আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটের মনোনীত প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি দেশের গণতন্ত্র ও অস্তিত্বের জন্য অত্যন্ত জরুরি। আমরা নিজেরা ভোট জালিয়াতি করব না, কাউকে করতেও দেব না। ভোট আপনার অধিকার, সেই অধিকার প্রয়োগ করুন।
ভোট প্রদান শেষে ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রেই অবস্থান করবেন’।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নির্বাচনী গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন
জোনায়েদ সাকি।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘মনে রাখবেন ১৯৭১ সালে লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। ২৪শে আমাদের তরুণরা বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছে।সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের কাজ করতে হবে। আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব কেউ কেড়ে নিতে পারবে না ইনশাআল্লাহ’।
তিনি বলেন, ‘আমাদের অসংখ্য প্রবাসী সন্তান রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে। সারা দেশে প্রবাসী রেমিট্যান্সে ৫০০ উপজেলার মধ্যে বাঞ্ছারামপুর প্রথম স্থান। আমাদের টাকায় অর্থনীতি সমৃদ্ধ হচ্ছে অথচ আমাদের রাস্তা ঘাটের বেহাল অবস্থা। আমি বিশ্বাস করি মেঘনার ওপর সেতু নির্মিত হলে বাঞ্ছারামপুর শিল্প ও বাণিজ্যের এক বিশাল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। আমাদের সন্তানদের প্রযুক্তিগত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে, বিশ্বমানের জ্ঞান ও দক্ষতায় গড়ে তুলতে হবে। যেন আমাদের তরুণরা ঘরে বসেই বিশ্ববাজারে কাজ করার সুযোগ পায়’।
তিনি আরেও বলেন, ‘ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ হবে কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের। তারা তাদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে বসবাস করবে। আমাদের নদী-নালা, খাল-বিল ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে হবে। অসহায়, স্বাবলম্বী নন এমন প্রবীণ ও নাগরিকদের ঘরে ঘরে সেবা পৌঁছে দিতে হবে। নারীদের নিরাপত্তা ও শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে’।
গণসংহতি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের সন্তানেরা যেন মাদক ও সন্ত্রাসে জড়িয়ে না পরে। একদিকে উন্নয়ন, অন্যদিকে নৈতিক সমাজ এই দুই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আগামী ১২ তারিখে যদি মাথাল প্রতীক বিজয়ী হয় এবং আমাদের জোট সরকার গঠন করে তাহলে বাঞ্ছারামপুরের ন্যায্য দাবিগুলো জোরালোভাবে আদায় করা সম্ভব হবে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে’।
সাকীর নির্বাচনী গণসংযোগে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক ভিপি এ কে এম মূসা, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক সালে মূসা, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক লিয়াকত আলী ফরিদ, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মর্তুজা বশীর আপেল প্রমুখ।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : জোনায়েদ সাকি নির্বাচন
.png)
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটের মনোনীত প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি দেশের গণতন্ত্র ও অস্তিত্বের জন্য অত্যন্ত জরুরি। আমরা নিজেরা ভোট জালিয়াতি করব না, কাউকে করতেও দেব না। ভোট আপনার অধিকার, সেই অধিকার প্রয়োগ করুন।
ভোট প্রদান শেষে ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রেই অবস্থান করবেন’।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নির্বাচনী গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন
জোনায়েদ সাকি।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘মনে রাখবেন ১৯৭১ সালে লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। ২৪শে আমাদের তরুণরা বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছে।সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের কাজ করতে হবে। আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব কেউ কেড়ে নিতে পারবে না ইনশাআল্লাহ’।
তিনি বলেন, ‘আমাদের অসংখ্য প্রবাসী সন্তান রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে। সারা দেশে প্রবাসী রেমিট্যান্সে ৫০০ উপজেলার মধ্যে বাঞ্ছারামপুর প্রথম স্থান। আমাদের টাকায় অর্থনীতি সমৃদ্ধ হচ্ছে অথচ আমাদের রাস্তা ঘাটের বেহাল অবস্থা। আমি বিশ্বাস করি মেঘনার ওপর সেতু নির্মিত হলে বাঞ্ছারামপুর শিল্প ও বাণিজ্যের এক বিশাল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। আমাদের সন্তানদের প্রযুক্তিগত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে, বিশ্বমানের জ্ঞান ও দক্ষতায় গড়ে তুলতে হবে। যেন আমাদের তরুণরা ঘরে বসেই বিশ্ববাজারে কাজ করার সুযোগ পায়’।
তিনি আরেও বলেন, ‘ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ হবে কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের। তারা তাদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে বসবাস করবে। আমাদের নদী-নালা, খাল-বিল ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে হবে। অসহায়, স্বাবলম্বী নন এমন প্রবীণ ও নাগরিকদের ঘরে ঘরে সেবা পৌঁছে দিতে হবে। নারীদের নিরাপত্তা ও শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে’।
গণসংহতি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের সন্তানেরা যেন মাদক ও সন্ত্রাসে জড়িয়ে না পরে। একদিকে উন্নয়ন, অন্যদিকে নৈতিক সমাজ এই দুই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আগামী ১২ তারিখে যদি মাথাল প্রতীক বিজয়ী হয় এবং আমাদের জোট সরকার গঠন করে তাহলে বাঞ্ছারামপুরের ন্যায্য দাবিগুলো জোরালোভাবে আদায় করা সম্ভব হবে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে’।
সাকীর নির্বাচনী গণসংযোগে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক ভিপি এ কে এম মূসা, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক সালে মূসা, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক লিয়াকত আলী ফরিদ, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মর্তুজা বশীর আপেল প্রমুখ।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন