ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

২০২৬ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা



২০২৬ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। নির্দেশনা অনুযায়ী, উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য নির্ভুল ডাটাবেইজ করার লক্ষ্যে eTIF (ইলেক্ট্রনিক টিচার ইনফরমেশন ফাইল) সংশোধন করার জন্য বলা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ( জানুয়ারি) শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক চিঠিতে নির্দেশনা দেয়া হয়। চিঠিটি সব সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রধান শিক্ষককে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসএসসি এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য নির্ভুল ডাটাবেইজ করার লক্ষ্যে আপনার প্রতিষ্ঠানের যেসব শিক্ষক অবসর নিয়েছেন, মৃত্যু বরণ করেছেন, অন্যত্র বদলি হয়েছেন, স্বেচ্ছায় চাকুরি ছেড়ে দিয়েছেন, বোর্ড থেকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানে খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন তাদের নাম কর্তন করে eTIF (ইলেক্ট্রনিক টিচার ইনফরমেশন ফাইল) সংশোধন করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। eTIF সংশোধন না করা থাকলে উত্তরপত্র মূল্যায়নে প্রধান পরীক্ষক বা পরীক্ষক নিয়োগে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, বোর্ড থেকে eTIF সংশোধন করার কোনো সুযোগ নেই। এজন্য eTIF সংশোধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬


২০২৬ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

২০২৬ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। নির্দেশনা অনুযায়ী, উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য নির্ভুল ডাটাবেইজ করার লক্ষ্যে eTIF (ইলেক্ট্রনিক টিচার ইনফরমেশন ফাইল) সংশোধন করার জন্য বলা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ( জানুয়ারি) শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক চিঠিতে নির্দেশনা দেয়া হয়। চিঠিটি সব সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রধান শিক্ষককে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসএসসি এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য নির্ভুল ডাটাবেইজ করার লক্ষ্যে আপনার প্রতিষ্ঠানের যেসব শিক্ষক অবসর নিয়েছেন, মৃত্যু বরণ করেছেন, অন্যত্র বদলি হয়েছেন, স্বেচ্ছায় চাকুরি ছেড়ে দিয়েছেন, বোর্ড থেকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানে খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন তাদের নাম কর্তন করে eTIF (ইলেক্ট্রনিক টিচার ইনফরমেশন ফাইল) সংশোধন করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। eTIF সংশোধন না করা থাকলে উত্তরপত্র মূল্যায়নে প্রধান পরীক্ষক বা পরীক্ষক নিয়োগে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, বোর্ড থেকে eTIF সংশোধন করার কোনো সুযোগ নেই। এজন্য eTIF সংশোধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত