নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের কাঁচা রাস্তা গুলো পাকা রাস্তা হওয়ায় ছোট ছোট যানবাহনসহ মানুষ জনের চলাচলে সুবিধা হয়েছে। পায়ে হাঁটা এবং পাঁকা রাস্তাদিয়ে ছুটে চলছে ছোট ছোট যানবাহন। পাড়ার শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে পাঠশালায় যাচ্ছে। এ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মেঠোপথ গুলো পিচঢালা সড়কে পরিণত হয়েছে। স্কুল/কলেজের ছেলে মেয়েরা বাইসাইকেল চালিয়ে শিক্ষালয়ে যাতায়াত করছে। বাড়ি থেকে বের হলেই পাঁকা রাস্তায় চলাচল করছে মানুষ জন ও ক্ষেতের সবজি সহ নানা কৃষি পণ্য সহজেই বাজারে নিয়ে যাচ্ছে কৃষকরা । এক কথায় গ্রামীণ জনপদ দিনদিন শহরে রূপান্তরিত হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি'র) তত্ত্বাবধানে এ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সড়ক গুলোতে পাঁকাকরণ রাস্তার কাজ চলছে।
সারেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে কাঁচা রাস্তাগুলো পাঁকাকরণ করায় বিভিন্ন এলাকার পাড়া মহল্লায় দোকানপাট গড়ে ওঠেছে এবং স্কুল মাদ্রাসার পাশ দিয়ে পাঁকা রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। স্কুল ও বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়া রাস্তা বড় সড়কে গিয়ে মিশেছে।
এ কাজের বিষয়ে বিভিন্ন এলাকার পথচারীসহ অনেকে গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, গ্রামের রাস্তা গুলো পাকা করণ হওয়ায় স্কুলের শিক্ষার্থীরাসহ বিভিন্ন পেশা শ্রেণি মানুষের যাতায়াতের অনেক সুবিধা হয়েছে। যে রাস্তা গুলো পাকা হয়েছে এখন আর সামান্য বৃষ্টিতে কাঁদায় ভরে ওঠেনা,শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে জামা,কাপড় নষ্ট হয়না। স্বস্তিতে বিদ্যালয় ও বাজারে এমনকি বিভিন্ন স্থানে যাওয়া আসার সুযোগ হওয়ায় তারা খুব খুশি।
২০২৫-২৬ অর্থ বছরে এ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে রংপুর বিভাগ গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী তারিকুজ্জামান এর তত্ত্বাবধানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঁকাকরণ রাস্তার কাজ চলোমান রয়েছে এবং কিছু কাজ সম্পন হয়েছে বলে অফিস সূত্রে জানা যায়।
এ বিষয়ে এলজিইডি'র নির্বাহী প্রকৌশলী তারিকুজ্জামানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, রংপুর বিভাগের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ১৬ কিঃ মিঃ এর অধিক পাকাকরণ রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে এবং ৫ কিঃ মিঃ অধিক বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা এলজিইডি'র একটি টিম ওয়ার্ক করি এবং আমাদের এই টিমে ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্ট আছে ও উপজেলা উপ-প্রকৌশলী রয়েছে আর আমি টপ মনিটরিং হিসেবে দায়িত্বে রয়েছি। উপজেলার যে সকল কাজ রয়েছে তা ঠিক ভাবে তদারকি করছি এবং চলোমান কাজের প্রত্যেকটি রাস্তায় ২টি করে ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্ট রয়েছে তা সর্বক্ষণিক তদারকি করেছে ও উপজেলা উপ-প্রকৌশলী নিয়মিত তদারকি করেন।
আমরা কাজগুলোর গুনগত মন অক্ষুণ্ণ রেখে বাস্তবায়ন করে আসছি। এ ছারাও আমি কাজ গুলো নিজেই তদারকি করছি, যাতে করে কাজের গুনগত মান ভালো হয়। তাছাড়াও নজরদারি রাখছি কাজের দিকে। তবে ২ বছর আগে বিভিন্ন ইউনিয়নে এ কাজ গুলো ঠিকাদাররা অসমাপ্ত করে ছেড়ে যায়। সেই কাজগুলো ঠিকাদারদের সাথে যোগাযোগ করে বর্তমানে পুনরায় সংস্কার করতেছি ও কিছু কাজ সমাপ্ত করেছি এবং আরও কিছু কাজ চলামান রয়েছে। এই কাজ গুলো দক্ষতার সাথে তদারকি করতেছি যাতে করে কাজের মান উন্নয়ন হয়। কাজ গুলো ফেব্রুয়ারী মাসের মধ্যে শেষে হবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : জলঢাকা তারিকুজ্জামান গ্রামীণ রাস্তা পাকাকরণ
.png)
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের কাঁচা রাস্তা গুলো পাকা রাস্তা হওয়ায় ছোট ছোট যানবাহনসহ মানুষ জনের চলাচলে সুবিধা হয়েছে। পায়ে হাঁটা এবং পাঁকা রাস্তাদিয়ে ছুটে চলছে ছোট ছোট যানবাহন। পাড়ার শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে পাঠশালায় যাচ্ছে। এ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মেঠোপথ গুলো পিচঢালা সড়কে পরিণত হয়েছে। স্কুল/কলেজের ছেলে মেয়েরা বাইসাইকেল চালিয়ে শিক্ষালয়ে যাতায়াত করছে। বাড়ি থেকে বের হলেই পাঁকা রাস্তায় চলাচল করছে মানুষ জন ও ক্ষেতের সবজি সহ নানা কৃষি পণ্য সহজেই বাজারে নিয়ে যাচ্ছে কৃষকরা । এক কথায় গ্রামীণ জনপদ দিনদিন শহরে রূপান্তরিত হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি'র) তত্ত্বাবধানে এ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সড়ক গুলোতে পাঁকাকরণ রাস্তার কাজ চলছে।
সারেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে কাঁচা রাস্তাগুলো পাঁকাকরণ করায় বিভিন্ন এলাকার পাড়া মহল্লায় দোকানপাট গড়ে ওঠেছে এবং স্কুল মাদ্রাসার পাশ দিয়ে পাঁকা রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। স্কুল ও বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়া রাস্তা বড় সড়কে গিয়ে মিশেছে।
এ কাজের বিষয়ে বিভিন্ন এলাকার পথচারীসহ অনেকে গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, গ্রামের রাস্তা গুলো পাকা করণ হওয়ায় স্কুলের শিক্ষার্থীরাসহ বিভিন্ন পেশা শ্রেণি মানুষের যাতায়াতের অনেক সুবিধা হয়েছে। যে রাস্তা গুলো পাকা হয়েছে এখন আর সামান্য বৃষ্টিতে কাঁদায় ভরে ওঠেনা,শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে জামা,কাপড় নষ্ট হয়না। স্বস্তিতে বিদ্যালয় ও বাজারে এমনকি বিভিন্ন স্থানে যাওয়া আসার সুযোগ হওয়ায় তারা খুব খুশি।
২০২৫-২৬ অর্থ বছরে এ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে রংপুর বিভাগ গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী তারিকুজ্জামান এর তত্ত্বাবধানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঁকাকরণ রাস্তার কাজ চলোমান রয়েছে এবং কিছু কাজ সম্পন হয়েছে বলে অফিস সূত্রে জানা যায়।
এ বিষয়ে এলজিইডি'র নির্বাহী প্রকৌশলী তারিকুজ্জামানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, রংপুর বিভাগের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ১৬ কিঃ মিঃ এর অধিক পাকাকরণ রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে এবং ৫ কিঃ মিঃ অধিক বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা এলজিইডি'র একটি টিম ওয়ার্ক করি এবং আমাদের এই টিমে ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্ট আছে ও উপজেলা উপ-প্রকৌশলী রয়েছে আর আমি টপ মনিটরিং হিসেবে দায়িত্বে রয়েছি। উপজেলার যে সকল কাজ রয়েছে তা ঠিক ভাবে তদারকি করছি এবং চলোমান কাজের প্রত্যেকটি রাস্তায় ২টি করে ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্ট রয়েছে তা সর্বক্ষণিক তদারকি করেছে ও উপজেলা উপ-প্রকৌশলী নিয়মিত তদারকি করেন।
আমরা কাজগুলোর গুনগত মন অক্ষুণ্ণ রেখে বাস্তবায়ন করে আসছি। এ ছারাও আমি কাজ গুলো নিজেই তদারকি করছি, যাতে করে কাজের গুনগত মান ভালো হয়। তাছাড়াও নজরদারি রাখছি কাজের দিকে। তবে ২ বছর আগে বিভিন্ন ইউনিয়নে এ কাজ গুলো ঠিকাদাররা অসমাপ্ত করে ছেড়ে যায়। সেই কাজগুলো ঠিকাদারদের সাথে যোগাযোগ করে বর্তমানে পুনরায় সংস্কার করতেছি ও কিছু কাজ সমাপ্ত করেছি এবং আরও কিছু কাজ চলামান রয়েছে। এই কাজ গুলো দক্ষতার সাথে তদারকি করতেছি যাতে করে কাজের মান উন্নয়ন হয়। কাজ গুলো ফেব্রুয়ারী মাসের মধ্যে শেষে হবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন