নামাজের শেষে কেউ যদি সালাম ফেরাতে গিয়ে ডান দিকে সালাম না ফিরিয়ে ভুলে আগে বাম দিকে সালাম ফেরায় তবে কি নামাজ বিশুদ্ধ হবে? যদি কোনো ব্যক্তি সালাম ফেরানোর সময় ভুলবশত প্রথমে বামদিকে সালাম ফিরিয়ে ফেলে- এরপর শুধু ডানদিকে সালাম ফিরিয়ে মুসল্লা থেকে উঠে আসে; পরে ডান দিকে সালাম ফেরানোর পর পুনরায় বামদিকে সালাম না ফেরায়, তাতে কি নামাজের কোনো ক্ষতি হবে।
এক্ষেত্রে উত্তর হলো— না, নামাজের ক্ষতি হবে বরং ভুলে আগে বাম দিকে সালাম ফেরানোর পর ডান দিকে সালাম ফিরিয়ে নামাজ থেকে ওঠে গেলে নামাজ আদায় হয়ে যাবে। পুনরায় বামদিকে সালাম না ফেরানোই নিয়মসম্মত কাজ। কেননা নামাযে ভুলে প্রথমে বামদিকে সালাম ফিরিয়ে ফেললে ডানদিকে সালাম ফেরানোর পর পুনরায় বামদিকে সালাম না ফেরানোই নিয়ম।
মনে রাখা জরুরি
নামাজে আগে বামদিকে সালাম ফেরানো সুন্নতের খেলাফ। তাই ইচ্ছাকৃত এমনটি করা যাবে না। ইচ্ছাকৃত প্রথমে বাম দিকে সালাম ফেরানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
* >المحيط البرهاني< ২/১২৮ : فإن سلم أولا عن يساره فسلم عن يمينه،
لا يعيد عن يساره.
সূত্র: বাদায়েউস সানায়ে ১/৫০২; আলমুহীতুর রাযাবী ১/২৫০; তাবয়ীনুল হাকায়েক ১/৩২৫; আযযিয়াউল মা'নাবী ২/১৮৭; মারাকিল ফালাহ, পৃ. ১৪৯
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : ইসলাম নামাজ কোরআন ও জীবন
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
নামাজের শেষে কেউ যদি সালাম ফেরাতে গিয়ে ডান দিকে সালাম না ফিরিয়ে ভুলে আগে বাম দিকে সালাম ফেরায় তবে কি নামাজ বিশুদ্ধ হবে? যদি কোনো ব্যক্তি সালাম ফেরানোর সময় ভুলবশত প্রথমে বামদিকে সালাম ফিরিয়ে ফেলে- এরপর শুধু ডানদিকে সালাম ফিরিয়ে মুসল্লা থেকে উঠে আসে; পরে ডান দিকে সালাম ফেরানোর পর পুনরায় বামদিকে সালাম না ফেরায়, তাতে কি নামাজের কোনো ক্ষতি হবে।
এক্ষেত্রে উত্তর হলো— না, নামাজের ক্ষতি হবে বরং ভুলে আগে বাম দিকে সালাম ফেরানোর পর ডান দিকে সালাম ফিরিয়ে নামাজ থেকে ওঠে গেলে নামাজ আদায় হয়ে যাবে। পুনরায় বামদিকে সালাম না ফেরানোই নিয়মসম্মত কাজ। কেননা নামাযে ভুলে প্রথমে বামদিকে সালাম ফিরিয়ে ফেললে ডানদিকে সালাম ফেরানোর পর পুনরায় বামদিকে সালাম না ফেরানোই নিয়ম।
মনে রাখা জরুরি
নামাজে আগে বামদিকে সালাম ফেরানো সুন্নতের খেলাফ। তাই ইচ্ছাকৃত এমনটি করা যাবে না। ইচ্ছাকৃত প্রথমে বাম দিকে সালাম ফেরানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
* >المحيط البرهاني< ২/১২৮ : فإن سلم أولا عن يساره فسلم عن يمينه،
لا يعيد عن يساره.
সূত্র: বাদায়েউস সানায়ে ১/৫০২; আলমুহীতুর রাযাবী ১/২৫০; তাবয়ীনুল হাকায়েক ১/৩২৫; আযযিয়াউল মা'নাবী ২/১৮৭; মারাকিল ফালাহ, পৃ. ১৪৯
এমএইছ/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন