কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিনবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী
ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনকারী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া'র স্মরণ
সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর
১২ টায় প্রশাসনিক ভবনের ৪১১ নং কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আব্দুল হাকিমের সভাপতিত্বে
ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোশাররফ হোসেনের সঞ্চালনায় এই স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
হয়। পবিত্র কোরান তেলাওয়াতের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানটিটি শুরু হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক
ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন,
ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. এম. শরিফুল করিমসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষকবৃন্দ
কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।
রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড.আনোয়ার
হোসেন বলেন, "আমরা আজ একত্রিত হয়েছি জাতীয়তাবাদের নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী,
সংসদীয় শাসনতন্ত্রের প্রবক্তা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরন সভায়। জনগনের অধিকার
প্রতিষ্ঠায় তিনি যেভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন তা আমাদের জন্য অনুকরণীয়। আমাদের সোনার বাংলাদেশ
গঠনে, আমাদের তরুন প্রজন্মের জন্য তিনি যেভাবে রাজনীতি পরিচালনা করেছেন এবং নেতৃত্ব
দিয়েছেন তা অনুকরণীয় এবং আদর্শ স্বরূপ।"
বিশেষ অথিতি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক
ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, "আমরা এমন একজন মানুষকে নিয়ে কথা বলতেছি, যিনি এই
বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। আমি সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম
খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। তিনি যেন রবের দয়ায়, মায়ায়, আল্লাহ
তাআলা তাকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করেন। আমরা জানি বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের
বৃহৎ রাজনৈতিক দল, গণতান্ত্রিক ধারা এবং বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি করে গিয়েছেন।"
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা
কামাল বলেন, "আজকে আমরা এখানে গভীর শোক এবং শোকাহত মন নিয়ে এখানে উপস্থিত হয়েছি।
এই শোক সভার শুধুমাত্র আমাদের জন্য শোকের নয় এটি আমাদের হৃদয়ের গভীর অনুভূতির প্রকাশ।বাংলাদেশের
গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক অবিচ্ছেদ্য নাম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বারবার
আমাদেরকে শিখিয়েছেন ব্যক্তিগত দুঃখকে, শক্তিকে রূপান্তরিত করে দেশ ও মানুষের পাশে
দাঁড়ানো যায়। আজকের এই শোক সভায় আমরা তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।"
উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের
প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন, "তিনবারের প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা
জিয়ার অনেক ভালো ভালো কাজের মাধ্যমে আমাদের মাঝে স্মরণীয় হয়ে আছেন, তার ভালো কাজের
মধ্যেমে তাকে আল্লাহ বেহেশত দান করুক। আমাদের উচিত সবসময় ভালো কাজ করা, খারাপ
কাজ থেকে বিরত থাকা । আমি বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। "
উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়াকে
২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নেয়া হয়। ৩০ ডিসেম্বর
২০২৫ ভোর ৬ টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : বেগম খালেদা জিয়া সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিনবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী
ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনকারী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া'র স্মরণ
সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর
১২ টায় প্রশাসনিক ভবনের ৪১১ নং কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আব্দুল হাকিমের সভাপতিত্বে
ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোশাররফ হোসেনের সঞ্চালনায় এই স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
হয়। পবিত্র কোরান তেলাওয়াতের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানটিটি শুরু হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক
ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন,
ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. এম. শরিফুল করিমসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষকবৃন্দ
কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।
রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড.আনোয়ার
হোসেন বলেন, "আমরা আজ একত্রিত হয়েছি জাতীয়তাবাদের নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী,
সংসদীয় শাসনতন্ত্রের প্রবক্তা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরন সভায়। জনগনের অধিকার
প্রতিষ্ঠায় তিনি যেভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন তা আমাদের জন্য অনুকরণীয়। আমাদের সোনার বাংলাদেশ
গঠনে, আমাদের তরুন প্রজন্মের জন্য তিনি যেভাবে রাজনীতি পরিচালনা করেছেন এবং নেতৃত্ব
দিয়েছেন তা অনুকরণীয় এবং আদর্শ স্বরূপ।"
বিশেষ অথিতি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক
ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, "আমরা এমন একজন মানুষকে নিয়ে কথা বলতেছি, যিনি এই
বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। আমি সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম
খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। তিনি যেন রবের দয়ায়, মায়ায়, আল্লাহ
তাআলা তাকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করেন। আমরা জানি বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের
বৃহৎ রাজনৈতিক দল, গণতান্ত্রিক ধারা এবং বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি করে গিয়েছেন।"
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা
কামাল বলেন, "আজকে আমরা এখানে গভীর শোক এবং শোকাহত মন নিয়ে এখানে উপস্থিত হয়েছি।
এই শোক সভার শুধুমাত্র আমাদের জন্য শোকের নয় এটি আমাদের হৃদয়ের গভীর অনুভূতির প্রকাশ।বাংলাদেশের
গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক অবিচ্ছেদ্য নাম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বারবার
আমাদেরকে শিখিয়েছেন ব্যক্তিগত দুঃখকে, শক্তিকে রূপান্তরিত করে দেশ ও মানুষের পাশে
দাঁড়ানো যায়। আজকের এই শোক সভায় আমরা তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।"
উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের
প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন, "তিনবারের প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা
জিয়ার অনেক ভালো ভালো কাজের মাধ্যমে আমাদের মাঝে স্মরণীয় হয়ে আছেন, তার ভালো কাজের
মধ্যেমে তাকে আল্লাহ বেহেশত দান করুক। আমাদের উচিত সবসময় ভালো কাজ করা, খারাপ
কাজ থেকে বিরত থাকা । আমি বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। "
উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়াকে
২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নেয়া হয়। ৩০ ডিসেম্বর
২০২৫ ভোর ৬ টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন