ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিনের ছুটি শেষে আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুরোদমে
পাঠদান শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই
শুরু হয়েছে রমজান মাসের ছুটির আলোচনা।
এবারের রমজান মাসে কেউ পুরো মাস ছুটি পাচ্ছে আবার কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে ছুটি কমানো হয়েছে। প্রথমে রমজান মাসের শুরু থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
কিন্তু আজ সোমবার চেম্বার জজ আদালতের হাইকোর্টের দেওয়া
সেই
আদেশ
স্থগিত
করেছেন।
এর
ফলে
আগে
থেকেই
মাধ্যমিক
ও
নিম্ন
মাধ্যমিক
স্কুলের
ছুটির
যে
সিদ্ধান্ত
ছিল,
সেটিই
কার্যকর
থাকছে।
এদিকে চলতি শিক্ষাবর্ষে রমজান
উপলক্ষে
মাদরাসাগুলোয়
১৫
ফেব্রুয়ারি
থেকে
শুরু
হয়েছে।
অন্যদিকে
মাধ্যমিক
পর্যায়ের
স্কুলগুলোতে
এবার
১৫
রমজান,
অর্থাৎ
আগামী
৭
মার্চ
পর্যন্ত
নিয়মিত
ক্লাস
চালু
রাখার
সিদ্ধান্ত
নেওয়া
হয়েছিল।
কিন্তু এটি বৈষম্যমূলক দাবি করে রমজানের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের ছুটি নিশ্চিত করতে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইলিয়াছ আলী মণ্ডল। গতকাল রবিবার (১৫
ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ একটি রিট আবেদনের শুনানিতে রোজায় সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার আদেশ দেন।
হাইকোর্টের দেওয়া সেই আদেশের ফলে পুরো পুরো রমজান মাসে সব মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল ৮ মার্চের পরিবর্তে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই বন্ধ থাকার কথা ছিল। তবে এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করলে হাইকোর্টের সেই আদেশটি সোমবার স্থগিত করে দেওয়া হয়।
এর ফলে
ছুটি নিয়ে আগের সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে।
তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে আদালতের আদেশে কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই। ফলে রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে নাকি বন্ধ থাকবে—সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সরকারের দুই মন্ত্রণালয়ের সূত্র
জানায়,
এ
সিদ্ধান্তটি
মূলত
নতুন
সরকারের
শিক্ষামন্ত্রীর
ওপরই
নির্ভর
করছে।
দায়িত্ব
নিয়েই
তাকে
প্রথম
দিনই
এ
সিদ্ধান্ত
দিতে
হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, তারা একটি বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।
প্রস্তাবিত তালিকা অনুযায়ী, ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত রমজান, ঈদুল ফিতর ও অন্যান্য ছুটি মিলিয়ে মোট ১৯ দিন (শুক্র, শনিবারসহ) বিদ্যালয় বন্ধ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের সরকারি কলেজগুলোতে রোজার ছুটির জন্য গত বছরের ডিসেম্বরে একটি প্রজ্ঞাপন হয়। সেই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দেশের সব সরকারি বেসরকারি কলেজ ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
ঢাকার কয়েকটি ইংলিশ মিডিয়ামের ছুটির ক্যালেন্ডার থেকে জানা যাচ্ছে, বেশির ভাগ স্কুলের রমজানের মাঝামাঝি পর্যন্ত ক্লাস চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : নতুন উদ্যোগ ছুটি রমজান নতুন সরকার
.png)
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিনের ছুটি শেষে আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুরোদমে
পাঠদান শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই
শুরু হয়েছে রমজান মাসের ছুটির আলোচনা।
এবারের রমজান মাসে কেউ পুরো মাস ছুটি পাচ্ছে আবার কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে ছুটি কমানো হয়েছে। প্রথমে রমজান মাসের শুরু থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
কিন্তু আজ সোমবার চেম্বার জজ আদালতের হাইকোর্টের দেওয়া
সেই
আদেশ
স্থগিত
করেছেন।
এর
ফলে
আগে
থেকেই
মাধ্যমিক
ও
নিম্ন
মাধ্যমিক
স্কুলের
ছুটির
যে
সিদ্ধান্ত
ছিল,
সেটিই
কার্যকর
থাকছে।
এদিকে চলতি শিক্ষাবর্ষে রমজান
উপলক্ষে
মাদরাসাগুলোয়
১৫
ফেব্রুয়ারি
থেকে
শুরু
হয়েছে।
অন্যদিকে
মাধ্যমিক
পর্যায়ের
স্কুলগুলোতে
এবার
১৫
রমজান,
অর্থাৎ
আগামী
৭
মার্চ
পর্যন্ত
নিয়মিত
ক্লাস
চালু
রাখার
সিদ্ধান্ত
নেওয়া
হয়েছিল।
কিন্তু এটি বৈষম্যমূলক দাবি করে রমজানের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের ছুটি নিশ্চিত করতে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইলিয়াছ আলী মণ্ডল। গতকাল রবিবার (১৫
ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ একটি রিট আবেদনের শুনানিতে রোজায় সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার আদেশ দেন।
হাইকোর্টের দেওয়া সেই আদেশের ফলে পুরো পুরো রমজান মাসে সব মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল ৮ মার্চের পরিবর্তে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই বন্ধ থাকার কথা ছিল। তবে এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করলে হাইকোর্টের সেই আদেশটি সোমবার স্থগিত করে দেওয়া হয়।
এর ফলে
ছুটি নিয়ে আগের সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে।
তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে আদালতের আদেশে কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই। ফলে রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে নাকি বন্ধ থাকবে—সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সরকারের দুই মন্ত্রণালয়ের সূত্র
জানায়,
এ
সিদ্ধান্তটি
মূলত
নতুন
সরকারের
শিক্ষামন্ত্রীর
ওপরই
নির্ভর
করছে।
দায়িত্ব
নিয়েই
তাকে
প্রথম
দিনই
এ
সিদ্ধান্ত
দিতে
হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, তারা একটি বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।
প্রস্তাবিত তালিকা অনুযায়ী, ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত রমজান, ঈদুল ফিতর ও অন্যান্য ছুটি মিলিয়ে মোট ১৯ দিন (শুক্র, শনিবারসহ) বিদ্যালয় বন্ধ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের সরকারি কলেজগুলোতে রোজার ছুটির জন্য গত বছরের ডিসেম্বরে একটি প্রজ্ঞাপন হয়। সেই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দেশের সব সরকারি বেসরকারি কলেজ ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
ঢাকার কয়েকটি ইংলিশ মিডিয়ামের ছুটির ক্যালেন্ডার থেকে জানা যাচ্ছে, বেশির ভাগ স্কুলের রমজানের মাঝামাঝি পর্যন্ত ক্লাস চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন