ঘটনায়
গুরুতর
আহত
একজনসহ
অন্যান্য
আহতদের
কুমিল্লা
ও
ফেনীর
বিভিন্ন
হাসপাতালে
ভর্তি
করা
হয়েছে।
আহতদের
মধ্যে
কয়েকজনের
অবস্থা
আশঙ্কাজনক
বলে
জানা
গেছে।
স্থানীয়রা
জানান,
গত
জুন
মাসে
গরুর
ঘাস
খাওয়াকে
কেন্দ্র
করে
আলিয়ারা
গ্রামের
আবুল
খায়ের
গ্রুপ
ও
শেখ
ফরিদ
গ্রুপের
মধ্যে
একাধিকবার
সংঘর্ষ
হয়।
ওই
সময়
গুলিবিদ্ধ
হন
রোকন
আলীর
স্ত্রী
শরিফা
বেগম
(৬০)
এবং
বশির
আহম্মেদের
স্ত্রী
হোসনেয়ারা
বেগম
(৫৫)।
ওই
ঘটনায়
আবুল
খায়ের
বাদী
হয়ে
নাঙ্গলকোট
থানায়
মামলা
দায়ের
করলে
পুলিশ
কয়েকজনকে
গ্রেপ্তার
করে
আদালতের
মাধ্যমে
কারাগারে
পাঠায়।
স্থানীয়
সূত্র
জানায়,
কারাগার
থেকে
বেরিয়ে
আসার
পর
আবারও
এলাকায়
আধিপত্য
বিস্তারকে
কেন্দ্র
করে
আজকের
এই
ভয়াবহ
সংঘর্ষের
সূত্রপাত
হয়।
ঘটনার
পর
থেকে
আলিয়ারা
গ্রামসহ
আশপাশের
এলাকায়
চরম
উত্তেজনা
বিরাজ
করছে।
পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে
রাখতে
এলাকায়
অতিরিক্ত
পুলিশ
মোতায়েন
করা
হয়েছে।
স্থানীয়দের
অভিযোগ,
গত
এক
বছরে
এলাকায়
একাধিক
সহিংস
ঘটনা
ঘটলেও
পুলিশ
কোনো
অস্ত্র
উদ্ধার
করতে
পারেনি,
যা
অপরাধ
দমনে
বড়
প্রতিবন্ধকতা
হয়ে
দাঁড়িয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন