দাঁত নিয়ে ভোগেননি এমন মানুষ কমই আছেন। দাঁতে শিরশিরানি, মাড়িতে ঘা, ক্যাভিটির মতো নানা সমস্যা দেখা দেয়। তবে বেশিরভাগ মানুষই এই সংক্রান্ত বিষয়গুলো এড়িয়ে চলেন। রোজকার কিছু খাবার দাঁতের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব খাবার খাওয়ার কারণে দাঁতের এনামেলের ক্ষয় হয়।
'পাবমেড' জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্র থেকে জানা যাচ্ছে, ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে অন্তত ৬২ শতাংশের দাঁতের রোগ রয়েছে। ৩ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের মধ্যে দাঁত ও মাড়ির সমস্যায় ভুগছেন কমপক্ষে ৫২ শতাংশ। দাঁতের ক্ষয়ের জন্য কোন খাবারগুলো দায়ী, চলুন জানা যাক-
আঠালো
মিষ্টি
দাঁতে
আটকে যায় এমন আঠালো
খাবার বা মিষ্টি দাঁতের
জন্য ক্ষতিকর। এমন খাবার বেশি
খেলে দাঁতের এনামেলের ক্ষয় হয় দ্রুত।
চকলেট, নানা ধরনের ক্যান্ডি,
জেলি লজেন্স, কিশমিশ ও শুকনো খেজুর
বেশি খেলে দাঁতের ক্ষতি
হবে।
প্রক্রিয়াজাত
স্ন্যাক্স
প্রায়
সবাই এমন খাবার খান।
সাদা পাউরুটি, মিষ্টি বনরুটি দিয়ে প্রাতরাশ সারেন
অনেকেই। এক দুইবার খেলে
ক্ষতি নেই, তবে রোজ
যদি এমন খাবার খান
তাহলে ক্যাভিটির ঝুঁকি অনেকটাই বাড়বে। এছাড়া নানা রকম মিষ্টি
বিস্কুট, কুকিজ, চিপস, ক্র্যাকার— এগুলোও দাঁতের জন্য ক্ষতিকর।
কার্বোনেটেড
পানীয়
যেকোনো
ধরনের কার্বোনেটেড পানীয় দাঁতের এনামেল স্তরের ক্ষয়ের কারণ হতে পারে।
ডায়েট সোডা, প্যাকেটজাত ফলের রস, স্পোর্টস
ড্রিঙ্ক বা দোকান থেকে
কেনা এনার্জি ড্রিঙ্ক— কোনটিই দাঁতের জন্য ভালো নয়।
অনেকেই শরীরচর্চার পর কেনা প্রোটিন
শেক বা এনার্জি ড্রিঙ্ক
পান করেন। এগুলোতে এত বেশি পরিমাণ
কৃত্রিম চিনি মেশানো থাকে
যা কেবল দাঁত বা
মাড়ি নয়, সম্পূর্ণ মুখগহ্বরের
স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি করে।
মিষ্টি
জাতীয় খাবার
আইসক্রিম,
নানা রকম রং ও
স্বাদের দই, ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল,
হেলথ ড্রিঙ্ক দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। অনেকেই
মনে করেন, মিষ্টি, চকলেট, পেস্ট্রি, ডোনাট বাদ দিলেই চলবে।
কিন্তু এগুলো ছাড়াও আরও অনেক খাবার
আছে যেগুলো স্বাস্থ্যকর ভেবে খাওয়া হয়,
কিন্তু সেগুলোতে প্রচুর পরিমাণে কৃত্রিম চিনি মেশানো থাকে।
ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল ও হেলথ ড্রিঙ্কও
এমনই। তাই এগুলো যত
কম খাবেন ততই মঙ্গল।
টমেটো
কেচাপ, প্রোটিনবার
টমেটো
দিয়ে তৈরি হয় কেচাপ।
এই সবজিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকার কারণে
কেচাপ খুবই স্বাস্থ্যকর হওয়ার
কথা। কিন্তু অনেকেই জানেন না, এক চামচ
কেচাপে থাকে এক চামচের
মতো চিনি। আবার দোকান থেকে
কেনা প্রোটিনবারও স্বাস্থ্যকর নয়। কোনো কোনো
প্রোটিনবারে ৩০ গ্রাম সুগার
থাকে, যা ক্যান্ডি বারের
থেকেও বেশি।
দাঁতের
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে
এসব খাবার খাওয়া ছাড়ুন।
.png)
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫
দাঁত নিয়ে ভোগেননি এমন মানুষ কমই আছেন। দাঁতে শিরশিরানি, মাড়িতে ঘা, ক্যাভিটির মতো নানা সমস্যা দেখা দেয়। তবে বেশিরভাগ মানুষই এই সংক্রান্ত বিষয়গুলো এড়িয়ে চলেন। রোজকার কিছু খাবার দাঁতের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব খাবার খাওয়ার কারণে দাঁতের এনামেলের ক্ষয় হয়।
'পাবমেড' জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্র থেকে জানা যাচ্ছে, ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে অন্তত ৬২ শতাংশের দাঁতের রোগ রয়েছে। ৩ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের মধ্যে দাঁত ও মাড়ির সমস্যায় ভুগছেন কমপক্ষে ৫২ শতাংশ। দাঁতের ক্ষয়ের জন্য কোন খাবারগুলো দায়ী, চলুন জানা যাক-
আঠালো
মিষ্টি
দাঁতে
আটকে যায় এমন আঠালো
খাবার বা মিষ্টি দাঁতের
জন্য ক্ষতিকর। এমন খাবার বেশি
খেলে দাঁতের এনামেলের ক্ষয় হয় দ্রুত।
চকলেট, নানা ধরনের ক্যান্ডি,
জেলি লজেন্স, কিশমিশ ও শুকনো খেজুর
বেশি খেলে দাঁতের ক্ষতি
হবে।
প্রক্রিয়াজাত
স্ন্যাক্স
প্রায়
সবাই এমন খাবার খান।
সাদা পাউরুটি, মিষ্টি বনরুটি দিয়ে প্রাতরাশ সারেন
অনেকেই। এক দুইবার খেলে
ক্ষতি নেই, তবে রোজ
যদি এমন খাবার খান
তাহলে ক্যাভিটির ঝুঁকি অনেকটাই বাড়বে। এছাড়া নানা রকম মিষ্টি
বিস্কুট, কুকিজ, চিপস, ক্র্যাকার— এগুলোও দাঁতের জন্য ক্ষতিকর।
কার্বোনেটেড
পানীয়
যেকোনো
ধরনের কার্বোনেটেড পানীয় দাঁতের এনামেল স্তরের ক্ষয়ের কারণ হতে পারে।
ডায়েট সোডা, প্যাকেটজাত ফলের রস, স্পোর্টস
ড্রিঙ্ক বা দোকান থেকে
কেনা এনার্জি ড্রিঙ্ক— কোনটিই দাঁতের জন্য ভালো নয়।
অনেকেই শরীরচর্চার পর কেনা প্রোটিন
শেক বা এনার্জি ড্রিঙ্ক
পান করেন। এগুলোতে এত বেশি পরিমাণ
কৃত্রিম চিনি মেশানো থাকে
যা কেবল দাঁত বা
মাড়ি নয়, সম্পূর্ণ মুখগহ্বরের
স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি করে।
মিষ্টি
জাতীয় খাবার
আইসক্রিম,
নানা রকম রং ও
স্বাদের দই, ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল,
হেলথ ড্রিঙ্ক দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। অনেকেই
মনে করেন, মিষ্টি, চকলেট, পেস্ট্রি, ডোনাট বাদ দিলেই চলবে।
কিন্তু এগুলো ছাড়াও আরও অনেক খাবার
আছে যেগুলো স্বাস্থ্যকর ভেবে খাওয়া হয়,
কিন্তু সেগুলোতে প্রচুর পরিমাণে কৃত্রিম চিনি মেশানো থাকে।
ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল ও হেলথ ড্রিঙ্কও
এমনই। তাই এগুলো যত
কম খাবেন ততই মঙ্গল।
টমেটো
কেচাপ, প্রোটিনবার
টমেটো
দিয়ে তৈরি হয় কেচাপ।
এই সবজিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকার কারণে
কেচাপ খুবই স্বাস্থ্যকর হওয়ার
কথা। কিন্তু অনেকেই জানেন না, এক চামচ
কেচাপে থাকে এক চামচের
মতো চিনি। আবার দোকান থেকে
কেনা প্রোটিনবারও স্বাস্থ্যকর নয়। কোনো কোনো
প্রোটিনবারে ৩০ গ্রাম সুগার
থাকে, যা ক্যান্ডি বারের
থেকেও বেশি।
দাঁতের
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে
এসব খাবার খাওয়া ছাড়ুন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন