কোরআনুল কারিমের অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৮
بِسْمِ اللَّهِ
الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
عَسٰی رَبُّكُمۡ اَنۡ یَّرۡحَمَكُمۡ ۚ وَ اِنۡ عُدۡتُّمۡ عُدۡنَا ۘ وَ جَعَلۡنَا جَهَنَّمَ لِلۡكٰفِرِیۡنَ حَصِیۡرًا ﴿۸﴾
সরল অনুবাদ
(৮) সম্ভবতঃ তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের প্রতি দয়া করবেন;
কিন্তু তোমরা যদি তোমাদের পূর্ব আচরণের পুনরাবৃত্তি কর;
তবে আমিও
(আমার শাস্তির)
পুনরাবৃত্তি করব। আর জাহান্নামকে আমি করেছি সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য কারাগার।
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
সুরা বনী ইসরাঈলের এই আয়াতের বলা হচ্ছে, তোমরা পুনরায় নাফরমানীর দিকে প্রত্যাবর্তন করলে আমিও পুনরায় এমনি ধরনের শাস্তি ও আজাব চাপিয়ে দেব। বর্ণিত এ বিধিটি কেয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
এতে বনী-ইসরাঈলের সেসব লোককে সম্বোধন করা হয়েছে, যারা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আমলে বিদ্যমান ছিল। এতে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, প্রথমবার মুসা আলাইহিস সালাম-এর শরীআতের বিরুদ্ধাচরণের কারণে এবং দ্বিতীয়বার ঈসা আলাইহিস সালাম-এর শরীআতের বিরুদ্ধাচরণের কারণে যেভাবে তোমরা শাস্তি ও আযাবে পতিত হয়েছিলে, এখন তৃতীয় যুগ হচ্ছে শরীআতে মুহাম্মদীয় যুগ যা কেয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এর বিরুদ্ধাচরণ করলেও তোমাদেরকে পূর্বের পরিণতিই ভোগ করতে হবে। আসলে তাই হয়েছে।
তারা শরীআতে-মুহাম্মদী
ও ইসলামের
বিরুদ্ধাচরণে
প্রবৃত্ত
হলে মুসলিমদের
হাতে নির্বাসিত,
লাঞ্ছিত
ও অপমানিত
হয়েছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
বিষয় : নাফরমানি পুনরাবৃত্তি পরিণতি
.png)
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬
কোরআনুল কারিমের অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৮
بِسْمِ اللَّهِ
الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
عَسٰی رَبُّكُمۡ اَنۡ یَّرۡحَمَكُمۡ ۚ وَ اِنۡ عُدۡتُّمۡ عُدۡنَا ۘ وَ جَعَلۡنَا جَهَنَّمَ لِلۡكٰفِرِیۡنَ حَصِیۡرًا ﴿۸﴾
সরল অনুবাদ
(৮) সম্ভবতঃ তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের প্রতি দয়া করবেন;
কিন্তু তোমরা যদি তোমাদের পূর্ব আচরণের পুনরাবৃত্তি কর;
তবে আমিও
(আমার শাস্তির)
পুনরাবৃত্তি করব। আর জাহান্নামকে আমি করেছি সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য কারাগার।
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
সুরা বনী ইসরাঈলের এই আয়াতের বলা হচ্ছে, তোমরা পুনরায় নাফরমানীর দিকে প্রত্যাবর্তন করলে আমিও পুনরায় এমনি ধরনের শাস্তি ও আজাব চাপিয়ে দেব। বর্ণিত এ বিধিটি কেয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
এতে বনী-ইসরাঈলের সেসব লোককে সম্বোধন করা হয়েছে, যারা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আমলে বিদ্যমান ছিল। এতে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, প্রথমবার মুসা আলাইহিস সালাম-এর শরীআতের বিরুদ্ধাচরণের কারণে এবং দ্বিতীয়বার ঈসা আলাইহিস সালাম-এর শরীআতের বিরুদ্ধাচরণের কারণে যেভাবে তোমরা শাস্তি ও আযাবে পতিত হয়েছিলে, এখন তৃতীয় যুগ হচ্ছে শরীআতে মুহাম্মদীয় যুগ যা কেয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এর বিরুদ্ধাচরণ করলেও তোমাদেরকে পূর্বের পরিণতিই ভোগ করতে হবে। আসলে তাই হয়েছে।
তারা শরীআতে-মুহাম্মদী
ও ইসলামের
বিরুদ্ধাচরণে
প্রবৃত্ত
হলে মুসলিমদের
হাতে নির্বাসিত,
লাঞ্ছিত
ও অপমানিত
হয়েছে।
এনএম/ধ্রুবকন্ঠ
.png)
আপনার মতামত লিখুন