ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

গৌরনদীতে ডাকাত সন্দেহে ৪ জনকে গণপিটুনি



গৌরনদীতে ডাকাত সন্দেহে ৪ জনকে গণপিটুনি
ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চারজনকে আটক করে গণপিটুনির পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন স্থানীয়রা। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন গৌরনদী উপজেলার নলচিরা ইউনিয়নের খানাবাড়ি গ্রামের মালেক জমাদ্দারের ছেলে হৃদয় জমাদ্দার ও তার ভাই তারেক জমাদ্দার, পিরোজপুরের নেছারাবাদ এলাকার তসলিম শরীফ এবং বানারীপাড়ার সৈয়দকাঠী এলাকার অশোক মণ্ডল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চার যুবককে ঘোরাফেরা করতে দেখে বাটাজোর বন্দরের পাহারাদারদের সন্দেহ হয়। গতিরোধের চেষ্টা করলে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে অটোরিকশার চালকসহ চারজনকে আটক করে। গণপিটুনির পর তাদের থানায় সোপর্দ করা হয়। গৌরনদী মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলাম বলেন, চারজন ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করেন। তাদের কাছ থেকে চারটি দেশীয় ধারালো রামদা, একটি সিএনজি এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

থানা-পুলিশ জানায়, আটক তারেক জমাদ্দারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় পাঁচটি মামলা, তসলিম শরীফের বিরুদ্ধে দুটি এবং অশোক মণ্ডলের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে উত্তেজিত লোকজনের হাত থেকে চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : গণপিটুনি গৌরনদী ডাকাত সন্দেহ

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬


গৌরনদীতে ডাকাত সন্দেহে ৪ জনকে গণপিটুনি

প্রকাশের তারিখ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চারজনকে আটক করে গণপিটুনির পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন স্থানীয়রা। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন গৌরনদী উপজেলার নলচিরা ইউনিয়নের খানাবাড়ি গ্রামের মালেক জমাদ্দারের ছেলে হৃদয় জমাদ্দার ও তার ভাই তারেক জমাদ্দার, পিরোজপুরের নেছারাবাদ এলাকার তসলিম শরীফ এবং বানারীপাড়ার সৈয়দকাঠী এলাকার অশোক মণ্ডল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চার যুবককে ঘোরাফেরা করতে দেখে বাটাজোর বন্দরের পাহারাদারদের সন্দেহ হয়। গতিরোধের চেষ্টা করলে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে অটোরিকশার চালকসহ চারজনকে আটক করে। গণপিটুনির পর তাদের থানায় সোপর্দ করা হয়। গৌরনদী মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলাম বলেন, চারজন ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করেন। তাদের কাছ থেকে চারটি দেশীয় ধারালো রামদা, একটি সিএনজি এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

থানা-পুলিশ জানায়, আটক তারেক জমাদ্দারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় পাঁচটি মামলা, তসলিম শরীফের বিরুদ্ধে দুটি এবং অশোক মণ্ডলের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে উত্তেজিত লোকজনের হাত থেকে চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত