বসন্তের
আগমনী বার্তায় সেজে উঠেছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলা। গ্রামবাংলার প্রকৃতি যেন চারদিকে নতুন
রূপে সেজেছে। মাঠে-ঘাটে আর সবুজে ঘেরা বিস্তীর্ণ আমবাগানে এখন হলুদাভ মুকুলের সমারোহ।
দিগন্তজোড়া সবুজের মাঝে আমগাছের ডালে ডালে ফুটে থাকা মুকুল সৃষ্টি করেছে এক মনোমুগ্ধকর
দৃশ্য।
বাঘা
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি আমগাছেই এসেছে মুকুল। সকালের
নরম রোদ আর বিকেলের মৃদু বাতাসে দুলছে আমের মুকুল, ছড়িয়ে দিচ্ছে মিষ্টি সুবাস। প্রকৃতি
যেন ফিরে পেয়েছে নতুন প্রাণ, আর সেই প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর হয়ে উঠেছে গ্রামাঞ্চল।
(২৫
ফেব্রুয়ারি) বুধবার দুপুর ১২টার সময় সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে কথা হয় স্থানীয় কৃষকদের
সঙ্গে। তারা জানান, প্রতিবছরের তুলনায় এবার গাছে মুকুলের পরিমাণ বেশি। আবহাওয়া অনুকূলে
থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও প্রতিবছর আমের বাজারদর কিছুটা
কম থাকে, তবুও কৃষকরা আশাবাদী—এবার
তারা আমের ন্যায্য মূল্য পাবেন।
এদিকে
ভালো ফলনের আশায় আমের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। কীটনাশকের দাম বেশি হলেও
থেমে নেই তাদের চেষ্টা। নিয়মিত গাছ পরিচর্যা, স্প্রে ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে মুকুল
রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন তারা।
আমের
রাজধানী হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলে বসন্ত মানেই নতুন স্বপ্নের শুরু। মুকুলে ভরা আমগাছ
যেন কৃষকদের মনে জাগিয়ে তুলেছে সমৃদ্ধির প্রত্যাশা। এখন শুধু অপেক্ষা—ঝরে না পড়ে মুকুলগুলো পরিণত হোক রসাল, সুস্বাদু আমে।এ বছর
আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন আম চাষিরা।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বসন্তের
আগমনী বার্তায় সেজে উঠেছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলা। গ্রামবাংলার প্রকৃতি যেন চারদিকে নতুন
রূপে সেজেছে। মাঠে-ঘাটে আর সবুজে ঘেরা বিস্তীর্ণ আমবাগানে এখন হলুদাভ মুকুলের সমারোহ।
দিগন্তজোড়া সবুজের মাঝে আমগাছের ডালে ডালে ফুটে থাকা মুকুল সৃষ্টি করেছে এক মনোমুগ্ধকর
দৃশ্য।
বাঘা
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি আমগাছেই এসেছে মুকুল। সকালের
নরম রোদ আর বিকেলের মৃদু বাতাসে দুলছে আমের মুকুল, ছড়িয়ে দিচ্ছে মিষ্টি সুবাস। প্রকৃতি
যেন ফিরে পেয়েছে নতুন প্রাণ, আর সেই প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর হয়ে উঠেছে গ্রামাঞ্চল।
(২৫
ফেব্রুয়ারি) বুধবার দুপুর ১২টার সময় সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে কথা হয় স্থানীয় কৃষকদের
সঙ্গে। তারা জানান, প্রতিবছরের তুলনায় এবার গাছে মুকুলের পরিমাণ বেশি। আবহাওয়া অনুকূলে
থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও প্রতিবছর আমের বাজারদর কিছুটা
কম থাকে, তবুও কৃষকরা আশাবাদী—এবার
তারা আমের ন্যায্য মূল্য পাবেন।
এদিকে
ভালো ফলনের আশায় আমের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। কীটনাশকের দাম বেশি হলেও
থেমে নেই তাদের চেষ্টা। নিয়মিত গাছ পরিচর্যা, স্প্রে ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে মুকুল
রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন তারা।
আমের
রাজধানী হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলে বসন্ত মানেই নতুন স্বপ্নের শুরু। মুকুলে ভরা আমগাছ
যেন কৃষকদের মনে জাগিয়ে তুলেছে সমৃদ্ধির প্রত্যাশা। এখন শুধু অপেক্ষা—ঝরে না পড়ে মুকুলগুলো পরিণত হোক রসাল, সুস্বাদু আমে।এ বছর
আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন আম চাষিরা।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন