নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো.আবু বাহারকে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসাদ্দেক হোসেন স্বক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। একই পত্রে বেগমগঞ্জ সহকারী কমিশনার
(ভূমি)
মোহাম্মদ সাহাদাত হোসেনকে আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে,
অ্যাডভোকেট আব্দুর রহীম চুন্নুর আনীত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে একলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো.আবু বাহারে বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরবর্তীতে বিধান অনুসারে জনস্বার্থে তাকে অপসারণ করে বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার
(ভূমি)
মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনকে একলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।
অ্যাডভোকেট
আব্দুর
রহীম
চুন্নু
বলেন,
‘প্রায়
১৬
মাস
দায়িত্ব
পালনকালে
প্যানেল
চেয়ারম্যান
বাহার
বিভিন্ন
অনিয়মে
জড়িত
ছিলেন।
বেশ
কিছু
প্রকল্পের
দৃশ্যমান
কোনো
কাজ
না
করে
টাকা
উত্তোলন
করে।
বিএনপির
কেন্দ্রীয়
কমিটির
ভাইস
চেয়ারম্যান
বরকত
উল্লাহ
বুলুর
নাম
ভাঙ্গিয়ে
১০টি
প্রকল্প
পাস
করিয়ে
নেওয়ার
চেষ্টা
করেস।
এক
পার্সেন্ট
বরাদ্দের
২৮
লক্ষ
টাকার
কাজ
না
টাকা
আত্মসাৎ
করেন।
পরে
উপজেলা
প্রশাসন
তদন্ত
করে
লিখিত
অভিযোগের
সত্যতা
পেয়ে
তাকে
অপসারণ
করে।‘
যোগাযোগ
করা
হলে
একলাশপুর
ইউনিয়ন
পরিষদের
সাবেক
ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান
মো.আবু বাহার অভিযোগ
নাকচ
করে
দিয়ে
বলেন,
‘প্রথম
থেকে
আমাকে
সরিয়ে
দেওয়ার
চেষ্টা
করে
একটি
পক্ষ।
তারা
আমাকে
পদত্যাগ
করতেও
বলেছিলেন।‘
বেগমগঞ্জ
সহকারী
কমিশনার
(ভূমি)
মোহাম্মদ
সাহাদাত
হোসেন
বলেন,
‘চেয়ারম্যানের
বিরুদ্ধে
অনিয়মের
অভিযোগের
সত্যতা
পেয়ে
তাকে
অপসারণ
করে
আমাকে
প্রশাসক
নিয়োগ
করা
হয়েছে।
ইউনিয়ন
পরিষদ
সচল
রাখা
এবং
জনসেবা
নিশ্চিত
করতেই
এ
পদক্ষেপ
নেওয়া
হয়েছে।‘
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
আপনার মতামত লিখুন