রাজধানী ঢাকাতে গ্লোবাল বাংলাদেশি অ্যালায়েন্সের (জিবিএ) উদ্যোগে একটি উচ্চ পর্যায়ের ক্লোজড-ডোর পলিসি ডায়ালগ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) গুলশানের হোটেল বেঙ্গল ব্লুবেরিতে আয়োজিত এই
সেমিনারে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রবাসী বাংলাদেশি নীতিবিদ,
গবেষক,
বিভিন্ন পেশাজীবী, প্রযুক্তিবিদ এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা অংশ নেন।
এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সেমিনারের উদ্বোধন করেন অ্যালায়েন্সের প্রধান সমন্বয়কারী সোহেল আহমেদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক ড. আবদুল মঈন খান।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাহিদুর রহমান। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে জিবিএর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আহমেদ সোহেল বলেন,
“গ্লোবাল বাংলাদেশি অ্যালায়েন্স একটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক, অরাজনৈতিক ও গবেষণাধর্মী সংগঠন,
যা মাত্র তিন থেকে চার মাস আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মিজান চৌধুরী,
কাওসার চৌধুরী,
মোহাম্মদ এ সালেহ,
ড. গোলাম রব্বানীসহ একদল বাংলাদেশি-আমেরিকান আইটি ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞের উদ্যোগে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়।“
জিবিএর প্রধান সমন্বয়কারী ও স্কুল অব লিডারশিপের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ড. নয়ন বাংগালি তার উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন,
“বিশ্বদরবারে কানেক্টিভিটি রাজনৈতিক মানুষরাই করে না,
বরং প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিরাই গড়ে তোলে সম্পর্কের সেতুবন্ধ। দেশকে বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে হলে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা, বাস্তব ধারণাকে কাজে লাগাতে হবে।“
ডায়ালগে কি-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিবিদ ও জিবিএর কো-চেয়ারম্যান মিজান চৌধুরী। তিনি এই অ্যালায়েন্সের লক্ষ্য,
উদ্দেশ্য এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন,
বাংলাদেশ আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। টেকসই উন্নয়ন,
শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়নে সুপরিকল্পিত নীতি প্রয়োজন।
নয়ন বাংগালি বলেন,
‘একদল পলিসিমেকার নিয়ে শিগগিরই দেশে ফিরে আসব। সবাই এমপি-মন্ত্রী হওয়ার,
ক্ষমতাশালী হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন। আমরা এই দৌড়ে থাকতে চাই না। আমরা
কাজ
করতে
চাই
দেশের
জন্য।’
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানী ঢাকাতে গ্লোবাল বাংলাদেশি অ্যালায়েন্সের (জিবিএ) উদ্যোগে একটি উচ্চ পর্যায়ের ক্লোজড-ডোর পলিসি ডায়ালগ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) গুলশানের হোটেল বেঙ্গল ব্লুবেরিতে আয়োজিত এই
সেমিনারে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রবাসী বাংলাদেশি নীতিবিদ,
গবেষক,
বিভিন্ন পেশাজীবী, প্রযুক্তিবিদ এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা অংশ নেন।
এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সেমিনারের উদ্বোধন করেন অ্যালায়েন্সের প্রধান সমন্বয়কারী সোহেল আহমেদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক ড. আবদুল মঈন খান।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাহিদুর রহমান। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে জিবিএর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আহমেদ সোহেল বলেন,
“গ্লোবাল বাংলাদেশি অ্যালায়েন্স একটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক, অরাজনৈতিক ও গবেষণাধর্মী সংগঠন,
যা মাত্র তিন থেকে চার মাস আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মিজান চৌধুরী,
কাওসার চৌধুরী,
মোহাম্মদ এ সালেহ,
ড. গোলাম রব্বানীসহ একদল বাংলাদেশি-আমেরিকান আইটি ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞের উদ্যোগে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়।“
জিবিএর প্রধান সমন্বয়কারী ও স্কুল অব লিডারশিপের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ড. নয়ন বাংগালি তার উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন,
“বিশ্বদরবারে কানেক্টিভিটি রাজনৈতিক মানুষরাই করে না,
বরং প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিরাই গড়ে তোলে সম্পর্কের সেতুবন্ধ। দেশকে বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে হলে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা, বাস্তব ধারণাকে কাজে লাগাতে হবে।“
ডায়ালগে কি-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিবিদ ও জিবিএর কো-চেয়ারম্যান মিজান চৌধুরী। তিনি এই অ্যালায়েন্সের লক্ষ্য,
উদ্দেশ্য এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন,
বাংলাদেশ আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। টেকসই উন্নয়ন,
শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়নে সুপরিকল্পিত নীতি প্রয়োজন।
নয়ন বাংগালি বলেন,
‘একদল পলিসিমেকার নিয়ে শিগগিরই দেশে ফিরে আসব। সবাই এমপি-মন্ত্রী হওয়ার,
ক্ষমতাশালী হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন। আমরা এই দৌড়ে থাকতে চাই না। আমরা
কাজ
করতে
চাই
দেশের
জন্য।’
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন