ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

যৌন নিপীড়নের দায়ে চাকরি হারালেন রাবি শিক্ষক



যৌন নিপীড়নের দায়ে চাকরি হারালেন রাবি শিক্ষক
ছবি : সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাদিকুল ইসলাম সাগরকে যৌন নিপীড়নের দায়ে বরখাস্ত করা হয়েছে। 

আজ বুধবার ( জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ। গতকাল মঙ্গলবার ( জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পর্যায় সিন্ডিকেটের ৫৪৫ নং সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে গঠিত তদন্ত কমিটির সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় থাকা আইন বিভাগের শিক্ষক সাদিকুল ইসলাম সাগরকে বরখাস্ত করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী তিনি পেনশনসহ কোনো ধরনের সরকারি সুবিধা পাবেন না।‘

গত বছরের ২৬ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহযোগী অধ্যাপক সাদিকুল সাগরের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে একটা আইডি থেকে পোস্ট করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পরের দিন বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিভাগ থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে ১০ দিনের সময় দেওয়া হয়।

এরপর ২৪ সেপ্টেম্বর ৫৩৩নং সিন্ডিকেট সভায় অভিযুক্ত শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার শাস্তির দাবিতে বিভাগের কক্ষে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ করেন একই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : শিক্ষক রাবি যৌন নিপীড়ন

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬


যৌন নিপীড়নের দায়ে চাকরি হারালেন রাবি শিক্ষক

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাদিকুল ইসলাম সাগরকে যৌন নিপীড়নের দায়ে বরখাস্ত করা হয়েছে। 

আজ বুধবার ( জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ। গতকাল মঙ্গলবার ( জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পর্যায় সিন্ডিকেটের ৫৪৫ নং সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে গঠিত তদন্ত কমিটির সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় থাকা আইন বিভাগের শিক্ষক সাদিকুল ইসলাম সাগরকে বরখাস্ত করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী তিনি পেনশনসহ কোনো ধরনের সরকারি সুবিধা পাবেন না।‘

গত বছরের ২৬ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহযোগী অধ্যাপক সাদিকুল সাগরের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে একটা আইডি থেকে পোস্ট করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পরের দিন বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিভাগ থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে ১০ দিনের সময় দেওয়া হয়।

এরপর ২৪ সেপ্টেম্বর ৫৩৩নং সিন্ডিকেট সভায় অভিযুক্ত শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার শাস্তির দাবিতে বিভাগের কক্ষে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ করেন একই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত