জাতীয়
পার্টির
চেয়ারম্যান
জিএম
কাদের
বলেছেন,
‘আমরা
এক
কঠিন
পরিস্থিতির
মধ্যে
নির্বাচন
করছি।
আমরা
ভোটের
মাঠে
আছি
এবং
ভোট
করার
চেষ্টা
করব।
আমাদের
ওপর
যেন
কোনো
ধরনের
বৈষম্য
সৃষ্টি
না
করা
হয়।
আমাদের
নিরাপত্তা
নিশ্চিত
করতে
হবে
এবং
আমাদের
নেতা-কর্মীদের
কাজ
করতে
দিতে
হবে।’
আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুর সেন্ট্রাল রোডে দলীয় কার্যালয় থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের এখনও হুমকি দেওয়া হচ্ছে, মামলা দেওয়া হচ্ছে এবং জামিন পাওয়ার পর আবারও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি দাবি জানিয়েছি, পুরনো মামলায় জামিন হওয়ার পর যেন আর কাউকে কারাগারে নেওয়া না হয় এবং নতুন করে কোনো মামলা দেওয়া না হয়। আমাদের নির্বাচনটা করতে দিন।’
বর্তমান সরকার, জামায়াত ও এনসিপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘জামায়াত, এনসিপি ও সরকার এই তিনে মিলে এখন সরকার গঠিত হয়েছে। তারাই দেশ চালাচ্ছে এবং তাদের অধীনেই নির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচনী ব্যবস্থায় কোনো ধরনের নিরপেক্ষতা নেই। সরকার এবং সরকারি দল মিলে যখন নির্বাচন করে, সেখানে আমরা নিরপেক্ষতা আশা করতে পারি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনে না আসতে আমাদের বাধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে আমাদের ওপর অত্যাচার করা হয়েছে।’
‘হ্যাঁ ভোট’ প্রসঙ্গে জিএম কাদের বলেন, ‘সরকার যেভাবে এখানে প্রভাব বিস্তার করছে, জোর করে দখল করার চেষ্টা করছে, মানুষকে হুমকি দিচ্ছে এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যবহার করছে এই ভোটের ফলাফল আমরা মেনে নিতে পারব না। আমি বিশ্বাস করি, কারচুপির মাধ্যমে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়ী দেখিয়ে একটি প্যারালাল সরকার চালু করা হবে। তারা ইচ্ছামতো দেশ পরিচালনা করবে এবং সংসদকে বাধ্য করবে তাদের কথা মানতে। এই ‘হ্যাঁ-না’ ভোট সাধারণ জনগণ চায় না।’
নিজ প্রতীকে ভোট চেয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে। আমরা যতবার এখানে নির্বাচিত হয়েছি, এখানকার মানুষ শান্তিতে বসবাস করেছে। যদি শান্তি ও স্বস্তি চান, তাহলে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিন।’
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : ভোট নিরাপত্তা জিএম কাদের
.png)
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
জাতীয়
পার্টির
চেয়ারম্যান
জিএম
কাদের
বলেছেন,
‘আমরা
এক
কঠিন
পরিস্থিতির
মধ্যে
নির্বাচন
করছি।
আমরা
ভোটের
মাঠে
আছি
এবং
ভোট
করার
চেষ্টা
করব।
আমাদের
ওপর
যেন
কোনো
ধরনের
বৈষম্য
সৃষ্টি
না
করা
হয়।
আমাদের
নিরাপত্তা
নিশ্চিত
করতে
হবে
এবং
আমাদের
নেতা-কর্মীদের
কাজ
করতে
দিতে
হবে।’
আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুর সেন্ট্রাল রোডে দলীয় কার্যালয় থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের এখনও হুমকি দেওয়া হচ্ছে, মামলা দেওয়া হচ্ছে এবং জামিন পাওয়ার পর আবারও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি দাবি জানিয়েছি, পুরনো মামলায় জামিন হওয়ার পর যেন আর কাউকে কারাগারে নেওয়া না হয় এবং নতুন করে কোনো মামলা দেওয়া না হয়। আমাদের নির্বাচনটা করতে দিন।’
বর্তমান সরকার, জামায়াত ও এনসিপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘জামায়াত, এনসিপি ও সরকার এই তিনে মিলে এখন সরকার গঠিত হয়েছে। তারাই দেশ চালাচ্ছে এবং তাদের অধীনেই নির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচনী ব্যবস্থায় কোনো ধরনের নিরপেক্ষতা নেই। সরকার এবং সরকারি দল মিলে যখন নির্বাচন করে, সেখানে আমরা নিরপেক্ষতা আশা করতে পারি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনে না আসতে আমাদের বাধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে আমাদের ওপর অত্যাচার করা হয়েছে।’
‘হ্যাঁ ভোট’ প্রসঙ্গে জিএম কাদের বলেন, ‘সরকার যেভাবে এখানে প্রভাব বিস্তার করছে, জোর করে দখল করার চেষ্টা করছে, মানুষকে হুমকি দিচ্ছে এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যবহার করছে এই ভোটের ফলাফল আমরা মেনে নিতে পারব না। আমি বিশ্বাস করি, কারচুপির মাধ্যমে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়ী দেখিয়ে একটি প্যারালাল সরকার চালু করা হবে। তারা ইচ্ছামতো দেশ পরিচালনা করবে এবং সংসদকে বাধ্য করবে তাদের কথা মানতে। এই ‘হ্যাঁ-না’ ভোট সাধারণ জনগণ চায় না।’
নিজ প্রতীকে ভোট চেয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে। আমরা যতবার এখানে নির্বাচিত হয়েছি, এখানকার মানুষ শান্তিতে বসবাস করেছে। যদি শান্তি ও স্বস্তি চান, তাহলে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিন।’
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন