অভিযুক্ত শিক্ষার্থী (১৪) ওই ইউনিয়নের
সাতখামাইর গ্রামের বাসিন্দা ও ওই মাদরাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আহত
শিক্ষার্থীরা হলো—মো. লিয়ন, মো. মহিউদ্দিন, মো. নাজিম, মো. রিফাত, রিফাত আহমেদ ও
নিলয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল
বুধবার মাদরাসায় পরীক্ষা চলাকালীন ওই শিক্ষার্থী (অভিযুক্ত) বেঞ্চে বসে অপর এক
সহপাঠীর সঙ্গে কথা বলছিল। এতে বিরক্ত হয়ে দুই সহপাঠী তাকে বেঞ্চ থেকে সরে যেতে
বলে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয় এবং বিষয়টি হাতাহাতি পর্যায়ে গড়ালে শিক্ষকদের
মধ্যস্থতায় তাৎক্ষণিক তা মিটে যায়।
দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী কাউসার আহমেদ
বলে, ‘আজ পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ছুরি হাতে মাদরাসার ছাদে
সহপাঠীদের ডেকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে সেখান থেকে তাকে নামিয়ে
দেন শিক্ষকরা। পরে পরীক্ষা শেষে দুপুর ১টার দিকে কক্ষ থেকে বের হওয়ার পর হামলা
চালায় ওই শিক্ষার্থী। একে একে ছয় শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত করে পূর্ব থেকে দাঁড়িয়ে
থাকা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় উঠে পালিয়ে যায় সে।
’
মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো.
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে দুজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্স ও তিনজনকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি
করা হয়েছে। অপর একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তাৎক্ষণিকভাবে
ঘটনাটি পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের
দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. নাসরিন জামান বলেন, ‘পাঁচজন শিক্ষার্থীকে আহত অবস্থায়
হাসপাতালে আনা হয়েছিল।
এমএইছ
/ ধ্রুবকন্ঠ
.png)
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫
অভিযুক্ত শিক্ষার্থী (১৪) ওই ইউনিয়নের
সাতখামাইর গ্রামের বাসিন্দা ও ওই মাদরাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আহত
শিক্ষার্থীরা হলো—মো. লিয়ন, মো. মহিউদ্দিন, মো. নাজিম, মো. রিফাত, রিফাত আহমেদ ও
নিলয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল
বুধবার মাদরাসায় পরীক্ষা চলাকালীন ওই শিক্ষার্থী (অভিযুক্ত) বেঞ্চে বসে অপর এক
সহপাঠীর সঙ্গে কথা বলছিল। এতে বিরক্ত হয়ে দুই সহপাঠী তাকে বেঞ্চ থেকে সরে যেতে
বলে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয় এবং বিষয়টি হাতাহাতি পর্যায়ে গড়ালে শিক্ষকদের
মধ্যস্থতায় তাৎক্ষণিক তা মিটে যায়।
দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী কাউসার আহমেদ
বলে, ‘আজ পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ছুরি হাতে মাদরাসার ছাদে
সহপাঠীদের ডেকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে সেখান থেকে তাকে নামিয়ে
দেন শিক্ষকরা। পরে পরীক্ষা শেষে দুপুর ১টার দিকে কক্ষ থেকে বের হওয়ার পর হামলা
চালায় ওই শিক্ষার্থী। একে একে ছয় শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত করে পূর্ব থেকে দাঁড়িয়ে
থাকা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় উঠে পালিয়ে যায় সে।
’
মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো.
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে দুজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্স ও তিনজনকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি
করা হয়েছে। অপর একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তাৎক্ষণিকভাবে
ঘটনাটি পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের
দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. নাসরিন জামান বলেন, ‘পাঁচজন শিক্ষার্থীকে আহত অবস্থায়
হাসপাতালে আনা হয়েছিল।
এমএইছ
/ ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন