রাজশাহীর বাগমারায় আর্তমানবতার সেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থীরা। ২৫ জানুয়ারি রোববার দুপুরে কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এবং ভবানীগঞ্জ পৌরসভা বাজারের বিভিন্ন মোড়ে ঘুরে ঘুরে অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেন সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি পালিত হয়। শিক্ষার্থীরা জানান, নিজেদের টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে এবং নিজেদের ক্ষুদ্র সঞ্চয় থেকে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। কনকনে শীত ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য।
খাবার বিতরণকালে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেন,সমাজকর্মের শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা কেবল বইয়ে পড়াশোনা করতে চাই না, বরং মাঠপর্যায়ে মানুষের দুঃখ-কষ্ট ভাগ করে নিতে চাই। আমাদের এই ছোট উদ্যোগ যদি কারো একবেলার ক্ষুধা মেটায়, সেখানেই আমাদের সার্থকতা।
স্থানীয়দের প্রশংসায় শিক্ষার্থীদের এমন মানবিক কর্মকাণ্ড দেখে স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষ ব্যাপক প্রশংসা করেছেন। পথচারীরা জানান, বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্মের এমন সামাজিক সচেতনতা সমাজকে ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে নিয়ে যাবে।
বিভাগের শিক্ষকবৃন্দও শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। ছাত্রদের এই মহান উদ্যোগকে সকলেই প্রশংসা করেছেন।
.png)
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
রাজশাহীর বাগমারায় আর্তমানবতার সেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থীরা। ২৫ জানুয়ারি রোববার দুপুরে কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এবং ভবানীগঞ্জ পৌরসভা বাজারের বিভিন্ন মোড়ে ঘুরে ঘুরে অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেন সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি পালিত হয়। শিক্ষার্থীরা জানান, নিজেদের টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে এবং নিজেদের ক্ষুদ্র সঞ্চয় থেকে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। কনকনে শীত ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য।
খাবার বিতরণকালে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেন,সমাজকর্মের শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা কেবল বইয়ে পড়াশোনা করতে চাই না, বরং মাঠপর্যায়ে মানুষের দুঃখ-কষ্ট ভাগ করে নিতে চাই। আমাদের এই ছোট উদ্যোগ যদি কারো একবেলার ক্ষুধা মেটায়, সেখানেই আমাদের সার্থকতা।
স্থানীয়দের প্রশংসায় শিক্ষার্থীদের এমন মানবিক কর্মকাণ্ড দেখে স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষ ব্যাপক প্রশংসা করেছেন। পথচারীরা জানান, বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্মের এমন সামাজিক সচেতনতা সমাজকে ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে নিয়ে যাবে।
বিভাগের শিক্ষকবৃন্দও শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। ছাত্রদের এই মহান উদ্যোগকে সকলেই প্রশংসা করেছেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন