রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে ইরি–বোরো ধান রোপণের কাজ। শীতের কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে ভোর থেকেই মাঠে নেমে পড়ছেন কৃষকেরা। জমিতে সারিবদ্ধভাবে সবুজ ধানের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া মোটামুটি অনুকূলে থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ইরি ধানের চারা রোপণ শুরু করা সম্ভব হয়েছে। অনেক কৃষক ইতোমধ্যে রোপণের কাজ সম্পন্ন করেছেন, আবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখনো পুরোদমে চলছে চারা লাগানোর কার্যক্রম।
তবে কৃষকদের অভিযোগ, সারের দাম ও সেচ ব্যয় তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তারপরও ভালো ফলনের আশায় তারা ইরি ধান চাষে মনোযোগী হয়েছেন। পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ ও অনুকূল আবহাওয়া বজায় থাকলে চলতি মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করছেন তারা।
কৃষকেরা জানান, সময়মতো চারা রোপণ শেষ করা গেলে এবং বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি মৌসুমে ইরি ধানের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের প্রত্যাশা, অনুকূল পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে ইরি ধান চাষ তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিষয় : রংপুর পীরগঞ্জ ইরি ধান রোপণ
.png)
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে ইরি–বোরো ধান রোপণের কাজ। শীতের কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে ভোর থেকেই মাঠে নেমে পড়ছেন কৃষকেরা। জমিতে সারিবদ্ধভাবে সবুজ ধানের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া মোটামুটি অনুকূলে থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ইরি ধানের চারা রোপণ শুরু করা সম্ভব হয়েছে। অনেক কৃষক ইতোমধ্যে রোপণের কাজ সম্পন্ন করেছেন, আবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখনো পুরোদমে চলছে চারা লাগানোর কার্যক্রম।
তবে কৃষকদের অভিযোগ, সারের দাম ও সেচ ব্যয় তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তারপরও ভালো ফলনের আশায় তারা ইরি ধান চাষে মনোযোগী হয়েছেন। পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ ও অনুকূল আবহাওয়া বজায় থাকলে চলতি মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করছেন তারা।
কৃষকেরা জানান, সময়মতো চারা রোপণ শেষ করা গেলে এবং বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি মৌসুমে ইরি ধানের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের প্রত্যাশা, অনুকূল পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে ইরি ধান চাষ তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন