যশোর কারাগারে বন্দি থাকা
বাগেরহাট সদর ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম শনিবার সন্ধ্যায় স্ত্রী ও সন্তানকে
চিরদিনের মতো বিদায় জানিয়েছেন। স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালীকে ছুঁয়ে দেখেন। আর জীবনে
প্রথম ও শেষবারের মতো ৯ মাস বয়সী সন্তান নাজিম হোসেনকে কোলে নেন। কারাবন্দি থাকার সময়
জন্ম হয়েছিল তার সন্তানের। সেই থেকে তিনি কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট
সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সাদ্দাম বর্তমানে বিভিন্ন মামলায় যশোর
কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রয়েছেন।
স্বর্ণালীর ভাই শুভ জানান,
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হন জুয়েল হাসান সাদ্দাম।
দীর্ঘদিন ধরে স্বামী কারাবন্দি থাকায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে স্বর্ণালী প্রথমে তার শিশু সন্তানকে
হত্যা করে নিজে আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার হৃদয়বিদারক এই ঘটনার পর শনিবার সন্ধ্যায়
মা ও শিশুর মরদেহ যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। সেখানে কারাবন্দি স্বামী সাদ্দামকে
স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়।
কারাগার সূত্র জানায়, মরদেহ দুটি ভেতরে
নেওয়া হলে সাদ্দাম স্ত্রীকে ছুঁয়ে দেখেন এবং জীবনে প্রথমবার নিজের সন্তানকে কোলে
নেন। তবে তখন শিশুটি মৃত ছিল। পুরো সময়জুড়ে পরিবেশ ছিল অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ যশোর
.png)
রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
যশোর কারাগারে বন্দি থাকা
বাগেরহাট সদর ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম শনিবার সন্ধ্যায় স্ত্রী ও সন্তানকে
চিরদিনের মতো বিদায় জানিয়েছেন। স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালীকে ছুঁয়ে দেখেন। আর জীবনে
প্রথম ও শেষবারের মতো ৯ মাস বয়সী সন্তান নাজিম হোসেনকে কোলে নেন। কারাবন্দি থাকার সময়
জন্ম হয়েছিল তার সন্তানের। সেই থেকে তিনি কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট
সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সাদ্দাম বর্তমানে বিভিন্ন মামলায় যশোর
কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রয়েছেন।
স্বর্ণালীর ভাই শুভ জানান,
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হন জুয়েল হাসান সাদ্দাম।
দীর্ঘদিন ধরে স্বামী কারাবন্দি থাকায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে স্বর্ণালী প্রথমে তার শিশু সন্তানকে
হত্যা করে নিজে আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার হৃদয়বিদারক এই ঘটনার পর শনিবার সন্ধ্যায়
মা ও শিশুর মরদেহ যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। সেখানে কারাবন্দি স্বামী সাদ্দামকে
স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়।
কারাগার সূত্র জানায়, মরদেহ দুটি ভেতরে
নেওয়া হলে সাদ্দাম স্ত্রীকে ছুঁয়ে দেখেন এবং জীবনে প্রথমবার নিজের সন্তানকে কোলে
নেন। তবে তখন শিশুটি মৃত ছিল। পুরো সময়জুড়ে পরিবেশ ছিল অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন