বান্দরবানের থানচি উপজেলার
পার্বত্য চট্টগ্রামে বনভূমি পুনরুদ্ধার ও পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে বার্ষিক
অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার ১০ মার্চ সকালে বান্দরবান
জেলার থানচি উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে “Scaling up Forest Landscape
Restoration in Chittagong Hill Tracts” প্রকল্পের আওতায় এই বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা
কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রকল্পের চলমান
কার্যক্রম, বনভূমি সংরক্ষণ, পরিবেশ পুনরুদ্ধার এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বিষয়ে
বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন অরণ্যক
ফাউন্ডেশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. কামরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ
আল ফয়সাল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিট মো: ওয়াহিদ হোসেন,প্রেস ক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচিং
মারমা অনুপম,সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সুপারভাইজার আমীর হোসেন প্রমূখ।
ইউএনও মো: আবদুল্লাহ আল ফয়সাল
বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বনভূমি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বন ধ্বংস, অবৈধ গাছ কাটাসহ পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব কমাতে স্থানীয় জনগণের সচেতনতা
বৃদ্ধি ও বিকল্প জীবিকার সুযোগ তৈরি করতে হবে।
কৃষিবিদ ওয়াহিদ হোসেন বলেন,
বনভূমি রক্ষা করা গেলে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকবে এবং পাহাড়ি এলাকার মানুষের জীবনমান
উন্নত হবে।
মো: কামরুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের
কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে পার্বত্য অঞ্চলের বনভূমি পুনরুদ্ধার, জলবায়ু সহনশীলতা
বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
কর্মশালাটি বাস্তবায়ন করে আরন্যক
ফাউন্ডেশন (Arannayk Foundation) এবং বিএনকেএস (BNKS), যেখানে বিভিন্ন অংশীজন তাদের
মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি,
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এনজিও কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : অনুষ্ঠিত পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম কর্মশালা
.png)
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
বান্দরবানের থানচি উপজেলার
পার্বত্য চট্টগ্রামে বনভূমি পুনরুদ্ধার ও পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে বার্ষিক
অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার ১০ মার্চ সকালে বান্দরবান
জেলার থানচি উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে “Scaling up Forest Landscape
Restoration in Chittagong Hill Tracts” প্রকল্পের আওতায় এই বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা
কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রকল্পের চলমান
কার্যক্রম, বনভূমি সংরক্ষণ, পরিবেশ পুনরুদ্ধার এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বিষয়ে
বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন অরণ্যক
ফাউন্ডেশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. কামরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ
আল ফয়সাল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিট মো: ওয়াহিদ হোসেন,প্রেস ক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচিং
মারমা অনুপম,সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সুপারভাইজার আমীর হোসেন প্রমূখ।
ইউএনও মো: আবদুল্লাহ আল ফয়সাল
বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বনভূমি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বন ধ্বংস, অবৈধ গাছ কাটাসহ পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব কমাতে স্থানীয় জনগণের সচেতনতা
বৃদ্ধি ও বিকল্প জীবিকার সুযোগ তৈরি করতে হবে।
কৃষিবিদ ওয়াহিদ হোসেন বলেন,
বনভূমি রক্ষা করা গেলে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকবে এবং পাহাড়ি এলাকার মানুষের জীবনমান
উন্নত হবে।
মো: কামরুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের
কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে পার্বত্য অঞ্চলের বনভূমি পুনরুদ্ধার, জলবায়ু সহনশীলতা
বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
কর্মশালাটি বাস্তবায়ন করে আরন্যক
ফাউন্ডেশন (Arannayk Foundation) এবং বিএনকেএস (BNKS), যেখানে বিভিন্ন অংশীজন তাদের
মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি,
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এনজিও কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন