ব্রিটিশ কাউন্সিল ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ
(ULAB) এর সহযোগিতায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা
ডিজিটাল নাগরিকতার ধারণা, অপতথ্য ও ভুল তথ্যের ক্ষতিকর দিক এবং তথ্য শেয়ার করার আগে
যাচাই-বাছাইয়ের গুরুত্ব নিয়ে সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক
সেমিনার পরিচালনা করেছে।
গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সিসিএন
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার রুমে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
আয়েজনে উপস্থিত ছিলেন সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের
আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান, গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান নুশরাত হাসমী, কম্পিউটার
সাইন্স বিভাগের প্রভাষক সুমন রানা, লোক প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক ও মডারেটর মোঃ ইয়াসিন।
ডিজিটাল নাগরিকতা ও অপতথ্য বিষয়ে জনসচেতনতামূলক বার্তা দিতে দেশীয়
ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থা ফ্যাক্ট ওয়াচে কর্মরত ফ্যাক্ট চেকার রিদওয়ান ইসলাম অনলাইনে কর্মশালায়
যুক্ত হন।
আয়োজকদের মতে, "বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৪৮.৯ থেকে ৫৪.৮ শতাংশ
মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। তবে এই বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারীর একটি বড় অংশ ডিজিটাল
নাগরিকতা, মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন এবং অপতথ্য যাচাই সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত নন। ফলে
অনলাইনে ভুয়া তথ্য সহজেই ছড়িয়ে পড়ছে। আমরা আশাবাদী, এই সেমিনারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের
মধ্যে দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ গড়ে উঠবে এবং অপতথ্য শনাক্ত ও যাচাইয়ের বিষয়ে সচেতনতা
বৃদ্ধি পাবে।"
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান
ও সহযোগী অধ্যাপক মাহামুদুল হাসান রাহাত বলেন, "বর্তমান ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে
যেকোনো তথ্য খুব দ্রুত নানা মাধ্যমে ছড়িয়ে যায়। এক্ষেত্রে ডিজিটাল পরিসরে কোনো তথ্য
শেয়ারের ক্ষেত্রে একটু সচেতন থাকা জরুরি। তাই গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে উদ্যোগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীসহ সকলের জন্য এই ওয়ার্কশপ
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।"
লোক প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, "এই আয়োজনটি
সমসাময়িক ডিজিটাল বাস্তবতার একটি গভীর ও প্রাসঙ্গিক অনুষঙ্গকে সামনে নিয়ে এসেছে। বর্তমান
তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সমাজে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তথ্য গ্রহণের পাশাপাশি তথ্যের সত্যতা
যাচাই, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ এবং নৈতিক দায়িত্ববোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান,
এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তরুণদের মধ্যে ডিজিটাল নাগরিকত্বের বোধ এবং ভ্রান্ত তথ্য
মোকাবিলার সক্ষমতা বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।"
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : শিক্ষার্থী কুবি প্রশিক্ষণ কর্মশালা
.png)
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ব্রিটিশ কাউন্সিল ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ
(ULAB) এর সহযোগিতায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা
ডিজিটাল নাগরিকতার ধারণা, অপতথ্য ও ভুল তথ্যের ক্ষতিকর দিক এবং তথ্য শেয়ার করার আগে
যাচাই-বাছাইয়ের গুরুত্ব নিয়ে সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক
সেমিনার পরিচালনা করেছে।
গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সিসিএন
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার রুমে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
আয়েজনে উপস্থিত ছিলেন সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের
আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান, গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান নুশরাত হাসমী, কম্পিউটার
সাইন্স বিভাগের প্রভাষক সুমন রানা, লোক প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক ও মডারেটর মোঃ ইয়াসিন।
ডিজিটাল নাগরিকতা ও অপতথ্য বিষয়ে জনসচেতনতামূলক বার্তা দিতে দেশীয়
ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থা ফ্যাক্ট ওয়াচে কর্মরত ফ্যাক্ট চেকার রিদওয়ান ইসলাম অনলাইনে কর্মশালায়
যুক্ত হন।
আয়োজকদের মতে, "বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৪৮.৯ থেকে ৫৪.৮ শতাংশ
মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। তবে এই বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারীর একটি বড় অংশ ডিজিটাল
নাগরিকতা, মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন এবং অপতথ্য যাচাই সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত নন। ফলে
অনলাইনে ভুয়া তথ্য সহজেই ছড়িয়ে পড়ছে। আমরা আশাবাদী, এই সেমিনারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের
মধ্যে দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ গড়ে উঠবে এবং অপতথ্য শনাক্ত ও যাচাইয়ের বিষয়ে সচেতনতা
বৃদ্ধি পাবে।"
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান
ও সহযোগী অধ্যাপক মাহামুদুল হাসান রাহাত বলেন, "বর্তমান ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে
যেকোনো তথ্য খুব দ্রুত নানা মাধ্যমে ছড়িয়ে যায়। এক্ষেত্রে ডিজিটাল পরিসরে কোনো তথ্য
শেয়ারের ক্ষেত্রে একটু সচেতন থাকা জরুরি। তাই গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে উদ্যোগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীসহ সকলের জন্য এই ওয়ার্কশপ
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।"
লোক প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, "এই আয়োজনটি
সমসাময়িক ডিজিটাল বাস্তবতার একটি গভীর ও প্রাসঙ্গিক অনুষঙ্গকে সামনে নিয়ে এসেছে। বর্তমান
তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সমাজে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তথ্য গ্রহণের পাশাপাশি তথ্যের সত্যতা
যাচাই, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ এবং নৈতিক দায়িত্ববোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান,
এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তরুণদের মধ্যে ডিজিটাল নাগরিকত্বের বোধ এবং ভ্রান্ত তথ্য
মোকাবিলার সক্ষমতা বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।"
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন