ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

কড়াইল বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৯ ইউনিট



কড়াইল বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৯ ইউনিট
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মহাখালী এলাকায় কড়াইল বস্তির আগুন এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল ৫টার পর এই আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৯ ইউনিট।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ গণমাধ্যমকে জানান, বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে তারা আগুনের খবর পান। আগুন নির্বাপণে এখন পর্যন্ত ১৯টি ইউনিট কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, কড়াইল বস্তির ঘরগুলো টিন, বাঁশ, কাঠ ও লোহার তৈরি। একতলা, দোতলা, তিনতলা ঘরগুলো আগুনে জ্বলছে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে বস্তির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

বস্তির বেশির ভাগ বাসিন্দা সাধারণত পোশাককর্মী, রিকশাচালক, হকার বা দিনমজুর। বিকেলে আগুন লাগার সময় তাদের বেশির ভাগই বাড়িতে ছিলেন না। সন্ধ্যার দিকে দেখা যায়, ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়রা যে যেভাবে পারছেন চাপকল বা খাল থেকে পানি নিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে যাওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বস্তির বেশ বড় অংশ জুড়ে আগুন লেগেছে। আগুনের ধোঁয়ার কুণ্ডলি অনেক দূর থেকে দেখা যাচ্ছে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানা যায়নি।

তবে বস্তির বাসিন্দারা জানায়, আগুনে শতাধিক ঘর পুড়ে গেছে। যে যেভাবে পারছেন ঘরের শেষ সম্বলটুকু বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ

বিষয় : রাজধানী মহাখালী কড়াইল মহাখালী বস্তি আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ১৯ ইউনিট

আপনার মতামত লিখুন

ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫


কড়াইল বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৯ ইউনিট

প্রকাশের তারিখ : ২৫ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

রাজধানীর মহাখালী এলাকায় কড়াইল বস্তির আগুন এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল ৫টার পর এই আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৯ ইউনিট।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ গণমাধ্যমকে জানান, বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে তারা আগুনের খবর পান। আগুন নির্বাপণে এখন পর্যন্ত ১৯টি ইউনিট কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, কড়াইল বস্তির ঘরগুলো টিন, বাঁশ, কাঠ ও লোহার তৈরি। একতলা, দোতলা, তিনতলা ঘরগুলো আগুনে জ্বলছে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে বস্তির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

বস্তির বেশির ভাগ বাসিন্দা সাধারণত পোশাককর্মী, রিকশাচালক, হকার বা দিনমজুর। বিকেলে আগুন লাগার সময় তাদের বেশির ভাগই বাড়িতে ছিলেন না। সন্ধ্যার দিকে দেখা যায়, ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়রা যে যেভাবে পারছেন চাপকল বা খাল থেকে পানি নিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে যাওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বস্তির বেশ বড় অংশ জুড়ে আগুন লেগেছে। আগুনের ধোঁয়ার কুণ্ডলি অনেক দূর থেকে দেখা যাচ্ছে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানা যায়নি।

তবে বস্তির বাসিন্দারা জানায়, আগুনে শতাধিক ঘর পুড়ে গেছে। যে যেভাবে পারছেন ঘরের শেষ সম্বলটুকু বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।

 

 

এনএম/ধ্রুবকন্ঠ


ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho

“তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম”

কপিরাইট © ২০২৫ ধ্রুবকন্ঠ | Dhruba Kantho । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত