পানিসম্পদমন্ত্রী
ও
বিএনপির
যুগ্ম
মহাসচিব
শহিদ
উদ্দীন
চৌধুরী
এ্যানি
বলেছেন, ‘আমরা উপকূলীয়
অঞ্চলের
লোক।
প্রকৃতির
সঙ্গে
যুদ্ধ
করে
আমরা
এখানে
বেঁচে
আছি।
যখন
বর্ষা
আসে
তখন
প্লাবন
ও
বন্যার
স্রোত
দেখা
দেয়।
মজুচৌধুরীরহাট
থেকে
কমলনগর
রামগতি
বয়ারচর
পর্যন্ত
প্রায়
৬২
কিলোমিটার
এলাকার
অনেক
জায়গায়
বাঁধ
না
থাকায়
ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে। জায়গা
জমি
হারিয়ে
সর্বহারা
হয়েছে
অনেকে।
কোনোভাবে
আমরা
জীবনধারণ
করে
আছি।‘
আজ শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার ইউনিয়নের আসলপাড়া গ্রামে মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ প্রকল্প পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
এ্যানি
বলেন, তারেক রহমানের
নেতৃত্বে
আমরা
দেশপ্রেমিক
সরকার
পেয়েছি।
জনগুরুত্বপূর্ণ
ও
জনগণের
দীর্ঘদিনের
দাবি
সমন্বয়
করার
জন্য
কাজ
করছি।
নদীর
তীর
রক্ষা
বাঁধের
কাজ
চলছে,
কাজের
ধরন
ও
মান
কেমন,
কিভাবে
৬২
কিলোমিটার
নদীর
পাড়ে
বাঁধ
নির্মাণে
পানিসম্পদ
মন্ত্রণালয়ের
নজর
থাকবে।
তারেক
রহমানের
নেতৃত্বে
আমরা
কাজগুলো
সম্পন্ন
করবো।
তিনি
আরও
বলেন,
বিগত
সময়ে
যারা
ছিলেন,
এরা
দেশের
অর্থ
কিভাবে
লুটপাট
ও
টাকা
পাচার
করেছে
এটা
আমরা
দেশের
মানুষে
জানে।
এসব
দুর্নীতি
তদন্তাধীন
রয়েছে।
যারা
লক্ষ
লক্ষ
কোটি
কোটি
টাকার
প্রকল্প
থেকে
আমরা
বঞ্চিত
হয়েছি,
ঠিকমতো
কাজ
হয়নি,
তাদের
বিরুদ্ধে
আইন
অনুযায়ী
ডিপার্টমেন্টাল
ব্যবস্থা
নেওয়া
হবে।
চলমান
কাজগুলো
খুব
দ্রুত
শেষ
করা
দরকার।
বর্তমান
দেশপ্রেমিক
সরকার
সম্পূর্ণ
দুর্নীতিমুক্ত
রেখে
কাজগুলো
যেন
সম্পন্ন
হয়
সেদিকে
বিশে্ষ
নজর
থাকবে। কাজগুলো ঠিকমতো হচ্ছে কি না সেদিকে সব সময় সজাগ থাকব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান এমপি ও লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : যুদ্ধ পানিসম্পদমন্ত্রী প্রকৃতির
.png)
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
পানিসম্পদমন্ত্রী
ও
বিএনপির
যুগ্ম
মহাসচিব
শহিদ
উদ্দীন
চৌধুরী
এ্যানি
বলেছেন, ‘আমরা উপকূলীয়
অঞ্চলের
লোক।
প্রকৃতির
সঙ্গে
যুদ্ধ
করে
আমরা
এখানে
বেঁচে
আছি।
যখন
বর্ষা
আসে
তখন
প্লাবন
ও
বন্যার
স্রোত
দেখা
দেয়।
মজুচৌধুরীরহাট
থেকে
কমলনগর
রামগতি
বয়ারচর
পর্যন্ত
প্রায়
৬২
কিলোমিটার
এলাকার
অনেক
জায়গায়
বাঁধ
না
থাকায়
ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে। জায়গা
জমি
হারিয়ে
সর্বহারা
হয়েছে
অনেকে।
কোনোভাবে
আমরা
জীবনধারণ
করে
আছি।‘
আজ শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার ইউনিয়নের আসলপাড়া গ্রামে মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ প্রকল্প পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
এ্যানি
বলেন, তারেক রহমানের
নেতৃত্বে
আমরা
দেশপ্রেমিক
সরকার
পেয়েছি।
জনগুরুত্বপূর্ণ
ও
জনগণের
দীর্ঘদিনের
দাবি
সমন্বয়
করার
জন্য
কাজ
করছি।
নদীর
তীর
রক্ষা
বাঁধের
কাজ
চলছে,
কাজের
ধরন
ও
মান
কেমন,
কিভাবে
৬২
কিলোমিটার
নদীর
পাড়ে
বাঁধ
নির্মাণে
পানিসম্পদ
মন্ত্রণালয়ের
নজর
থাকবে।
তারেক
রহমানের
নেতৃত্বে
আমরা
কাজগুলো
সম্পন্ন
করবো।
তিনি
আরও
বলেন,
বিগত
সময়ে
যারা
ছিলেন,
এরা
দেশের
অর্থ
কিভাবে
লুটপাট
ও
টাকা
পাচার
করেছে
এটা
আমরা
দেশের
মানুষে
জানে।
এসব
দুর্নীতি
তদন্তাধীন
রয়েছে।
যারা
লক্ষ
লক্ষ
কোটি
কোটি
টাকার
প্রকল্প
থেকে
আমরা
বঞ্চিত
হয়েছি,
ঠিকমতো
কাজ
হয়নি,
তাদের
বিরুদ্ধে
আইন
অনুযায়ী
ডিপার্টমেন্টাল
ব্যবস্থা
নেওয়া
হবে।
চলমান
কাজগুলো
খুব
দ্রুত
শেষ
করা
দরকার।
বর্তমান
দেশপ্রেমিক
সরকার
সম্পূর্ণ
দুর্নীতিমুক্ত
রেখে
কাজগুলো
যেন
সম্পন্ন
হয়
সেদিকে
বিশে্ষ
নজর
থাকবে। কাজগুলো ঠিকমতো হচ্ছে কি না সেদিকে সব সময় সজাগ থাকব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান এমপি ও লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন