ফ্রন্টিয়ার্স ইন সাইকোলজি জার্নালে প্রকাশিত নতুন গবেষণা অনুযায়ী উচ্চতার পছন্দ আসলে মনস্তাত্ত্বিক, সামাজিক ও বিবর্তনীয় প্রভাবের ফল।
একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, উচ্চতা নিছক শারীরিক বৈশিষ্ট্য নয়—এটি রোমান্টিক পছন্দ ও সঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। খ্যাতনামা 'ফ্রন্টিয়ার্স ইন সাইকোলজি' জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণাটি বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণকারীদের উপর জরিপ চালিয়ে দেখেছে যে, মানুষের প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রে উচ্চতার পছন্দ গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব ফেলে।
গবেষণায় একটি স্থায়ী ধারা লক্ষ্য করা গেছে: বেশিরভাগ পুরুষ সাধারণত অপেক্ষাকৃত খাটো নারীদের বেশি পছন্দ করেন।এই প্রবণতা বিভিন্ন সংস্কৃতিতেই বিদ্যমান, যা গবেষকদের মতে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত রুচি নয়, বরং সামাজিক বা বিবর্তনগত কারণেও প্রভাবিত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে খাটো নারীদের “যৌবনদীপ্ত” বা “সহজগম্য” হিসেবে দেখা হয়—যা পুরুষদের অবচেতন মনে আকর্ষণ তৈরি করে।
অন্যদিকে, নারীরা প্রায়ই লম্বা পুরুষদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন। এর কারণ হিসেবে গবেষকরা দেখিয়েছেন যে সমাজে লম্বা পুরুষদের শক্তি, সুরক্ষা প্রদান এবং সামাজিক আধিপত্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।বিশেষ করে, যখন নারীরা দীর্ঘমেয়াদি বা গম্ভীর সম্পর্কের কথা ভাবেন, তখন এসব বৈশিষ্ট্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তবে স্বল্পমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রেও উচ্চতার এই প্রভাব কিছুটা বজায় থাকে।
গবেষকরা জোর দিয়ে বলেছেন, প্রত্যেক ব্যক্তির পছন্দ ভিন্ন। সাংস্কৃতিক পটভূমি, ব্যক্তিত্ব ও জীবনের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী মানুষের কাছে উচ্চতার অর্থ আলাদা হতে পারে। অর্থাৎ, সবাই এই সাধারণ প্রবণতার অনুসারী নন—অনেকেই সম্পূর্ণ ভিন্ন রুচি ও মানদণ্ডে সঙ্গী বেছে নেন।
এই গবেষণাটি জানায়, প্রেম ও আকর্ষণে উচ্চতা একটি বহুমাত্রিক উপাদান, যা মানসিক, সাংস্কৃতিক ও বিবর্তনীয় প্রভাবের সমন্বয়ে গঠিত। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মানুষের উচিত উচ্চতা নিয়ে প্রচলিত ধারণা বা স্টেরিওটাইপ থেকে বেরিয়ে এসে সম্পর্কের জটিল বাস্তবতাকে আরও গভীরভাবে বোঝা।
.png)
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৫
ফ্রন্টিয়ার্স ইন সাইকোলজি জার্নালে প্রকাশিত নতুন গবেষণা অনুযায়ী উচ্চতার পছন্দ আসলে মনস্তাত্ত্বিক, সামাজিক ও বিবর্তনীয় প্রভাবের ফল।
একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, উচ্চতা নিছক শারীরিক বৈশিষ্ট্য নয়—এটি রোমান্টিক পছন্দ ও সঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। খ্যাতনামা 'ফ্রন্টিয়ার্স ইন সাইকোলজি' জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণাটি বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণকারীদের উপর জরিপ চালিয়ে দেখেছে যে, মানুষের প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রে উচ্চতার পছন্দ গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব ফেলে।
গবেষণায় একটি স্থায়ী ধারা লক্ষ্য করা গেছে: বেশিরভাগ পুরুষ সাধারণত অপেক্ষাকৃত খাটো নারীদের বেশি পছন্দ করেন।এই প্রবণতা বিভিন্ন সংস্কৃতিতেই বিদ্যমান, যা গবেষকদের মতে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত রুচি নয়, বরং সামাজিক বা বিবর্তনগত কারণেও প্রভাবিত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে খাটো নারীদের “যৌবনদীপ্ত” বা “সহজগম্য” হিসেবে দেখা হয়—যা পুরুষদের অবচেতন মনে আকর্ষণ তৈরি করে।
অন্যদিকে, নারীরা প্রায়ই লম্বা পুরুষদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন। এর কারণ হিসেবে গবেষকরা দেখিয়েছেন যে সমাজে লম্বা পুরুষদের শক্তি, সুরক্ষা প্রদান এবং সামাজিক আধিপত্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।বিশেষ করে, যখন নারীরা দীর্ঘমেয়াদি বা গম্ভীর সম্পর্কের কথা ভাবেন, তখন এসব বৈশিষ্ট্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তবে স্বল্পমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রেও উচ্চতার এই প্রভাব কিছুটা বজায় থাকে।
গবেষকরা জোর দিয়ে বলেছেন, প্রত্যেক ব্যক্তির পছন্দ ভিন্ন। সাংস্কৃতিক পটভূমি, ব্যক্তিত্ব ও জীবনের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী মানুষের কাছে উচ্চতার অর্থ আলাদা হতে পারে। অর্থাৎ, সবাই এই সাধারণ প্রবণতার অনুসারী নন—অনেকেই সম্পূর্ণ ভিন্ন রুচি ও মানদণ্ডে সঙ্গী বেছে নেন।
এই গবেষণাটি জানায়, প্রেম ও আকর্ষণে উচ্চতা একটি বহুমাত্রিক উপাদান, যা মানসিক, সাংস্কৃতিক ও বিবর্তনীয় প্রভাবের সমন্বয়ে গঠিত। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মানুষের উচিত উচ্চতা নিয়ে প্রচলিত ধারণা বা স্টেরিওটাইপ থেকে বেরিয়ে এসে সম্পর্কের জটিল বাস্তবতাকে আরও গভীরভাবে বোঝা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন