ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

আসছে শীতে যেসব কারণে আপনার বিয়ে করা উচিত!



আসছে শীতে যেসব কারণে আপনার বিয়ে করা উচিত!
ছবি: সংগৃহীত

প্রখর রোদ বা অস্বস্তিকর গরমের ঝামেলা না থাকায় বাংলাদেশে বিয়ের আয়োজনের জন্য শীতকাল বরাবরই জনপ্রিয়। নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত চলে বিয়ের হিড়িক। আবহাওয়ার স্বস্তি ছাড়াও এই ঋতুতে বিয়ে করার কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে, যা পাত্রপক্ষ পাত্রীপক্ষ উভয়কেই স্বস্তি দেয়।

বিয়ে আয়োজক বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে বিয়ে করার ৫টি প্রধান সুবিধা নিচে তুলে ধরা হলো:

. দীর্ঘ ছুটি পারিবারিক সুবিধা

টানা ছুটির সুযোগ: বিয়ের জন্য কিছু দিন সময়ের প্রয়োজন হয়। বছরের শেষ দিক, বিশেষ করে নভেম্বর-ডিসেম্বর এবং জানুয়ারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অনেক অফিস-আদালতে দীর্ঘ ছুটি মেলে।

 আনন্দের আয়োজন: ছুটির এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পরিবারের সবাই মিলে আনন্দের সাথে বিয়ের আয়োজন করতে পারে, যা গরমে প্রায়ই সম্ভব হয় না।

. কম ভোগান্তি, বেশি আরাম

সহজ পরিশ্রম: বিয়ে মানেই প্রচুর পরিশ্রমপ্যান্ডেল সাজানো, অতিথিদের দেখভাল করা এবং বর-কনেকে নিয়ে যাতায়াত। গরমের দিনে সামান্য পরিশ্রমেও সবাই হাঁপিয়ে ওঠে। কিন্তু শীতকালে এই কাজগুলো কম পরিশ্রমে এবং অনেক বেশি আরামদায়কভাবে সম্পন্ন করা যায়।

স্বস্তিদায়ক খাওয়া: শীতে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজনও আরামদায়ক হয়। গরমে যেখানে হাঁপিয়ে ওঠার প্রবণতা থাকে, শীতে সেখানে প্রচুর লোক একসাথে থাকলেও ভোগান্তি মনে হয় না।

. সাজ-সজ্জায় স্বস্তি স্থায়িত্ব

মেকআপ থাকে অটুট: গরমকালে ঘামে মেকআপ গলে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়, যা কনের সাজে অস্বস্তি সৃষ্টি করে।

মনোমুগ্ধকর সাজ: শীতকাল মেকআপের জন্য আদর্শ। সাজ-সজ্জা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং কনে স্বস্তিতে থাকতে পারেন। ফলে কনেসহ অতিথিদের সাজও ঠিক থাকে, যা অনুষ্ঠানের চাকচিক্যকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

. প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য ফুলের সমাহার

 টাটকা ফুলের প্রাচুর্য: শীতকাল হলো ফুলের ঋতু। ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, গাঁদা, গোলাপ, রজনীগন্ধা, জুঁই-সহ নানান টাটকা ফুল এই সময়ে সহজেই পাওয়া যায়।

প্রাকৃতিক সজ্জা: টাটকা ফুলের প্রাচুর্যের কারণে কৃত্রিম ফুলের প্রয়োজন হয় না। পুরো বিয়ের অনুষ্ঠান প্রাকৃতিক ফুলে সাজানো গেলে তা এক আলাদা মর্যাদা পায় এবং চাকচিক্যও বাড়ে।

. তুলনামূলক খরচ কম

বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয়: শীতে ফ্যান বা এসি চালানোর প্রয়োজন হয় না, ফলে বিদ্যুৎ খরচ কমে।

ফল পানীয়ের খরচ হ্রাস: শীতে ফল তুলনামূলকভাবে কম পাওয়ায় ফলের খরচ কমে আসে। এছাড়া পানীয়ের ব্যবহারও গরমে চেয়ে কম হয়, যা আয়োজনের মোট ব্যয়কে কিছুটা হলেও কমাতে সাহায্য করে।

সব মিলিয়ে, শীতঋতু বিয়ের আয়োজনের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। স্বস্তি, সৌন্দর্য এবং সাশ্রয়ের হিসাব কষেই প্রতি বছর শীতে বিয়ের হিড়িক পড়ে।

 

বিষয় : বিয়ে শীত বিয়ে করা উচিত

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫


আসছে শীতে যেসব কারণে আপনার বিয়ে করা উচিত!

প্রকাশের তারিখ : ২২ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

প্রখর রোদ বা অস্বস্তিকর গরমের ঝামেলা না থাকায় বাংলাদেশে বিয়ের আয়োজনের জন্য শীতকাল বরাবরই জনপ্রিয়। নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত চলে বিয়ের হিড়িক। আবহাওয়ার স্বস্তি ছাড়াও এই ঋতুতে বিয়ে করার কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে, যা পাত্রপক্ষ পাত্রীপক্ষ উভয়কেই স্বস্তি দেয়।

বিয়ে আয়োজক বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে বিয়ে করার ৫টি প্রধান সুবিধা নিচে তুলে ধরা হলো:

. দীর্ঘ ছুটি পারিবারিক সুবিধা

টানা ছুটির সুযোগ: বিয়ের জন্য কিছু দিন সময়ের প্রয়োজন হয়। বছরের শেষ দিক, বিশেষ করে নভেম্বর-ডিসেম্বর এবং জানুয়ারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অনেক অফিস-আদালতে দীর্ঘ ছুটি মেলে।

 আনন্দের আয়োজন: ছুটির এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পরিবারের সবাই মিলে আনন্দের সাথে বিয়ের আয়োজন করতে পারে, যা গরমে প্রায়ই সম্ভব হয় না।

. কম ভোগান্তি, বেশি আরাম

সহজ পরিশ্রম: বিয়ে মানেই প্রচুর পরিশ্রমপ্যান্ডেল সাজানো, অতিথিদের দেখভাল করা এবং বর-কনেকে নিয়ে যাতায়াত। গরমের দিনে সামান্য পরিশ্রমেও সবাই হাঁপিয়ে ওঠে। কিন্তু শীতকালে এই কাজগুলো কম পরিশ্রমে এবং অনেক বেশি আরামদায়কভাবে সম্পন্ন করা যায়।

স্বস্তিদায়ক খাওয়া: শীতে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজনও আরামদায়ক হয়। গরমে যেখানে হাঁপিয়ে ওঠার প্রবণতা থাকে, শীতে সেখানে প্রচুর লোক একসাথে থাকলেও ভোগান্তি মনে হয় না।

. সাজ-সজ্জায় স্বস্তি স্থায়িত্ব

মেকআপ থাকে অটুট: গরমকালে ঘামে মেকআপ গলে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়, যা কনের সাজে অস্বস্তি সৃষ্টি করে।

মনোমুগ্ধকর সাজ: শীতকাল মেকআপের জন্য আদর্শ। সাজ-সজ্জা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং কনে স্বস্তিতে থাকতে পারেন। ফলে কনেসহ অতিথিদের সাজও ঠিক থাকে, যা অনুষ্ঠানের চাকচিক্যকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

. প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য ফুলের সমাহার

 টাটকা ফুলের প্রাচুর্য: শীতকাল হলো ফুলের ঋতু। ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, গাঁদা, গোলাপ, রজনীগন্ধা, জুঁই-সহ নানান টাটকা ফুল এই সময়ে সহজেই পাওয়া যায়।

প্রাকৃতিক সজ্জা: টাটকা ফুলের প্রাচুর্যের কারণে কৃত্রিম ফুলের প্রয়োজন হয় না। পুরো বিয়ের অনুষ্ঠান প্রাকৃতিক ফুলে সাজানো গেলে তা এক আলাদা মর্যাদা পায় এবং চাকচিক্যও বাড়ে।

. তুলনামূলক খরচ কম

বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয়: শীতে ফ্যান বা এসি চালানোর প্রয়োজন হয় না, ফলে বিদ্যুৎ খরচ কমে।

ফল পানীয়ের খরচ হ্রাস: শীতে ফল তুলনামূলকভাবে কম পাওয়ায় ফলের খরচ কমে আসে। এছাড়া পানীয়ের ব্যবহারও গরমে চেয়ে কম হয়, যা আয়োজনের মোট ব্যয়কে কিছুটা হলেও কমাতে সাহায্য করে।

সব মিলিয়ে, শীতঋতু বিয়ের আয়োজনের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। স্বস্তি, সৌন্দর্য এবং সাশ্রয়ের হিসাব কষেই প্রতি বছর শীতে বিয়ের হিড়িক পড়ে।

 


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৫ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত