ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

যৌন হয়রানি মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা কারাগারে



যৌন হয়রানি মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা কারাগারে
ছবি : সংগৃহীত

যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশসহ হুমকির অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক (ডিডি) সেলিনা বেগমকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। 

আজ বৃহস্পতিবার বরিশালের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম এসএম শরিয়তুল্লাহ এই আদেশ দেন। আদালতের নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) এসআই হুমায়ন কবির তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপ-পরিচালক সেলিনা বেগম (৪০) বরিশাল নগরের নতুন আবাসিক এলাকার নুরজাহান মঞ্জিলের চতুর্থ তলার ভাড়াটিয়া মো. কাঞ্চন গোলদারের কন্যা। মামলার বাদী মোহাম্মদ হাসানুর রশিদ বরিশাল জেলার সাবেক বর্তমানে লালমনিরহাট জেলা কালচারাল কর্মকর্তা।

জিআরও হুমায়ন কবিরের বরাতে জানা যায়, সেলিনা বেগম ২০২৫ সালের মার্চ বাদীর সঙ্গে পূর্বপরিচয় দিয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের পর বাদী টের পান, সেলিনা বেগমের সঙ্গে একাধিক পুরুষের সম্পর্ক রয়েছে এবং একাধিক বিয়ে রয়েছে। কারণে দম্পতির মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। ২০২৫ সালের জুলাই লালমনিরহাটে সেলিনা বেগম বাদীকে মারধর করেন। এরপর ৩১ জুলাই তালাক দেন।

বাদীর অভিযোগ, সেলিনা বেগম তার সম্মানহানির জন্য বিভিন্ন একান্ত মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও মানহানিকর ছবি প্রকাশের হুমকি দিয়েছেন। এসব অভিযোগে বাদী বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। ট্রাইব্যুনালের আদেশে কোতয়ালী মডেল থানা এজাহার রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।

 

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : যৌন হয়রানি ব্ল্যাকমেইলিং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


যৌন হয়রানি মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা কারাগারে

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশসহ হুমকির অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক (ডিডি) সেলিনা বেগমকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। 

আজ বৃহস্পতিবার বরিশালের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম এসএম শরিয়তুল্লাহ এই আদেশ দেন। আদালতের নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) এসআই হুমায়ন কবির তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপ-পরিচালক সেলিনা বেগম (৪০) বরিশাল নগরের নতুন আবাসিক এলাকার নুরজাহান মঞ্জিলের চতুর্থ তলার ভাড়াটিয়া মো. কাঞ্চন গোলদারের কন্যা। মামলার বাদী মোহাম্মদ হাসানুর রশিদ বরিশাল জেলার সাবেক বর্তমানে লালমনিরহাট জেলা কালচারাল কর্মকর্তা।

জিআরও হুমায়ন কবিরের বরাতে জানা যায়, সেলিনা বেগম ২০২৫ সালের মার্চ বাদীর সঙ্গে পূর্বপরিচয় দিয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের পর বাদী টের পান, সেলিনা বেগমের সঙ্গে একাধিক পুরুষের সম্পর্ক রয়েছে এবং একাধিক বিয়ে রয়েছে। কারণে দম্পতির মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। ২০২৫ সালের জুলাই লালমনিরহাটে সেলিনা বেগম বাদীকে মারধর করেন। এরপর ৩১ জুলাই তালাক দেন।

বাদীর অভিযোগ, সেলিনা বেগম তার সম্মানহানির জন্য বিভিন্ন একান্ত মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও মানহানিকর ছবি প্রকাশের হুমকি দিয়েছেন। এসব অভিযোগে বাদী বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। ট্রাইব্যুনালের আদেশে কোতয়ালী মডেল থানা এজাহার রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।

 

এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত