ছাত্রীবান্ধব
পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) প্রথমবারের মতো চালু হতে
যাচ্ছে ‘উইমেন’স
কর্নার’।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে কলা ও মানবিক এবং
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ছাত্রীদের জন্য এ বিশেষ সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আগামী ১ মার্চ ২০২৬ থেকে কর্নারটি আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রীদের
জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
কলা ও মানবিক অনুষদ এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের নিচতলার
দক্ষিণ-পূর্ব পাশের টয়লেট কম্পার্টমেন্টটি ছাত্রীদের নানাবিধ প্রয়োজন বিবেচনায় সংস্কার
ও বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। এই ‘উইমেন’স কর্নার’-এ মেয়েদের নামাজের স্থান, মাতৃদুগ্ধ কর্নার, বিশ্রাম ও প্রসাধন
ব্যবস্থা এবং স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধা সংযোজন
করা হয়েছে।ছাত্রীদের জন্য একটি সহায়ক ও আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গ্রহণ
করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
সোহরাব উদ্দিন বলেন, 'শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টয়লেট ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা শুধু অবকাঠামো
নয়, এটি স্বাস্থ্য, স্বাচ্ছন্দ্য ও মর্যাদার বিষয়। কিন্তু সামান্য গাফিলতিতেই এগুলো
অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায়। মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসিককালীন প্রয়োজন, প্যাড পরিবর্তন ও প্রাইভেসির
বিষয়গুলো আমরা সেভাবে ফ্যাসিলিটেড করতে পারিনি-এই জায়গা থেকেই আমার ভাবনা শুরু। নতুন
ভবন বা অতিরিক্ত স্পেস পাবার সম্ভাবনা নেই, তাই বিদ্যমান জায়গাকেই রেনোভেট করে টাইলস,
পেইন্ট ও ইন্টেরিয়রের মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি করেছি।'
তিনি আরও বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিশেষ করে ভিসি প্রো-ভিসি
ও ট্রেজারারের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। আমার প্রত্যাশা, প্রতিটি
একাডেমিক ভবনে এমন একটি ‘ফিমেল কর্নার’ গড়ে উঠবে এবং ছেলে-মেয়ে সবার জন্য টয়লেটের পরিচ্ছন্নতায়
আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। কারণ পরিচ্ছন্নতা মানে শুধু আরাম নয়-স্বাস্থ্য ও মানবিক দায়িত্বও।'
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছাত্রীবান্ধব
পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) প্রথমবারের মতো চালু হতে
যাচ্ছে ‘উইমেন’স
কর্নার’।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে কলা ও মানবিক এবং
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ছাত্রীদের জন্য এ বিশেষ সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আগামী ১ মার্চ ২০২৬ থেকে কর্নারটি আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রীদের
জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
কলা ও মানবিক অনুষদ এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের নিচতলার
দক্ষিণ-পূর্ব পাশের টয়লেট কম্পার্টমেন্টটি ছাত্রীদের নানাবিধ প্রয়োজন বিবেচনায় সংস্কার
ও বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। এই ‘উইমেন’স কর্নার’-এ মেয়েদের নামাজের স্থান, মাতৃদুগ্ধ কর্নার, বিশ্রাম ও প্রসাধন
ব্যবস্থা এবং স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধা সংযোজন
করা হয়েছে।ছাত্রীদের জন্য একটি সহায়ক ও আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গ্রহণ
করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
সোহরাব উদ্দিন বলেন, 'শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টয়লেট ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা শুধু অবকাঠামো
নয়, এটি স্বাস্থ্য, স্বাচ্ছন্দ্য ও মর্যাদার বিষয়। কিন্তু সামান্য গাফিলতিতেই এগুলো
অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায়। মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসিককালীন প্রয়োজন, প্যাড পরিবর্তন ও প্রাইভেসির
বিষয়গুলো আমরা সেভাবে ফ্যাসিলিটেড করতে পারিনি-এই জায়গা থেকেই আমার ভাবনা শুরু। নতুন
ভবন বা অতিরিক্ত স্পেস পাবার সম্ভাবনা নেই, তাই বিদ্যমান জায়গাকেই রেনোভেট করে টাইলস,
পেইন্ট ও ইন্টেরিয়রের মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি করেছি।'
তিনি আরও বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিশেষ করে ভিসি প্রো-ভিসি
ও ট্রেজারারের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। আমার প্রত্যাশা, প্রতিটি
একাডেমিক ভবনে এমন একটি ‘ফিমেল কর্নার’ গড়ে উঠবে এবং ছেলে-মেয়ে সবার জন্য টয়লেটের পরিচ্ছন্নতায়
আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। কারণ পরিচ্ছন্নতা মানে শুধু আরাম নয়-স্বাস্থ্য ও মানবিক দায়িত্বও।'
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন