ভর্তি
পরীক্ষা উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ক্যাফেটেরিয়া ও ক্যাম্পাসসংলগ্ন খাবারের
দোকান তদারকি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম।
ছাত্রদের দাবির প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২৯
জানুয়ারি) রাত ১০ টায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, এসময় তিনি মামা হোটেল, হৃদয় হোটেল,
ফোড হ্যাভেনসহ সকল হোটেলে খাবারের দাম মনিটরিং করেন। এ সময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন
সহকারী প্রক্টর ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
চৌধুরী।
ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক
ও বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম বলেন, ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের দাম নিয়ে
শিক্ষার্থীরা আমার কাছে অভিযোগ জানিয়েছে। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে আমি ক্যাফেটেরিয়ায়
কথা বলেছি। তারা আগের খাবার মূল্য তালিকা অনুযায়ী আগামী দুইদিনও খাবার দিবে এমন আশ্বাস
দিয়েছেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাস গেইটের আশেপাশে সবগুলো দোকানে শিক্ষার্থীসহ গিয়ে খাবারের
দাম মনিটরিং করেছি৷ তারা নিশ্চিত করপছেন যে তারা আগের মূল্যেই খাবার বিক্রি করবেন।
তিনি আরও বলেন, 'শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা
যেন কোন ভোগান্তিতে না পড়ে সেজন্য আমি নিজে গিয়ে সব জায়গায় কথা বলেছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের
সুনাম দিন দিন বাড়তেছে, আশাকরি সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
এনএম/ ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
ভর্তি
পরীক্ষা উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ক্যাফেটেরিয়া ও ক্যাম্পাসসংলগ্ন খাবারের
দোকান তদারকি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম।
ছাত্রদের দাবির প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২৯
জানুয়ারি) রাত ১০ টায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, এসময় তিনি মামা হোটেল, হৃদয় হোটেল,
ফোড হ্যাভেনসহ সকল হোটেলে খাবারের দাম মনিটরিং করেন। এ সময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন
সহকারী প্রক্টর ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
চৌধুরী।
ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক
ও বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম বলেন, ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের দাম নিয়ে
শিক্ষার্থীরা আমার কাছে অভিযোগ জানিয়েছে। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে আমি ক্যাফেটেরিয়ায়
কথা বলেছি। তারা আগের খাবার মূল্য তালিকা অনুযায়ী আগামী দুইদিনও খাবার দিবে এমন আশ্বাস
দিয়েছেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাস গেইটের আশেপাশে সবগুলো দোকানে শিক্ষার্থীসহ গিয়ে খাবারের
দাম মনিটরিং করেছি৷ তারা নিশ্চিত করপছেন যে তারা আগের মূল্যেই খাবার বিক্রি করবেন।
তিনি আরও বলেন, 'শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা
যেন কোন ভোগান্তিতে না পড়ে সেজন্য আমি নিজে গিয়ে সব জায়গায় কথা বলেছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের
সুনাম দিন দিন বাড়তেছে, আশাকরি সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
এনএম/ ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন