এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, চাঁদাবাজদের গদি নড়বড়ে হয়ে তাদের ঘুম হারাম হয়ে যাচ্ছে। আমরা শহীদ ওসমান হাদির স্বপ্ন ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করছি। মানুষ আমাদেরকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। এতে চাঁদাবাজদের ঘুম অলরেডি হারাম হয়ে গেছে। যেহেতু তারা বুঝে গেছে তাদের গদি নড়ে যাচ্ছে, এই কারণে তারা এখন ভয়ভীতি দেখানো শুরু করছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গুনাইঘর এলাকায় আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় এনসিপির প্রতীক শাপলা কলিতে ভোট চান হাসনাত।
তিনি আরও বলেন, দেখবেন বড় বোয়াল মাছের যখন পুকুরের সব মাছ ধরে খাওয়া শেষ হয়ে যায়, তখন তার লেজের মধ্যে কামড় দেয়। এ লেজের কামড় কিন্ত অন্য মাছ দেয় না। সে নিজেই নিজের লেজে কামড় দেয়। দেখবেন বড় বড় হোমরা-চোমড়ারা এখন তাদের নিজেদের লেজের মধ্যে কামড়াকামড়ি শুরু করে দিয়েছে।
হাসনাত বলেন, একটা আদর্শের কারণেই হাদি ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। তার জানাজায় লাখ লাখ মানুষ হয়েছে। একটু আগে বাজারের একটা আঙ্কেল আমাকে ধরে কান্না করে বলতেছে আজকে ফজরের সময় কান্না করে হাদি ভাইয়ের জন্য দোয়া করেছেন। হাদি ভাইকে কি উনি দেখছে কোনো দিন? না হাদি ভাই এই গ্রামে আসছে? না হাদি ভাইয়ের সঙ্গে কোনো দিন কথা বলছে? কিন্তু হাদি ভাইয়ের প্রতি যে আন্তরিকতা, নামাজের বিছানায় যে আপনারা উনার জন্য দোয়া করেন, আমরা যে উনার জন্য দোয়া করি, যাদের সঙ্গে উনার কোনো দিন দেখা হয় নাই, কথাও হয় নাই, কোনো দিন হয়ত কথাও হতো না কিন্তু হাদি ভাইয়ের জন্য আমরা নামাজের বিছানায় দাঁড়িয়ে অশ্রু বিসর্জন করি। এই কারণে না যে, তিনি ইনকিলাব মঞ্চের, এই কারণে না যে, তিনি হাসিনাকে ফালাইছে, এই কারণে না যে, তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে একজন সৈনিক ছিল, বরং এই কারণে যে- সততা, তিনি মেকি কোনো অভিনয় করেন নাই। সততাই ছিল তার রাজনীতির একমাত্র আদর্শ। কোনো লুটপাট করেন নাই, তিনি ব্যাংকের টাকা মেরে দিয়ে সেই টাকা দিয়ে নির্বাচন করতে আসে নাই, করতে চায় নাই । উনি নির্বাচনি ক্যাম্পেইন করতে মুড়ি বাতাসা নিয়ে যেতেন।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : সারাদেশ এনসিপি হাসনাত আবদুল্লাহ
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, চাঁদাবাজদের গদি নড়বড়ে হয়ে তাদের ঘুম হারাম হয়ে যাচ্ছে। আমরা শহীদ ওসমান হাদির স্বপ্ন ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করছি। মানুষ আমাদেরকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। এতে চাঁদাবাজদের ঘুম অলরেডি হারাম হয়ে গেছে। যেহেতু তারা বুঝে গেছে তাদের গদি নড়ে যাচ্ছে, এই কারণে তারা এখন ভয়ভীতি দেখানো শুরু করছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গুনাইঘর এলাকায় আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় এনসিপির প্রতীক শাপলা কলিতে ভোট চান হাসনাত।
তিনি আরও বলেন, দেখবেন বড় বোয়াল মাছের যখন পুকুরের সব মাছ ধরে খাওয়া শেষ হয়ে যায়, তখন তার লেজের মধ্যে কামড় দেয়। এ লেজের কামড় কিন্ত অন্য মাছ দেয় না। সে নিজেই নিজের লেজে কামড় দেয়। দেখবেন বড় বড় হোমরা-চোমড়ারা এখন তাদের নিজেদের লেজের মধ্যে কামড়াকামড়ি শুরু করে দিয়েছে।
হাসনাত বলেন, একটা আদর্শের কারণেই হাদি ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। তার জানাজায় লাখ লাখ মানুষ হয়েছে। একটু আগে বাজারের একটা আঙ্কেল আমাকে ধরে কান্না করে বলতেছে আজকে ফজরের সময় কান্না করে হাদি ভাইয়ের জন্য দোয়া করেছেন। হাদি ভাইকে কি উনি দেখছে কোনো দিন? না হাদি ভাই এই গ্রামে আসছে? না হাদি ভাইয়ের সঙ্গে কোনো দিন কথা বলছে? কিন্তু হাদি ভাইয়ের প্রতি যে আন্তরিকতা, নামাজের বিছানায় যে আপনারা উনার জন্য দোয়া করেন, আমরা যে উনার জন্য দোয়া করি, যাদের সঙ্গে উনার কোনো দিন দেখা হয় নাই, কথাও হয় নাই, কোনো দিন হয়ত কথাও হতো না কিন্তু হাদি ভাইয়ের জন্য আমরা নামাজের বিছানায় দাঁড়িয়ে অশ্রু বিসর্জন করি। এই কারণে না যে, তিনি ইনকিলাব মঞ্চের, এই কারণে না যে, তিনি হাসিনাকে ফালাইছে, এই কারণে না যে, তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে একজন সৈনিক ছিল, বরং এই কারণে যে- সততা, তিনি মেকি কোনো অভিনয় করেন নাই। সততাই ছিল তার রাজনীতির একমাত্র আদর্শ। কোনো লুটপাট করেন নাই, তিনি ব্যাংকের টাকা মেরে দিয়ে সেই টাকা দিয়ে নির্বাচন করতে আসে নাই, করতে চায় নাই । উনি নির্বাচনি ক্যাম্পেইন করতে মুড়ি বাতাসা নিয়ে যেতেন।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন