মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই,
আবুধাবি,
শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
আজ
শনিবার (৭
মার্চ)
নতুন
করে
আরও ১২টি
ফ্লাইট বাতিল
হয়েছে।
টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলের এই ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
শাহ
আমানত
আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরের
জনসংযোগ
কর্মকর্তা
প্রকৌশলী
মোহাম্মদ
ইব্রাহীম
খলিল
এক গণমাধ্যমকে
জানান,
শনিবার
সারাদিনে
১২টি
আন্তর্জাতিক
ফ্লাইট
বাতিল
হয়েছে।
এর
মধ্যে
রয়েছে:
বিমান
বাংলাদেশ
এয়ারলাইনসের
১টি
অ্যারাইভাল
ও
২টি
ডিপার্চার।
এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।
বিমানবন্দর
কর্তৃপক্ষ
জানিয়েছে,
মধ্যপ্রাচ্যের
পরিস্থিতি
তাদের
নিয়ন্ত্রণের
বাইরে।
গত
২৮
ফেব্রুয়ারি
থেকে
যুদ্ধাবস্থার
কারণে
দুবাই,
আবুধাবি
ও
দোহার
মতো
গুরুত্বপূর্ণ
এয়ারফিল্ডগুলো
বন্ধ
থাকায়
এই
অচলাবস্থার
সৃষ্টি
হয়েছে।
পরিস্থিতি
পর্যবেক্ষণ
করা
হচ্ছে
এবং
এয়ারফিল্ডগুলো
খুলে
দিলেই
পুনরায়
নিয়মিত
ফ্লাইট
চালু
করা
সম্ভব
হবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বাতিল ফ্লাইট
.png)
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই,
আবুধাবি,
শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
আজ
শনিবার (৭
মার্চ)
নতুন
করে
আরও ১২টি
ফ্লাইট বাতিল
হয়েছে।
টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলের এই ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
শাহ
আমানত
আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরের
জনসংযোগ
কর্মকর্তা
প্রকৌশলী
মোহাম্মদ
ইব্রাহীম
খলিল
এক গণমাধ্যমকে
জানান,
শনিবার
সারাদিনে
১২টি
আন্তর্জাতিক
ফ্লাইট
বাতিল
হয়েছে।
এর
মধ্যে
রয়েছে:
বিমান
বাংলাদেশ
এয়ারলাইনসের
১টি
অ্যারাইভাল
ও
২টি
ডিপার্চার।
এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।
বিমানবন্দর
কর্তৃপক্ষ
জানিয়েছে,
মধ্যপ্রাচ্যের
পরিস্থিতি
তাদের
নিয়ন্ত্রণের
বাইরে।
গত
২৮
ফেব্রুয়ারি
থেকে
যুদ্ধাবস্থার
কারণে
দুবাই,
আবুধাবি
ও
দোহার
মতো
গুরুত্বপূর্ণ
এয়ারফিল্ডগুলো
বন্ধ
থাকায়
এই
অচলাবস্থার
সৃষ্টি
হয়েছে।
পরিস্থিতি
পর্যবেক্ষণ
করা
হচ্ছে
এবং
এয়ারফিল্ডগুলো
খুলে
দিলেই
পুনরায়
নিয়মিত
ফ্লাইট
চালু
করা
সম্ভব
হবে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন