ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উৎসবে ছুটি চেয়ে কুবি উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি



বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উৎসবে ছুটি চেয়ে কুবি উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি
ছবি: সংগৃহীত

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব বিঝু, বৈসু, সাংগ্রাই, চাংক্রান ও সাংক্রান উপলক্ষে প্রতি বছর ১৩১৬ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণার দাবিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে আদিবাসী ছাত্র সংসদ।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকাল চারটায় উপাচার্য দপ্তরে তারা এ স্মারকলিপি জমা দেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনে এসব উৎসবের রয়েছে বিশেষ ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব। এগুলো শুধু নববর্ষ উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে বাংলা নববর্ষ (১৪ এপ্রিল) উপলক্ষে বাৎসরিক সাধারণ ছুটি থাকলেও বিঝু, বৈসু, সাংগ্রাই, চাংক্রান, সাংক্রানসহ আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্যান্য প্রধান উৎসবসমূহ ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে এসব উৎসব যথাযথভাবে উদযাপনে বঞ্চিত হচ্ছেন কুবিতে অধ্যয়নরত আদিবাসী শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, “একাডেমিক ক্যালেন্ডার ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হওয়ায় চলতি বছরে নতুন করে ছুটি যুক্ত করা সম্ভব নয়। তবে আগামী বছর নতুন ক্যালেন্ডার প্রণয়নের সময় বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, “তোমাদের জন্য এবার তিনদিনের ঐচ্ছিক ছুটি বরাদ্দ রয়েছে। তোমরা চাইলে স্মারকলিপি জমা দিতে পারো, তবে ছুটি তোমরা পাবে।

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : স্মারকলিপি ছুটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী কুবি উপাচার্য

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬


বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উৎসবে ছুটি চেয়ে কুবি উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি

প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব বিঝু, বৈসু, সাংগ্রাই, চাংক্রান ও সাংক্রান উপলক্ষে প্রতি বছর ১৩১৬ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণার দাবিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে আদিবাসী ছাত্র সংসদ।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকাল চারটায় উপাচার্য দপ্তরে তারা এ স্মারকলিপি জমা দেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনে এসব উৎসবের রয়েছে বিশেষ ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব। এগুলো শুধু নববর্ষ উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে বাংলা নববর্ষ (১৪ এপ্রিল) উপলক্ষে বাৎসরিক সাধারণ ছুটি থাকলেও বিঝু, বৈসু, সাংগ্রাই, চাংক্রান, সাংক্রানসহ আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্যান্য প্রধান উৎসবসমূহ ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে এসব উৎসব যথাযথভাবে উদযাপনে বঞ্চিত হচ্ছেন কুবিতে অধ্যয়নরত আদিবাসী শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, “একাডেমিক ক্যালেন্ডার ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হওয়ায় চলতি বছরে নতুন করে ছুটি যুক্ত করা সম্ভব নয়। তবে আগামী বছর নতুন ক্যালেন্ডার প্রণয়নের সময় বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, “তোমাদের জন্য এবার তিনদিনের ঐচ্ছিক ছুটি বরাদ্দ রয়েছে। তোমরা চাইলে স্মারকলিপি জমা দিতে পারো, তবে ছুটি তোমরা পাবে।

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৬ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত