ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

আনিসুল ইসলাম মাহমুদের আপিলেও ফিরল না প্রার্থিতা



আনিসুল ইসলাম মাহমুদের আপিলেও ফিরল না প্রার্থিতা
ছবি: সংগৃহীত

দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন থেকে পাঠানো মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষর মিল না থাকায় চট্টগ্রাম- আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছিল। বিষয়টি আপিল শুনানিতেও বহাল রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে আনিসুল ইসলাম মাহমুদের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার আবেদন নামঞ্জুর হয়। এর আগে গত শনিবার ( জানুয়ারি) সকালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের সময় আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার . মো. জিয়াউদ্দীন।

মনোনয়নপত্র বাতিলের পর ক্ষোভ জানিয়ে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

মনোনয়নপত্র বাতিলের পর আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বিএনপির নেতাকর্মীদের জড়িয়ে মন্তব্য করেন। সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানান চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি এবং হাটহাজারী উপজেলা পৌরসভা বিএনপির নেতারা। আনিস অভিযোগ করেন, চট্টগ্রামে মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের সময় তাঁর প্রস্তাবক সমর্থককে অপহরণ করা হয়।

জাতীয় পার্টির ভাঙনে তাঁর নেতৃত্বে একটি অংশ আলাদা হয়ে যায়। সম্প্রতি জাতীয় পার্টির আরেক অংশ আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি-জেপিসহ কয়েকটি দলকে নিয়ে তাঁরা জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট গঠন করেন। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে জাতীয় পার্টি-জেপির প্রার্থী হিসেবে দেখানো হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেন চট্টগ্রাম- আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুল হক চৌধুরী চট্টগ্রাম- আসনে খেলাফত মজলিসের আশরাফ বিন ইয়াকুবকে।

এদিকে গত ৩০ ডিসেম্বর এবং সর্বশেষ ১৪ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জুলাইযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে দেওয়া এক স্মারকলিপিতে আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে জুলাই গণহত্যায় জড়িত একাধিক হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি স্বৈরাচারের দোসর উল্লেখ করে তার মনোনয়ন বতিল এবং গ্রেপ্তারের দাবি করা হয়।

 

এনএন/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : আপিল প্রার্থিতা বাতিল আনিসুল ইসলাম মাহমুদ

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬


আনিসুল ইসলাম মাহমুদের আপিলেও ফিরল না প্রার্থিতা

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন থেকে পাঠানো মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষর মিল না থাকায় চট্টগ্রাম- আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছিল। বিষয়টি আপিল শুনানিতেও বহাল রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে আনিসুল ইসলাম মাহমুদের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার আবেদন নামঞ্জুর হয়। এর আগে গত শনিবার ( জানুয়ারি) সকালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের সময় আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার . মো. জিয়াউদ্দীন।

মনোনয়নপত্র বাতিলের পর ক্ষোভ জানিয়ে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

মনোনয়নপত্র বাতিলের পর আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বিএনপির নেতাকর্মীদের জড়িয়ে মন্তব্য করেন। সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানান চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি এবং হাটহাজারী উপজেলা পৌরসভা বিএনপির নেতারা। আনিস অভিযোগ করেন, চট্টগ্রামে মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের সময় তাঁর প্রস্তাবক সমর্থককে অপহরণ করা হয়।

জাতীয় পার্টির ভাঙনে তাঁর নেতৃত্বে একটি অংশ আলাদা হয়ে যায়। সম্প্রতি জাতীয় পার্টির আরেক অংশ আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি-জেপিসহ কয়েকটি দলকে নিয়ে তাঁরা জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট গঠন করেন। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে জাতীয় পার্টি-জেপির প্রার্থী হিসেবে দেখানো হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেন চট্টগ্রাম- আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুল হক চৌধুরী চট্টগ্রাম- আসনে খেলাফত মজলিসের আশরাফ বিন ইয়াকুবকে।

এদিকে গত ৩০ ডিসেম্বর এবং সর্বশেষ ১৪ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জুলাইযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে দেওয়া এক স্মারকলিপিতে আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে জুলাই গণহত্যায় জড়িত একাধিক হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি স্বৈরাচারের দোসর উল্লেখ করে তার মনোনয়ন বতিল এবং গ্রেপ্তারের দাবি করা হয়।

 

এনএন/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত