নোয়াখালীর
সোনাইমুড়ী
উপজেলায়
নিখোঁজের
দুই
দিন
পর
বাড়ির
পাশের
একটি
ডোবা
থেকে
নাদিয়া
সুলতানা
(২)
নামে
এক
শিশুর
মরদেহ
উদ্ধার
করেছে
পুলিশ।
আজ
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা
সাড়ে
১১টার
দিকে
উপজেলার
দেওটি
ইউনিয়নের
পিতাম্বরপুর
গ্রাম
থেকে
মরদেহটি
উদ্ধার
করা
হয়।
নিহত নাদিয়া
৯
নম্বর
দেওটি
ইউনিয়নের
পিতাম্বরপুর
গ্রামের
মিন
হাজী
বাড়ির
সৌদি
প্রবাসী
নাহিদ
হাছানের
মেয়ে। এ
ঘটনায়
এলাকায়
শোকের
ছায়া
নেমে
এসেছে।
স্থানীয়
ও
পারিবারিক
সূত্রে
জানা
যায়,
গত
বৃহস্পতিবার
বেলা
১১টার
দিকে
বাড়ির
আঙিনা
থেকে
নিখোঁজ
হয়
নাদিয়া।
পরিবারের
সদস্য
ও
প্রতিবেশীরা
বিভিন্ন
স্থানে
খোঁজাখুঁজি
করেও
তার
কোনো
সন্ধান
পাননি।
পরে
এ
ঘটনায়
তারা
সোনাইমুড়ী
থানায়
একটি
সাধারণ
ডায়েরি
(জিডি)
করেন।
শনিবার
সকালে
বাড়ির
পাশের
একটি
ডোবায়
মরদেহ
ভাসতে
দেখে
স্থানীয়রা
সোনাইমুড়ী
থানা
পুলিশকে
খবর
দেন। পরে
পুলিশ
ঘটনাস্থলে
গিয়ে
মরদেহ
উদ্ধার
করে।
সোনাইমুড়ী থানার ওসি বলেন, ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : নিখোঁজ লাশ উদ্ধার ডোবা
.png)
রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নোয়াখালীর
সোনাইমুড়ী
উপজেলায়
নিখোঁজের
দুই
দিন
পর
বাড়ির
পাশের
একটি
ডোবা
থেকে
নাদিয়া
সুলতানা
(২)
নামে
এক
শিশুর
মরদেহ
উদ্ধার
করেছে
পুলিশ।
আজ
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা
সাড়ে
১১টার
দিকে
উপজেলার
দেওটি
ইউনিয়নের
পিতাম্বরপুর
গ্রাম
থেকে
মরদেহটি
উদ্ধার
করা
হয়।
নিহত নাদিয়া
৯
নম্বর
দেওটি
ইউনিয়নের
পিতাম্বরপুর
গ্রামের
মিন
হাজী
বাড়ির
সৌদি
প্রবাসী
নাহিদ
হাছানের
মেয়ে। এ
ঘটনায়
এলাকায়
শোকের
ছায়া
নেমে
এসেছে।
স্থানীয়
ও
পারিবারিক
সূত্রে
জানা
যায়,
গত
বৃহস্পতিবার
বেলা
১১টার
দিকে
বাড়ির
আঙিনা
থেকে
নিখোঁজ
হয়
নাদিয়া।
পরিবারের
সদস্য
ও
প্রতিবেশীরা
বিভিন্ন
স্থানে
খোঁজাখুঁজি
করেও
তার
কোনো
সন্ধান
পাননি।
পরে
এ
ঘটনায়
তারা
সোনাইমুড়ী
থানায়
একটি
সাধারণ
ডায়েরি
(জিডি)
করেন।
শনিবার
সকালে
বাড়ির
পাশের
একটি
ডোবায়
মরদেহ
ভাসতে
দেখে
স্থানীয়রা
সোনাইমুড়ী
থানা
পুলিশকে
খবর
দেন। পরে
পুলিশ
ঘটনাস্থলে
গিয়ে
মরদেহ
উদ্ধার
করে।
সোনাইমুড়ী থানার ওসি বলেন, ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন