রমজানের পুরো মাসে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে ছুটি দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। অ্যাডভোকেট ইলিয়াছ আলী মণ্ডল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় গতকাল গতকাল
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এই রিট আবেদন জমা দেন।
রিট আবেদনে বলা হয়,
সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের ২০২৬ সালের শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জিতে রমজান মাসের প্রথম ১৮
(আঠারো)
দিন মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে।
সরকারের এ সিদ্ধান্তকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না,
তা জানাতে রুল জারির আদেশ চাওয়া হয় এবং পাশাপাশি রমজানের প্রথম দিন থেকে পুরো সময় বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়।
অ্যাডভোকেট ইলিয়াছ আলী মণ্ডল গণমাধ্যমকে বলেন,
মাদরাসাগুলোতে পুরো রমজান মাসে ছুটি রাখার সিদ্ধান্ত রয়েছে। অথচ বিদ্যালয়গুলোতে রোজার প্রথম ১৮ দিন খোলা রেখে তারপর ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়,
যা
‘বৈষম্যমূলক’।
এ ছাড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলসমূহের কোমলমতি শিশু-কিশোরদের রোজা রেখে স্কুলে যাতায়াত করে ক্লাসে অংশগ্রহণ করা কষ্টকর হয়ে যাবে। এতে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে দূরে থাকার শঙ্কা দেখা দেবে,
যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়।
রোজার
মাসে
মাসে
স্কুল
চালু
রাখলে
শহরগুলোতে
তীব্র
যানজটের
সৃষ্টি
হয়,
যাতে
নগরবাসীকে
চরম
দুর্ভোগের
শিকার
হতে
হয়
বলেও
তিনি মন্তব্য
করেছেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : ছুটি বেসরকারি সরকারি পুরো রমজান
.png)
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
রমজানের পুরো মাসে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে ছুটি দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। অ্যাডভোকেট ইলিয়াছ আলী মণ্ডল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় গতকাল গতকাল
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এই রিট আবেদন জমা দেন।
রিট আবেদনে বলা হয়,
সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের ২০২৬ সালের শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জিতে রমজান মাসের প্রথম ১৮
(আঠারো)
দিন মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে।
সরকারের এ সিদ্ধান্তকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না,
তা জানাতে রুল জারির আদেশ চাওয়া হয় এবং পাশাপাশি রমজানের প্রথম দিন থেকে পুরো সময় বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়।
অ্যাডভোকেট ইলিয়াছ আলী মণ্ডল গণমাধ্যমকে বলেন,
মাদরাসাগুলোতে পুরো রমজান মাসে ছুটি রাখার সিদ্ধান্ত রয়েছে। অথচ বিদ্যালয়গুলোতে রোজার প্রথম ১৮ দিন খোলা রেখে তারপর ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়,
যা
‘বৈষম্যমূলক’।
এ ছাড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলসমূহের কোমলমতি শিশু-কিশোরদের রোজা রেখে স্কুলে যাতায়াত করে ক্লাসে অংশগ্রহণ করা কষ্টকর হয়ে যাবে। এতে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে দূরে থাকার শঙ্কা দেখা দেবে,
যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়।
রোজার
মাসে
মাসে
স্কুল
চালু
রাখলে
শহরগুলোতে
তীব্র
যানজটের
সৃষ্টি
হয়,
যাতে
নগরবাসীকে
চরম
দুর্ভোগের
শিকার
হতে
হয়
বলেও
তিনি মন্তব্য
করেছেন।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন