ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা)
আসনে
বিএনপির
মনোনীত
প্রার্থী
ও
দলটির
কেন্দ্রীয়
কমিটির
সাংগঠনিক
সম্পাদক
শামা
ওবায়েদ
ইসলাম
রিংকু
বলেছেন,
‘দেশনেত্রী
বেগম
খালেদা
জিয়া
গণতন্ত্র,
ভোটাধিকার,
মানবাধিকার
ও
কথা
বলার
অধিকারের
জন্য
সারা
জীবন
সংগ্রাম
করে
গেছেন।
বিনা
বিচারে
জেল
খেটেছেন।
তিনি
আজকে
অসুস্থ
অবস্থায়
আমাদের
ছেড়ে
চলে
গেছেন।
আপসহীন
নেত্রী
বেগম
খালেদা
জিয়াকে
মরহুমা
বলতে
অনেক
কষ্ট
হয়।’
আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে নিজ নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের তালমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত ৩ বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমি মনে করি তিনি খালেদা জিয়া কর্ম দিয়ে দেশের অভিভাবক হিসেবে পরিণত হয়েছিলেন। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে তার জানাজা সেটাই প্রমাণ করে। তারেক রহমানসহ বাংলাদেশের স্বনামধন্য আলেম মিজানুর রহমান আজহারি ও মামুনুল হক নিজে খালেদা জিয়ার কফিনটা বহন করেছিলেন। এতে আরো প্রমাণ করে খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেতৃত্ব দেননি, তিনি সারা বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং উপমহাদেশের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন।’
তিনি
বলেন,
‘আওয়ামী
লীগ
সরকারের
আমলে
কেউ
ভোট
দিতে
পারেনি।
২০১৮
সালের
নির্বাচনে
আমি
নিজে
প্রার্থী
হয়েও
ভোটটা
দিতে
পারিনি।
আমার
বাবা
মরহুম
কে
এম
ওবায়দুর
রহমান
সালথা-নগরকান্দার
মানুষের
জন্য
সারাটা
জীবন
কাজ
করে
গেছেন। দুটি
উপজেলার
সবগুলো
মসজিদ
মাদরাসায়
আমার
বাবার
উন্নয়নের
ছোঁয়া
ও
সহযোগিতা
আছে।
সম্মানিত
আলেম-ওলামাদেরও
আমার
বাবা
কখনো
খালি
হাতে
ফেরাননি।’
তিনি আরও বলেন,
‘হিন্দু সম্প্রদায়ের মুরব্বিরা যখনই মন্দির ও
শ্মশানে সমস্যা
নিয়ে আমার বাবার
কাছে গেছেন, তখনই
তিনি সমাধান করার
চেষ্টা করেছেন। তার
সন্তান হিসেবে আমারও
দায়িত্ব সালথা-নগরকান্দার মানুষের পাশে
থাকার। ১২ তারিখ
আসবে, চলে যাবে।
কিন্তু সালথা-নগরকান্দার মানুষের সঙ্গে
আমার আত্মার সম্পর্ক থেকে যাবে। আপনারা
আমাকে একটাবার সুযোগ
দিন, আমি সালথা-নগরকান্দার ১৮টি ইউনিয়ন ও
একটি পৌরসভার জন্য
কাজ করি।’
নগরকান্দা উপজেলা
স্বেচ্ছাসেবক দলের
আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান মিরানের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে আরো
উপস্থিত ছিলেন
ফরিদপুর জেলা
বিএনপির সিনিয়র
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জুলফিকার আলী
জুয়েল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হোসেন মিঠু, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক
সভাপতি হাবিবুর রহমান
বাবুল তালুকদার, সাধারণ
সম্পাদক সাইফুর
রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত
আলী শরীফ ও
যুবদল নেতা তৈয়বুর
রহমান মাসুদসহ প্রমুখ।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : শামা ওবায়েদ বেগম খালেদা জিয়া মরহুমা
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা)
আসনে
বিএনপির
মনোনীত
প্রার্থী
ও
দলটির
কেন্দ্রীয়
কমিটির
সাংগঠনিক
সম্পাদক
শামা
ওবায়েদ
ইসলাম
রিংকু
বলেছেন,
‘দেশনেত্রী
বেগম
খালেদা
জিয়া
গণতন্ত্র,
ভোটাধিকার,
মানবাধিকার
ও
কথা
বলার
অধিকারের
জন্য
সারা
জীবন
সংগ্রাম
করে
গেছেন।
বিনা
বিচারে
জেল
খেটেছেন।
তিনি
আজকে
অসুস্থ
অবস্থায়
আমাদের
ছেড়ে
চলে
গেছেন।
আপসহীন
নেত্রী
বেগম
খালেদা
জিয়াকে
মরহুমা
বলতে
অনেক
কষ্ট
হয়।’
আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে নিজ নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের তালমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত ৩ বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমি মনে করি তিনি খালেদা জিয়া কর্ম দিয়ে দেশের অভিভাবক হিসেবে পরিণত হয়েছিলেন। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে তার জানাজা সেটাই প্রমাণ করে। তারেক রহমানসহ বাংলাদেশের স্বনামধন্য আলেম মিজানুর রহমান আজহারি ও মামুনুল হক নিজে খালেদা জিয়ার কফিনটা বহন করেছিলেন। এতে আরো প্রমাণ করে খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেতৃত্ব দেননি, তিনি সারা বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং উপমহাদেশের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন।’
তিনি
বলেন,
‘আওয়ামী
লীগ
সরকারের
আমলে
কেউ
ভোট
দিতে
পারেনি।
২০১৮
সালের
নির্বাচনে
আমি
নিজে
প্রার্থী
হয়েও
ভোটটা
দিতে
পারিনি।
আমার
বাবা
মরহুম
কে
এম
ওবায়দুর
রহমান
সালথা-নগরকান্দার
মানুষের
জন্য
সারাটা
জীবন
কাজ
করে
গেছেন। দুটি
উপজেলার
সবগুলো
মসজিদ
মাদরাসায়
আমার
বাবার
উন্নয়নের
ছোঁয়া
ও
সহযোগিতা
আছে।
সম্মানিত
আলেম-ওলামাদেরও
আমার
বাবা
কখনো
খালি
হাতে
ফেরাননি।’
তিনি আরও বলেন,
‘হিন্দু সম্প্রদায়ের মুরব্বিরা যখনই মন্দির ও
শ্মশানে সমস্যা
নিয়ে আমার বাবার
কাছে গেছেন, তখনই
তিনি সমাধান করার
চেষ্টা করেছেন। তার
সন্তান হিসেবে আমারও
দায়িত্ব সালথা-নগরকান্দার মানুষের পাশে
থাকার। ১২ তারিখ
আসবে, চলে যাবে।
কিন্তু সালথা-নগরকান্দার মানুষের সঙ্গে
আমার আত্মার সম্পর্ক থেকে যাবে। আপনারা
আমাকে একটাবার সুযোগ
দিন, আমি সালথা-নগরকান্দার ১৮টি ইউনিয়ন ও
একটি পৌরসভার জন্য
কাজ করি।’
নগরকান্দা উপজেলা
স্বেচ্ছাসেবক দলের
আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান মিরানের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে আরো
উপস্থিত ছিলেন
ফরিদপুর জেলা
বিএনপির সিনিয়র
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জুলফিকার আলী
জুয়েল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হোসেন মিঠু, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক
সভাপতি হাবিবুর রহমান
বাবুল তালুকদার, সাধারণ
সম্পাদক সাইফুর
রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত
আলী শরীফ ও
যুবদল নেতা তৈয়বুর
রহমান মাসুদসহ প্রমুখ।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন