ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

কেন? এই মিছে মায়া


নাইম তালুকদার
নাইম তালুকদার
প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

কেন? এই মিছে মায়া
ছবি: কেন? এই মিছে মায়া

ভালোবাসা এ যেন বর্তমান সমাজে একটা প্রচলিত শব্দ।কিন্তু এ-র মাঝেও কিছু মানুষ আছে যারা আসলেই ভালোবাসতে  জানে। যদিও পারিবারিক কারণ ,সামাজিক কারন ইত্যাদির জন্য  সম্পর্কটা বেশি দূর যেতে পারেনা।

এমনেই একটা ছোট্ট, মিষ্টি বাস্তব কাহিনী তুলে ধরলাম...।

একটা ছেলে হঠাৎ দেখেই একটা মেয়েকে পছন্দ করে ফেলে।সে তার বান্ধবীর সাহায্যে মেয়েটাকে প্রপোজ করে এবং মেয়েটাও রাজি হয়ে যায়।।এভাবে প্রায় দুই বছর তাদের রিলেশন continue থাকে।হঠাৎ মেয়ের বাসায় জানা জানি হলে, মেয়েটার উপর প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি হতে থাকে।ছেলেটা বুঝতে পারে যে,মেয়েটার পরিবার তাকে কখনো মেনে নিবেনা।ছেলেটা মেয়েটাকে বুঝানোর চেষ্টা করে,,

ছেলে: কেমন আছো তুমি?

মেয়ে: আলহামদুলিল্লাহ, তুমি কেমন আছো?

ছেলে: আলহামদুলিল্লাহ। তুমিকি এটা অনুভব করতে পেরেছো যে,তোমার ফ্যামিলি থেকে আমায় কোন দিন মেনে নিবেনা!

মেয়ে: হ্যা, আমারো তাই মনে হয়।কিন্তু আমি যে তোমায় খুবেই ভালোবাসি।তোমায় ছাড়া কিছুই চিন্তা করতে পারিনা।

ছেলে: তোমার মত আমিও তোমায় ছাড়া অন্য কিছু চিন্তা করতে পারিনা।কিন্তু আমি চাইনা তুমি আমার কারনে তোমার বাড়ির মানুষদের কাছে খারাপ হও।আমি চাই তুমি সারাজীবন সুখে থাকো।

মেয়ে: আমি তোমায় ছাড়া কোন ভাবেই সুখে থাকতে পারবোনা।

ছেলে: এটা আবেগ!আমি যদি তোমায় পালিয়ে বিয়ে করি,সারাজীবন তোমার পরিবারের কাছে অভিশাপ হয়ে থাকবো,আমিও তুমিও।সেটা আমি চাইনা।আমি সুধু তোমায় সুখি দেখতে চাই।

মেয়ে: তার মানে তুমি কি বলতে চাও??

ছেলে: আসলে (কিছুক্ষণ কেদে) আমি চাই আজ থেকে দুজনের পথ আলাদা হোক (আবার কান্না)।

মেয়ে: (কেদে কেদে) তোমার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে। আমি পারবোনা।তুমি অন্য কিছু ভাবো।

ছেলে: কষ্ট যে সুধু তোমার একার হচ্ছে তা কিন্তু নয়,আমারো একই অবস্থা।এটা মেনে নিতে হবে।

বলেই ছেলেটি ফোন কেটে দিয়ে অঝোরে কাদতে থাকে।ছেলেটি মেয়েটিকে এতটাই ভালোবাসতো যে,কষ্ট গুলাকে বুকের মাঝে চাপা দিয়ে দেয় শুধু মাত্র তার ভালোবাসার মানুষ টার কথা ভেবে।

আর এভাবেই ধীরে ধীরে তাদের মাঝে দেয়াল তৈরি হয়।একটি মিষ্টি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।

 

লেখক :- গণমাধ্যম কর্মী...

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : মায়া

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬


কেন? এই মিছে মায়া

প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ভালোবাসা এ যেন বর্তমান সমাজে একটা প্রচলিত শব্দ।কিন্তু এ-র মাঝেও কিছু মানুষ আছে যারা আসলেই ভালোবাসতে  জানে। যদিও পারিবারিক কারণ ,সামাজিক কারন ইত্যাদির জন্য  সম্পর্কটা বেশি দূর যেতে পারেনা।

এমনেই একটা ছোট্ট, মিষ্টি বাস্তব কাহিনী তুলে ধরলাম...।

একটা ছেলে হঠাৎ দেখেই একটা মেয়েকে পছন্দ করে ফেলে।সে তার বান্ধবীর সাহায্যে মেয়েটাকে প্রপোজ করে এবং মেয়েটাও রাজি হয়ে যায়।।এভাবে প্রায় দুই বছর তাদের রিলেশন continue থাকে।হঠাৎ মেয়ের বাসায় জানা জানি হলে, মেয়েটার উপর প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি হতে থাকে।ছেলেটা বুঝতে পারে যে,মেয়েটার পরিবার তাকে কখনো মেনে নিবেনা।ছেলেটা মেয়েটাকে বুঝানোর চেষ্টা করে,,

ছেলে: কেমন আছো তুমি?

মেয়ে: আলহামদুলিল্লাহ, তুমি কেমন আছো?

ছেলে: আলহামদুলিল্লাহ। তুমিকি এটা অনুভব করতে পেরেছো যে,তোমার ফ্যামিলি থেকে আমায় কোন দিন মেনে নিবেনা!

মেয়ে: হ্যা, আমারো তাই মনে হয়।কিন্তু আমি যে তোমায় খুবেই ভালোবাসি।তোমায় ছাড়া কিছুই চিন্তা করতে পারিনা।

ছেলে: তোমার মত আমিও তোমায় ছাড়া অন্য কিছু চিন্তা করতে পারিনা।কিন্তু আমি চাইনা তুমি আমার কারনে তোমার বাড়ির মানুষদের কাছে খারাপ হও।আমি চাই তুমি সারাজীবন সুখে থাকো।

মেয়ে: আমি তোমায় ছাড়া কোন ভাবেই সুখে থাকতে পারবোনা।

ছেলে: এটা আবেগ!আমি যদি তোমায় পালিয়ে বিয়ে করি,সারাজীবন তোমার পরিবারের কাছে অভিশাপ হয়ে থাকবো,আমিও তুমিও।সেটা আমি চাইনা।আমি সুধু তোমায় সুখি দেখতে চাই।

মেয়ে: তার মানে তুমি কি বলতে চাও??

ছেলে: আসলে (কিছুক্ষণ কেদে) আমি চাই আজ থেকে দুজনের পথ আলাদা হোক (আবার কান্না)।

মেয়ে: (কেদে কেদে) তোমার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে। আমি পারবোনা।তুমি অন্য কিছু ভাবো।

ছেলে: কষ্ট যে সুধু তোমার একার হচ্ছে তা কিন্তু নয়,আমারো একই অবস্থা।এটা মেনে নিতে হবে।

বলেই ছেলেটি ফোন কেটে দিয়ে অঝোরে কাদতে থাকে।ছেলেটি মেয়েটিকে এতটাই ভালোবাসতো যে,কষ্ট গুলাকে বুকের মাঝে চাপা দিয়ে দেয় শুধু মাত্র তার ভালোবাসার মানুষ টার কথা ভেবে।

আর এভাবেই ধীরে ধীরে তাদের মাঝে দেয়াল তৈরি হয়।একটি মিষ্টি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।

 

লেখক :- গণমাধ্যম কর্মী...

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত