ২টার দিকে কাঠপট্টিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে ততক্ষণে আগুনে কাঠপট্টির রমজান ফার্নিচার নামের দুইটি দোকান, হাতিম ফার্নিচারের শো-রুম, আব্দুর রউফ ফার্নিচার নামের দুইটি দোকান, রনি ফার্নিচার, বিকু মোল্যার কাঠের দোকান, বাদল টি স্টোর, রুবেল ফার্নিচার, শরিফুল কুটির শিল্প, ইমরান দরজা ঘর নারায়ণ চন্দ্র কুটির শিল্পের কারখানা পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের দাবি, সব মিলিয়ে তাদের প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

বাদল টি স্টলের মালিক বাদল মল্লিক বলেন, ‘নগদ টাকা, টিভি, ফ্রিজসহ দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমার দুই লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। পরিবার নিয়ে ঈদ উদযাপন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

রমজান ফার্নিচারের মালিক রমজান আলী বলেন, ‘আমার দুইটি দোকানের ফার্নিচার পুড়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’ 

নওয়াপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে রাত ২টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে। দ্রæ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিক তদন্তে মনে হয়েছে আগুনের সূত্রপাত শর্টসার্কিট থেকে হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অন্তত ২৫ লাখ টাকা। তবে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত